Advertisement
Advertisement
Swastika Dutta Fifa

মাতৃগর্ভ থেকেই ফুটবলপ্রেমী! বিশ্বকাপ মানে স্বস্তিকার কাছে বাবা-দাদুর সঙ্গে রাত জাগার নস্ট্যালজিয়া

আমাদের পাড়ায় সামনের দিক আর্জেন্টিনা আর পিছনের দিকটা ব্রাজিল। আসলে বাঙালির মতো বিশ্বকাপ উদযাপন বোধহয় আর কেউ করে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ২০:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১২, ২০২৬, ২০:২৪

options
link
মাতৃগর্ভ থেকেই ফুটবলপ্রেমী! বিশ্বকাপ মানে স্বস্তিকার কাছে বাবা-দাদুর সঙ্গে রাত জাগার নস্ট্যালজিয়া zoom
মাতৃগর্ভ থেকেই ফুটবলপ্রেমী! বিশ্বকাপ মানে স্বস্তিকার কাছে বাবা-দাদুর সঙ্গে রাত জাগার নস্ট্যালজিয়া

আমেরিকায় বসেছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের আসর। যে মহাযজ্ঞের আঁচ ভারতীয় ফুটবলের মক্কা কলকাতাতেও। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে রাত জেগে গলা ফাটাচ্ছেন টলিপাড়ার তারকারাও। তার মাঝেই ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ নিয়ে নিজেদের অনুভূতির কথা জানালেন সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে। আজ কলম ধরলেন স্বস্তিকা দত্ত

ফুটবল নিয়ে বাঙালিদের মধ্যে একটা অদ্ভুত উন্মাদনা কাজ করে। সেটা ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান হোক বা আইএসএল কিংবা বিশ্বকাপ। আসলে বাংলার সেরা খেলাই ফুটবল। বাঙালি হয়ে জন্মগ্রহণ করেছি তো, তাই এটাই যেন সুরের মতো কানে গেঁথে রয়েছে। আর যদি বিশ্বকাপের কথা বলি তাহলে তো বলতেই হয়, ‘সকার’ আমার খুব প্রিয়। কারণ বাবা আর দাদু খেলতেন। আমি যখন মাতৃগর্ভে তখন মায়ের মধ্যেও ফুটবল নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছিল। মায়ের থেকেই শুনেছি রাত জেগে বিশ্বকাপ দেখত আর ঠাকুমা ততোধিক ওই অবস্থায় রাতে ঘুমানোর জন্য চাপ দিতেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাবার কাছে ‘মি-টাইম’ মানে ডেস্কটপে বসে খেলা দেখা। এখন আর সেভাবে খেলতে পারে না। তবে বাবা ফুটবল খেলতে প্রচণ্ড ভালোবাসে। এবার বিশ্বকাপ নিয়ে একটু বিশদে কথা বলা যাক। ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে বসে খেলা দেখতাম। কোনদিন কোন দলের খেলা সেটার একটা চার্ট বানিয়ে নেওয়া হত। দাদু ছিলেন আর্জেন্টিনার সমর্থক। বাবা আর আমি ব্রাজিলের অন্ধভক্ত। আমরা খেলাটা ইগোতে নিয়ে নিই। তাই মনখারাপ, সেভাবে বিশ্বকাপ দেখছিও না।

স্বস্তিকার প্রিয় ব্রাজিল।

দাদু জীবিত থাকাকালীন রাত জেগে খেলা দেখা আর বিস্কুট, নানারকমের স্ন্যাক্স দিয়ে মুখ চালানোটা একটা রীতি ছিল। আমি চিরকাল বাবার সঙ্গেই খেলা দেখেছি আর ভবিষ্যতেও দেখব। যত বড় হয়েছি কাজের পরিসর বেড়েছে। শুটিং সিডিউলের জন্য এখন রাত জেগে খুব একটা খেলা দেখা সম্ভব হয় না। তবে সাড়ে ন’টা বা এগারোটার ম্যাচগুলো দেখি। একটা বিশেষ কারণে ফুটবলটা আমার খুব প্রিয়। সেটা হল নব্বই মিনিটের টানটান উত্তেজনা, ডু অর ডাই ম্যাচ।

Brazil out of FIFA world cup 2026: Is Europe ruling over Latin America football
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ব্রাজিলের

লাতিন আমেরিকার টিম ব্রাজিল প্রিয়। তারও একটা কারণ আছে। এই ধরনের খেলাতেই ফুটবল একদম জমে ওঠে। লাতিন আমেরিকা টিমগুলো তো সমুদ্রের বিচে খেলে অভ্যস্ত। এবছর বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিল ছিটকে গিয়েছে এটা ভেবে বা বলে নিজেকে আর কষ্ট দিতে চাই না। এবছর আমার রাত জেগে ভোরবেলা উঠে খেলা দেখা হয়নি। বাবা কিন্তু দেখেছে।

দায়বদ্ধ স্বস্তিকা দত্ত

আসলে আমি দর্শকের প্রতি দায়বদ্ধ। মেকআপ আটির্স্টের প্রতিও দায়িত্ব আছে। রাত জেগে যদি খেলা দেখি তাহলে যে পরিমাণ ফাউন্ডেশন চোখের নিচের ডার্কসার্কেল ঢাকতে প্রয়োজন সেটা একটু সমস্যাজনক। আমি শুটিংয়ের ফাঁকে হাইলাইটস দেখেছি। ছোটবেলার মতো আজও প্রিয় দল যখন নেই তখন আর খেলা দেখে কী হবে!

'Prof. Bidya Banerjee' Actress Swastika Dutta on Serial and Cinema
ফুটবলপ্রেমী স্বস্তিকা

তবে এবছর কম শক্তিশালী দলগুলো অসাধারণ খেলছে। এটা সত্যিই ভীষণ অনুপ্রেরণাদায়ক। একজন সকারপ্রেমী হিসেবে খুবই গর্বিত। আমাদের পাড়ায় সামনের দিক আর্জেন্টিনা আর পিছনের দিকটা ব্রাজিল। এই দুই দল ঘিরে বাঙালির যে রেষারেষি সেটা তো চলতেই থাকে। আসলে বাঙালির মতো বিশ্বকাপ উদযাপন বোধহয় আর কেউ করে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.