সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অভিনেতা সইফ আলি খানের (Saif Ali Khan) উপর হামলার দেড় দিন পার। শুক্রবার ২৪ ঘণ্টা চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে বান্দ্রা স্টেশন থেকে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করেছিল মুম্বই পুলিশ। তবে প্রাথমিক জেরার পর শাহিদ নামক ওই ব্যক্তিকে ‘নিরাপরাধ’ বলে ছেড়ে দেওয়া হয়। আর শনিবার হাওড়াগামী জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস থেকে আটক আরও এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি।
আরপিএফ সূত্রে খবর, “মুম্বই পুলিশের দেওয়া তথ্যসূত্র ধরেই সইফের উপর হামলাকাণ্ডে মধ্যপ্রদেশ থেকে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। যে ট্রেন মুম্বই থেকে হাওড়া যায়। সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তির নাম আকাশ। আপাতত তাকে জেরা করা হচ্ছে।” আরপিএফ-এর তরফে জানানো হয়েছে, “মুম্বই পুলিশ ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি, ট্রেনের নম্বর এবং লোকেশন পাঠিয়েছিল। সেটা দেখেই ওই আটক করা হয়। সন্দেহভাজন ব্যক্তি আপাতত আরপিএফ-এর হেফাজতে। মুম্বই পুলিশের একটি টিম মধ্যপ্রদেশে এসে নিশ্চিত করবে যে এই সেই ব্যক্তি কিনা, যাকে তারা খুঁজছিল।”
প্রসঙ্গত, শুক্রবার দিনভর একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার পরও আততায়ী অধরা। এদিকে মুম্বই পুলিশ একাধিক টিম গঠন করে সইফের বাড়ির সব পরিচারিকা, কর্মীদের জেরা করা শুরু করেছে। খানা তল্লাশি চালানো হচ্ছে পড়শিদের বাড়িতেও। একাংশ আবার সইফের উপর হামলা কাণ্ডে আন্ডারওয়ার্ল্ড কানেকশন খুঁজতে ব্যস্ত। যদিও সেই জল্পনা শুক্রবার নস্যাৎ করে দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পুনের সাংবাদিক বৈঠকে যোগেশ কদম জানিয়েছেন, “সইফ আলি খানের উপর হামলার নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের কোনও হাত নেই। অন্ধকার জগতের কোনও গ্যাং এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। পুলিশের কাছেও এরকম কোনও নেই যে, সইফকে কেউ হুমকি দিয়েছিল। তাছাড়া, অভিনেতা তো কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তাও চাননি পুলিশের কাছে। সইফ যদি নিরাপত্তার জন্য আবেদন করেন, তাহলে আমরা যথাযোগ্য পদক্ষেপ করব।” তাঁর সংযোজন, “হামলাকারীর একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল চুরি করা।”
সর্বশেষ খবর
-
দু’দিনের চিরুনি তল্লাশির পরও অধরা আকাশ, রোলাহাটুর আগ্নেয়াস্ত্রই এখন গোয়েন্দাদের ‘ক্লু’
-
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যে দু’নম্বরে উঠে এল আমেরিকা, শীর্ষে চিন, ‘সম্পর্কের শৈত্যে’ কোথায় ভারত?
-
‘যতদিন সনাতনী পতাকা উড়বে, কেউ ভারতের ক্ষতি করতে পারবে না’, হুঙ্কার যোগীর
-
রাতে রাস্তায় বাস থাকলেই জরিমানা! তবে বাসমালিকদের স্বস্তি দিতে নয়া সিদ্ধান্ত অর্জুনের
-
পরপর বোমা ফেলল রাশিয়া, এবার যুদ্ধের আগুন ন্যাটোভুক্ত দেশে! জবাব দেবে সামরিক জোট?