২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘৮০% দৃশ্যই বাদ দেওয়া হয়েছিল, অনেক দুঃখে কঙ্গনার মণিকর্ণিকা ছেড়েছিলাম’, আক্ষেপ সোনুর

Published by: Suparna Majumder |    Posted: September 22, 2020 9:13 pm|    Updated: September 22, 2020 9:13 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  বছর পুরনো ‘মণিকর্ণিকা: দ্য ক্যুইন অফ ঝাঁসি’ বিতর্ক ফের উসকে দিলেন সোনু সুদ (Sonu Sood)। এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে স্মরণ করলেন অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা। একরাশ কষ্ট বুকে নিয়ে কঙ্গনা রানাউত অভিনীত-পরিচালিত সিনেমা থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন সোনু। এতদিনে নিজের বেরিয়ে আসার কারণ জানালেন অভিনেতা।

২০১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল ‘মণিকর্ণিকা: দ্য ক্যুইন অফ ঝাঁসি’ (Manikarnika: The Queen of Jhansi)। প্রথমে ছবির পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন প্রখ্যাত দক্ষিণী পরিচালক কৃষ (Radha Krishna Jagarlamudi)। পরে কঙ্গনার সঙ্গে মতপার্থক্যের জেরে তিনি মাঝপথে ছবি ছেড়ে বেরিয়ে যান। কৃষের পরিচালনাতেই তাতিয়া টোপির চরিত্রে অভিনয় শুরু করেছিলেন সোনু। নিজের সাক্ষাৎকারে সোনু জানান, চার মাস ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছিলেন তিনি। আচমকা একদিন শোনেন কৃষ পরিচালকের দায়িত্ব ছাড়ছেন। কৃষকে ফিরিয়ে আনার পরামর্শ কঙ্গনাকে দিয়েছিলেন সোনু। কিন্তু কঙ্গনা সোনুকে বলেন তিনি নিজে ছবিটি পরিচালনা করতে চান। এতে সোনুর সাহায্যও চান। সোনু কঙ্গনাকে শুটিংয়ের রাশ পাঠাতে বলেন। তাতে সোনু দেখেন তাঁর চরিত্রের ৮০ শতাংশ দৃশ্যই ছেঁটে ফেলা হয়েছে। কঙ্গনা তাঁর বন্ধু। তাই প্রকাশ্যে কোনও অভিযোগ না জানিয়ে ছবি থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সোনু। এর জন্য তাঁর কেরিয়ারের অনেক ক্ষতি হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

[আরও পড়ুন: অন্যের মেসেজকে অনুরাগের বলে দাবি! পরিচালককে ‘ফাঁসাতে’ গিয়ে নিজেই বিপাকে অভিনেত্রী]

বছর পুরনো অভিজ্ঞতা কষ্ট দিলেও আর ফিরে তাকাতে চান না সোনু। করোনা কালে (CoronaVirus) তিনি গরীবের ‘মসিহা’ হয়ে ক্রমাগত সাহায্য করে চলেছেন। তাই করে যেতে চান। আজই হ্যাপি নামের এক দুঃস্থ পড়ুয়ার অনলাইন পাঠের জন্য মোবাইল পৌঁছে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সোনু। অবসরে পপকর্ন বেচা কিশোর কাহিনি সোনুর সঙ্গে শেয়ার করেছিলেন অঞ্জলি নামের এক তরুণী। পবন আলাগম নামে এক ব্যক্তির বাবার চিকিৎসার ব্যবস্থাও করেছেন সোনু।     

[আরও পড়ুন: ‘ভয় লাগছে, আমাকে মেরেই ফেলবে’, মৃত্যুর ৫ দিন আগে দিদিকে জানিয়েছিলেন সুশান্ত!]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement