সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৪ সালের পর গতবছর দোলের রং গায়ে মেখেছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় (Swastika Mukherjee)। সেই নয়-নয়টা বছরের ‘দোল অনশন’ অবশ্য বৃন্দাবনে গিয়েই ভেঙেছিলেন অভিনেত্রী। তাই এবারের হোলিতেও কলকাতার বাইরে স্বস্তিকা। চলে গিয়েছেন সেই ব্রিজ ভূমিতেই। আর সেখান থেকেই অবলা চারপেয়েদের হয়ে কড়া বার্তা দিলেন।
রবিবার রাতে সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও শেয়ার করেছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। সেখানেই দেখা গেল আদ্যোপান্ত রঙিন চেহারায় অভিনেত্রীকে। বেশ বোঝা যাচ্ছে, কাজের ব্যস্ততা কাটিয়ে বৃন্দাবনে দারুণ দোল উপভোগ করছেন তিনি। পরনে শাড়ি। কপালে টিপ। গলায় হাঁসুলি নেকপিস। দোলের ফ্যাশনেও বাজিমাত নায়িকার। আর সেই ভিডিও শেয়ার করেই স্বস্তিকার মন্তব্য, “আমার সমস্ত অনুরাগীদের জানাই দোলের অসংখ্য শুভেচ্ছা। সবার দোল খুব আনন্দে কাটুক। আর দয়া করে রাস্তার অবলা কুকুর বেড়ালগুলোকে রং মাখাবেন না। একে-অপরের গায়ে রং লাগান। খুব আনন্দ করুন। হ্যাপি হোলি।” শেষপাতে ব্রিজভূমি থেকে ‘রাধে রাধে’ জপও শোনা গেল স্বস্তিকার মুখে।
[আরও পড়ুন: অবিশ্বাস্য! বুম্বা, দেব, জিৎ সকলের নাম ধরে ‘অতি উত্তম’ চমক দিলেন খোদ মহানায়ক]
View this post on Instagram
গতবছরও বৃন্দাবনে হোলি খেলে দারুণ আনন্দ করেছিলেন অভিনেত্রী। সেইবার বলেছিলেন, “৯ বছর পর হোলি খেললাম। ২০১৪ সালের পর থেকে দোলে না বাড়ির বাইরে পা রেখেছি, না রং ছুঁয়েছি! এইসমস্ত বকেয়া মিটিয়ে নিয়েছি আর ভবিষ্যতের জন্য অতিরিক্ত পয়েন্টও বাড়িয়ে ফেলেছি। এটা বৃন্দাবন। রাধে রাধে…।”
বৃন্দাবনে প্রতিবারই ঘটা করে দোল উৎসব পালন হয়। এবছর মিমি চক্রবর্তীও আগেভাগেই পৌঁছে গিয়েছেন সেখানে। আর বৃন্দাবনের অলি-গলি থেকে হোলির আমেজের ঝলকও শেয়ার করেছেন তিনি। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও ফের এবছর গেলেন ব্রিজ ভূমিতে।
[আরও পড়ুন: ‘দিদি, CCL ট্রফিটা তোমার বাড়িতে রাখব’, মমতার কাছে আবদার যিশুর]
সর্বশেষ খবর
-
হাতে ৩৫ লাখি ব্যাগ, ২১ লক্ষের ঘড়ি পরে সংসদে ‘ক্যুইন’, মহুয়ার পর চর্চায় কঙ্গনার ‘ব্যাগবতী’
-
কলকাতায় আসার ঝঞ্ঝাট নেই, এবার চাকদহ থেকে সোজা শিলিগুড়ি! এসি বাস চালু এ সপ্তাহেই
-
ওয়ানডে বিশ্বকাপের দলে ঢুকতে কী করতে হবে? এবার ‘ব্রাত্য’ শামির জন্য এগিয়ে এলেন জাহির খান
-
স্বাধীনতা বিষয়ক ক্যুইজে সাভারকরের স্তুতি কেন? সাসপেন্ড শিক্ষক, সরগরম কেরল রাজনীতি
-
‘লক্ষ্মী এল ঘরে’, আনন্দে নাচ প্রপিতামহীর! মাইক বাজিয়ে কন্যারত্নকে ঘরে আনল পরিবার