BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লকডাউনে কাজ খুইয়ে রাস্তায় সবজি বিক্রি করছেন আইটি কর্মী, চাকরি দিলেন সোনু সুদ

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: July 28, 2020 5:31 pm|    Updated: July 28, 2020 8:47 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কথাতেই আছে, কোনও কাজই ছোট নয়। আর এমন দুঃসময়ে তো নয়ই। একে করোনা আবহ উপরন্তু নির্বিচারে কর্মী ছাঁটাই। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতোই বটে! লকডাউনে কাজ খুইয়ে ছিলেন হায়দরাবাদের আইটি কর্মী উনদাদ সারদা। অতঃপর এমন কঠিন সময়ে প্রায় অথৈ জলে পড়তে হয় তাঁকে। তাই সংসারের হাল ধরতে গিয়ে রাস্তায় সবজি বিক্রি করতে বসেছেন ওই মহিলা। কারণ, এই সময়ে নতুন করে কোথাও চাকরির আবেদনও করা যাবে না। তাই সবজি বিক্রি করেই যা হোক দুটো পয়সা আসবে, সেই আশায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ঘটনা নজরে আসতেই ফের অসহায়দের ত্রাতার মতো অবতরণ সোনু সুদের (Sonu Sood)। খোঁজ-খবর নিয়ে ওই যুবতীকে চাকরি দিলেন অভিনেতা।

চাকরি চলে যাওয়ার পর থেকেই রোজ ভোর চারটের সময় ঘুম থেকে উঠে পাইকারী বাজারে গিয়ে সবজি কেনেন সারদা। এরপর প্রায় ১০-১২ ঘণ্টা সময় ফুটপাথে বসেই সেই সবজি নিয়ে হাঁক পারেন খদ্দেরদের আশায়। হায়দরাবাদে একটি বেসরকারি আইটি কোম্পানিতে সদ্য চাকরি পেয়েছিলেন সারদা। তবে কাজে যোগ দেওয়ার মাস তিনেকের মধ্যেই করোনা জাঁকিয়ে থাবা বসায় দেশে। তখনই চাকরি হারান তিনি। হায়দরাবাদের ওয়ারাঙ্গলের বাসিন্দা এই কন্যার বাবাও পেশায় সবজি বিক্রেতাই ছিলেন। কষ্টের জীবনযাপনের ফল ছিল সারদার আইটি কোম্পানিতে চাকরি। তবে, করোনা সেটাও কেড়ে নিল। এবার সোনু সুদের সৌজন্যেই ফের সুখের মুখ দেখার আশায় গোটা পরিবার।

টুইটারে সোনু জানিয়েছেন যে, তাঁর লোকজন ইতিমধ্যেই সারদার সঙ্গে দেখা করেছেন। বিশদে তাঁর সম্পর্কে জানাও হয়ে গিয়েছে ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে। শুধু তাই নয়, হাতে গরম জব লেটারও দেওয়া হয়ে গিয়েছে সারদাকে। প্রসঙ্গত, হায়দরাবাদের ওই টেকির ঘটনা সোনুর নজরে এনেছিলেন জনৈক রিচি শেলসন নামে এক নেটিজেন। ওই ব্যক্তিকে জবাব দিয়েই এই টুইটটি করেছেন সোনু।

[আরও পড়ুন: করোনা রোখার টোটকা- গোমূত্র, হনুমান চালিশা, ভাবিজি পাঁপড়? বিজেপিকে ব্যঙ্গ সাংসদ নুসরতের]

আর স্বয়ং সোনু সুদের কাছ থেকে এভাবে চাকরি পাওয়ার পর আনন্দে আত্মহারা বছয় ছাব্বিশের সারদা। উচ্ছ্বসিত যুবতীর কথায়, “‘সোনু সুদ ভাইয়া’ ফোন করেছিলেন। ওঁকে দেখতাম, এই লকডাউনে কীভাবে নিঃস্বার্থে মানুষের উপকার করে চলেছেন। যখন আমায় ফোন করলেন, আমি একপ্রকার চমকেই গিয়েছিলাম। ভীষণ খুশি আমি ও আমার পরিবার।” তবে চাকরি সম্পর্কে বিস্তারিত এখনও কিছু জানাননি যুবতী।

সারদার বলছেন, “সংকটের সময় প্রেস্টিজের কথা না ভেবে এত কষ্ট করেও জীবন চালাতে পারছি, সে জন্য গর্বিত। এখানে লজ্জার কিছু নেই। কোনও কাজই ছোট নয়। এটা বেঁচে থাকার সংগ্রাম।”

[আরও পড়ুন: আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে রিয়ার বিরুদ্ধে FIR সুশান্তের বাবার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement