Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
Zayed Khan

মুসলিম হয়েও হিন্দু রীতি মেনে নদীতে মায়ের অস্থি বিসর্জন, কারণ জানালেন অভিনেতা

জন্মসূত্রে পারসি হলেও বিয়ের পর ধর্মান্তরিত হন জারিন খান। মায়ের মনোবাসনা পূরণ করতেই কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন তাঁর তিন সন্তান সুজান, জায়েদ ও ফারহা খান?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৬, ১৯:৪০

options
link
মুসলিম হয়েও হিন্দু রীতি মেনে নদীতে মায়ের অস্থি বিসর্জন, কারণ জানালেন অভিনেতা zoom
মুসলিম পরিবারে কেন হিন্দু রীতিতে শেষকৃত্য?

দিনটা ছিল ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর। এই দিন মা জারিন খানকে হারিয়েছিলেন জায়েদ খান, সুজান খান ও ফারহা খান। মৃত্যুর পর কেটে গিয়েছে অনেকগুলো মাস। ফের চর্চায় জারিনের শেষকৃত্য। ইসলাম ধর্মের রীতি মেনে কবর না দিয়ে অস্থি ভাসানো হয়েছিল নদীতে। এরপরই শুরু হয় তরজা। পারসি পরিবারে জারিনের জন্ম হলেও বিয়ে হয় মুসলিম পরিবারে। তাই জীবনের শেষযাত্রার রীতিপালন নিয়ে নানাবিধ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল খান পরিবারকে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে অবশেষে সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন অভিনেতা জায়েদ খান। কেন হিন্দু রীতি মেনে মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছিল?

জায়েদ একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলেছেন, তাঁর পরিবার ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী। কঠোর ধর্মীয় সংজ্ঞা নয় বরং মানবিকতার উপর ভিত্তি করে ধর্মের প্রতি বিশ্বাস। খান পরিবারে ধর্মের ভিত্তিতে কোনও কিছু ভেদাভেদ করা হয় না। আবেগে ভেসে মায়ের শেষ ইচ্ছের কথা স্মরণ করেন পুত্র জায়েদ। তিনি বলেন, “একবার এক নদীর ধারে বসে মা বলেছিলেন আমার চিতাভস্ম যেন সেই নদীতেই বয়ে যায়। আমি মুক্ত হতে চাই। তাই মায়ের ইচ্ছেপূরণ করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জায়েদ একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলেছেন, তাঁর পরিবার ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী। কঠোর ধর্মীয় সংজ্ঞা নয় বরং মানবিকতার উপর ভিত্তি করে ধর্মের প্রতি বিশ্বাস।

এই প্রসঙ্গে যোগ করেন, “আমাদের পরিবারে ধর্ম এমন একটি বিষয় যা একান্তই ব্যক্তিগত। আপনি কীভাবে তা গ্রহণ করবেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। কোনটা ভালো বা খারাপ সলেই নিরিখে বিচার করা মোটেই ঠিক নয়। আমরা নিজেদের একটি ধর্মনিরপেক্ষ পরিবার হিসেবে দেখি এবং আমার মনে হয় না তার জন্য আমাকে আলাদা করে ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন আছে।” আরও জানান, তাঁদের বাড়িতে সবসময়ই বিভিন্ন পটভূমির মানুষকে পূর্ণ সমর্থন করা হয়।

প্রসঙ্গত, মাত্র ১৪ বছর বয়সে সঞ্জয় খানের সঙ্গে আলাপ হয় জারিনের। অভিনয় জীবনে প্রবেশের পর প্রেম হয় আর মাখমাখ। ১৯৬৬ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা। মুসলিম রীতি মেনেই জীবনের নতুন জার্নি শুরু করেছিলেন সঞ্জয়-জারিন। জন্মসূত্রে পারসি হলেও বিয়ের পর ধর্মান্তরিত হন। মায়ের মনোবাসনা পূরণ করতেই হিন্দুমতে শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছিলেন সুজান, জায়েদ ও ফারহা খান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.