সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এবারের ভাইফোঁটায় নিজের ভাই-দাদারা থাকছেন না শ্রুতির কাছে। তাই এবছর শ্রুতি চান কিঞ্জল নন্দ এবং তাঁর সহযোদ্ধা জুনিয়র চিকিৎসকদের কপালে ফোঁটা দিতে। সোশাল মিডিয়ায় সেই বার্তাই দিলেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রুতি দাস।
সোশাল মিডিয়ায় শ্রতি স্পষ্ট লিখলেন, এবছর আমার ভাই,দাদারা কেউ ভাইফোঁটা তে আমার কাছে থাকতে পারছে না। কিঞ্জল নন্দ এবং তাঁর সহযোদ্ধা কয়েক জন ডাক্তার দাদা-ভাই দের ফোঁটা দিতে চাই।আমার সাথে কারোর আলাপ নেই। বার্তাাটা একটু পৌঁছে দেবেন,আমি সেদিন পৌঁছে যাবো। ইচ্ছা আছে,বাকিটা ভাগ্য।
আর জি কর কাণ্ডে তিলোত্তমার বিচার চেয়ে প্রথম থেকেই সরব অভিনেত্রী শ্রুতি দাস। মেধাবী ছাত্রীকেও প্রচুর খেটে ডাক্তারি পরীক্ষায় চান্স পেতে হয়। মেয়েটা এই অধিকার অর্জন করেছিল। তার পর চিকিৎসক হিসেবে পথ চলা শুরু। চূড়ান্ত ব্যস্ততা। নভেম্বরে নাকি বিয়েও হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই সব শেষ। এখন সে খবরের শিরোনামে ‘আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নিহত চিকিৎসক’। কেউ নাম দিয়েছে তিলোত্তমা, কেউ আবার অভয়া। যাঁর কথা ভেবে ভেবে রাতের ঘুম উড়েছে শ্রুতি দাসের। কীভাবে মেয়েটার স্বপ্ন ভেঙেচুরে শেষ হয়ে গেল, সেই ব্যথাই যেন অনুভব করেছিলেন অভিনেত্রী। এবার সেই অনুভূতিকে সঙ্গে নিয়েই জুনিয়ার ডাক্তারদের পাশে এভাবে দাঁড়াতে চান শ্রুতি।
সর্বশেষ খবর
-
ঐতিহ্যের উইম্বলডনে চতুর্থ ভারতীয় হিসাবে নজির শুভমানের, শচীনের সঙ্গে ছবি ভাইরাল
-
দু’মাসেই বড় বদল! তৃণমূল জমানার ডামাডোল কাটিয়ে একগুচ্ছ কাজ বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থায়
-
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে তিকিতাকার জয়, সুপার সাব ম্যাজিকে বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিতে স্পেন
-
মাঝরাস্তায় ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল চুরি! বর্ধমানে সক্রিয় বড়সড় চক্র, সতর্ক পুলিশও
-
পকেটের চাপে অভিভাবকত্বে ব্রেক! বাংলায় কমছে প্রজনন হার, সমীক্ষার ফলাফলে উদ্বেগ