৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বছর পঁচিশেক পর হঠাৎ দেখা। সময়ের পারাপারে কখন যেন কেটে গিয়েছে কাল। থমকে থাকেনি কিছুই। তবুও, মনের ফ্রেমে কোথাও থমকেছে সেই সময়। “গ্রহণ করেছ যত ঋণী তত করেছ আমায়… হে বন্ধু বিদায়”- রবি ঠাকুরের ‘শেষের কবিতা’র লাইন। ঠিক এখান থেকেই শুরু ‘অবশেষে’র গল্প। চেনা লাইন। চেনা চরিত্র সেই অমিত, কেতকী, লাবণ্য। রয়েছে শোভনলালও। ঠিক যেখানে শেষ হয়েছিল রবীন্দ্রনাথের এই চার চরিত্রের কাহিনি। আজ হঠাৎ যদি তাঁদের আবারও দেখা হয়ে যায় তাহলে কেমন হয়? ‘শেষের কবিতা’র অমিত, কেতকী, লাবণ্য, শোভনলাল কেমন আছে ২৫ বছর পরে? ঠিক এই ভাবনা থেকেই লেখা হয় ‘অবশেষের গল্প’। এহেন ভাবনার ভিত্তিতে একটি কাল্পনিক গল্পের প্রেক্ষাপটে শর্ট ফিল্ম বানিয়েছেন পরিচালক অঞ্জন মজুমদার। সদ্য মুক্তি পেয়েছে ছবির ট্রেলার।

[আরও পড়ুন:   দেব-পাওলির ‘সাঁঝবাতি’র শুটিং শুরু হচ্ছে খুব শীঘ্রই]

কেতকী, লাবণ্য, শোভনলাল চরিত্রগুলো ঠিক একই রয়েছে। তবে বদলে গিয়েছে সময়ের নিরীখে। থেমে থাকেনি কেউই। আজকের দিনের প্রেক্ষাপটে তাঁদের জীবন এগিয়েছে অনেকটাই। এসেছে তাঁদের পরবর্তী প্রজন্ম। চিত্রনাট্য অনুযায়ী, ২৫ বছর পর দেখা দুই দম্পতির। এই দীর্ঘ বিরতির পর কতটা বদলেছে তাঁদের সমীকরণ? বন্ধুত্ব-প্রেম-হিংসা… আগের মতোই কি বহমান? না থিতু হয়েছে কালের নিয়মে। ট্র্যাজেডি, চ্যালেঞ্জ নিয়ে জীবন কতটা এগিয়েছে তাঁদের, নাকি এখনও অতীত আঁকড়ে রোজকার জীবন কাটাচ্ছে তাঁরা? উত্তর মিলবে অঞ্জন মজুমদারের অবশেষের গল্পে।

[আরও পড়ুন:  থ্রিডি পোস্টারের পর প্রকাশ্যে ‘সাগরদ্বীপে যকের ধন’ ছবির টিজার]

ছবিতে লাবণ্যর চরিত্রে অভিনয় করেছেন অঞ্জনা বসু। কেতকীর ভূমিকায় বিদীপ্তা চক্রবর্তী এবং শোভনলালের চরিত্রে দেখা যাবে বাদশা মৈত্রকে। তবে, অবশেষের গল্পে পাওয়া যাবে না অমিত চরিত্রটিকে। পরিচালক অঞ্জন আদতে আইটি পেশার সঙ্গে যুক্ত। তবে, সিনেমা তাঁর নেশা। এর আগেও দুটো ছোট দৈর্ঘ্যের ছবি তৈরি করেছেন তিনি। আমার মিউজিক নামে ইউটিউব চ্যানেলে  ৩০ মে মুক্তি পাবে ‘অবশেষের গল্প’। মোট ২৯ মিনিটের এই শর্ট ফিল্ম।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং