Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

‘কালা হিরণ’ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ গোবিন্দ নামদেবের, ‘সলমনপ্রীতি’ দেখাতেই চড়াও প্রযোজক

'কালা হিরণ' বিতর্কের মাঝেই গোবিন্দ নামদেবকে মোটা টাকা জরিমানার দাবি প্রযোজকের। নেপথ্যে কী কারণ? অন্যদিকে বোমা ফাটালেন অভিনেতা সোনু মিশ্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ০৯:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ০৯:৩৫

options
link
‘কালা হিরণ’ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ গোবিন্দ নামদেবের, ‘সলমনপ্রীতি’ দেখাতেই চড়াও প্রযোজক zoom
গোবিন্দ নামদেবকে আইনি নোটিশ 'কালা হিরণ'-এর প্রযোজকের
Advertisement

‘কালা হিরণ’ বিতর্ক যেন কিছুতেই থামছে না। প্রযোজক অমিত জানির সঙ্গে আইনি লড়াইয়ে জড়িয়েছেন সলমন। ফার্স্ট লুক মুক্তির পরই সিনেমার প্রচার ও মুক্তিতে স্থগিতাদেশ জারির অনুরোধে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ভাইজান। বিতর্কের মাঝেই এবার বোমা ফাটালেন সলমনের ‘সিকন্দর’ ছবির সহ অভিনেতা সোনু মিশ্র। শুটিং শুরু করেও মাঝপথে বেরিয়ে আসার কারণ প্রসঙ্গে সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আমি কালা হিরণ নিয়ে খুবই উৎসাহিত ছিলাম। সুপারস্টার সলমনের চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, শুটিং শুরু পর বিষয়টা বুঝতে পারি। দু’দিন শুটিং করার পর আমাকে চুক্তিপত্র দেখানো হয়। সেখানে লেখা ছিল সংবাদমাধ্যমের সামনে সালমানের বিরুদ্ধে কথা বলতে হবে। এগুলো আমার নীতিবিরুদ্ধ।’

আরও অভিযোগ, সিনেমাকে প্রচারের আলোয় আনতে ছবির নির্মাতারা সলমন খানের তরফে পাঠানো আইনি নোটিস ছিঁড়ে ফেলেন। সোনুর বক্তব্য, সলমনের ভয়ে ‘কালা হিরণ’ থেকে সরে এসেছেন এমনটা নয়। স্বপক্ষে সাফাই, “ধুরন্ধরে যাঁরা সন্ত্রাসীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন, বাস্তবে তাঁরা সন্ত্রাসী নন। এই চরিত্রে অভিনয় করা নৈতিকতার বিরুদ্ধে বলেই ছবিটি ছেড়ে এসেছি।

Advertisement
kala hiran first look makers change salman khan lawrence bishnoi characters name
‘কালা হিরণ’-এর প্রথম ঝলক

অন্যদিকে বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা গোবিন্দ নামদেবকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন প্রযোজক অমিত জানি। প্রযোজনা সংস্থাকে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা জরিমানার সঙ্গে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তুলেছেন। অন্যথায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি জানিয়েছেন, ‘গোবিন্দ নামদেবকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছি। আগামী সাতদিনের মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে আর প্রযোজনা সংস্থাকে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। নির্দেশ না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কেন প্রযোজকের চক্ষুশূল হলেন অভিনেতা? সিনেমার টিজার তথা ফার্স্ট লুক দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান গোবিন্দ। যে দৃশ্যগুলো প্রথম ঝলকে তুলে ধরা হয়েছে সেখানে ওই চরিত্রের জন্য তিনি চুক্তিবদ্ধ ছিলেন না বলে দাবি অভিনেতার। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গোবিন্দ বলেন, “টিজার থেকে আমি একেবারে হতভম্ব! যেটা ভেবে আমি শুটিং করেছিলাম তার সঙ্গে কোনও সাদৃশ্য নেই। সলমন খানের আদলে একটি চরিত্র তৈরি করে এভাবে উপস্থাপন করা হবে। আমাকে যা বলা হয়েছিল এবং বাস্তবে যা তৈরি করা হয়েছে সেটা আকাশ-পাতাল পার্থক্য। ছবিটি তৈরির সময় নাম বলা হয়েছিল সেটাও বদলে ফেলা হয়েছে।”

গোবিন্দ আরও জানান প্রতারিত বোধ থেকেই ছবি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিনেতা। এরপরই প্রযোজনা সংস্থার তরফে একেবারে সাঁড়াশি আক্রমণ গোবিন্দ নামদেবকে। উল্লেখ্য, ২০০৯-এ সলমনের সঙ্গে ‘ওয়ান্টেড’ ছবিতে সলমনের সহ অভিনেতা হিসেবে কাজও করেছিলেন গোবিন্দ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.