BREAKING NEWS

২৮ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৮  শনিবার ১২ জুন ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

বাঘমামার দর্শন পেতে চান? জঙ্গল সফরের সময় এগুলো মাথায় রাখুন

Published by: Bishakha Pal |    Posted: October 14, 2019 4:57 pm|    Updated: October 14, 2019 9:53 pm

Want to see a majestic tiger roaming free, here are a few tips

জঙ্গল খুলে গিয়েছে দু’সপ্তাহ। ঝাঁপিয়ে পড়ছেন ওয়াইল্ড লাইফ প্রেমিকরা। কিন্তু তিন জঙ্গলপ্রেমীর মনে হচ্ছে এঁদের কাছে থাকা উচিত হাতে গরম ব্যাঘ্রদর্শন গাইড। শুদ্ধসত্ত্ব দাস, নীলাদ্রি কুণ্ডু এবং তীর্থংকর দাস।

২০১৮ সালের জুন মাসের সন্ধে। তুরিয়া গেটে চা খেয়ে মনুকে বিদায় জানাচ্ছিলাম। মনুকে পেঞ্চের বহু মানুষ চেনে। একসময় সাফারি গাড়ির ড্রাইভার মনু আজ ট্র্যাভেল এজেন্ট। তিনটে গাড়ির মালিক। ব্যাঘ্র পর্যটন এসব অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা কীভাবে বদলে দিয়েছে, এখানকার গাইড ড্রাইভারদের সঙ্গে কথা না বললে জানতে পারতাম না। পেঞ্চের মনুর মতো করবেটের আক্রম বা রণথম্ভোরের হেমরাজরা আজ গাইডের সঙ্গে সঙ্গে সাফারি গাড়ির মালিক তথা টুর এজেন্ট।

সবচেয়ে বেশি মধ্যপ্রদেশ আর কর্ণাটক জঙ্গলে
ভারতে এই মুহূর্তে বাঘের সংখ্যা ২,৯৬৭। বেশিটা মধ্যপ্রদেশ (৫২৬) আর কর্ণাটকের (৫২৪) দখলে। মধ্যপ্রদেশের বান্ধবগড়, কানহা আর পেঞ্চ, কর্নাটকের বান্দিপুর, মহারাষ্ট্রের তাড়োবা, রাজস্থানের রণথম্ভোর, উত্তরাখণ্ডের করবেট জাতীয় উদ্যানে সারা বছর দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড়। জঙ্গলের প্রকৃতি, জলাশয়ের আধিক্য বা উন্মুক্ত নদীপ্রান্তর বাঘ দেখার সম্ভাবনা এখানে বাড়িয়ে তোলে। গত দু’তিন বছরে পর্যটকদের ক্যামেরায় বাঘের ছবি ধরা পড়ছে সুন্দরবনেও। মধ্য ভারতের মতো না হলেও সুন্দরবনে এখন প্রায়ই বাঘ দেখা যায়। আগে যেটা হত না। জোয়ার-ভাঁটা, জঙ্গলের ঘনত্ব, ম্যানগ্রোভ গাছ মিলিয়ে এ এক অদ্ভুত জঙ্গল। লঞ্চে করে ম্যানগ্রোভ দেখা আর তার মাঝে ‘রয়্যাল বেঙ্গল’ ককটেলের স্বাদ সত্যিই অন্যরকম! পশ্চিমবঙ্গে গত দশকে মহানন্দা স্যাংচুয়ারি বা বক্সাতেও বাঘ দেখা যেত। চোরা-শিকারের জন্য আজ সেই সংখ্যাটা শূন্য। ঝাড়খণ্ডের পালামৌও আজ বাঘশূন্য। ওড়িশার সিমলিপালে সংখ্যাটা নগণ্য। উত্তর পূর্ব ভারতের কাজিরাঙা বা মানস অথবা দুধওয়ার তরাইয়ের জঙ্গলে বাঘ দেখা চ্যালেঞ্জিং, কারণ সেখানে বড় বড় ঘাস। কাজিরাঙ্গায় বাঘ দেখেছিলাম তিন সেকেন্ডের জন্য। তারপর ঘন উঁচু ঘাসের বনে সে যে কোথায় হারিয়ে গেল! দক্ষিণের বান্দিপুর বা নাগারহোল জাতীয় উদ্যানে বাঘের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। তবে কেরলের ওয়ানাড বা পেরিয়ার জাতীয় উদ্যানে বাঘের সাক্ষাৎ অতি দুর্লভ। কারণ জঙ্গলের ঘনত্ব ও প্রতিকূলতা।

বাঘ দেখার সময়
ভারতের বিভিন্ন জঙ্গলে বাঘ দেখার সময়কাল মোটামুটি এক। মধ্য ভারত, করবেট বা রণথম্ভোরে জঙ্গল খোলা থাকে ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন। বর্ষার জন্য ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর জঙ্গল বন্ধ। কাজিরাঙা বা মানস বর্ষার আধিক্যের জন্য মে মাসের শুরু থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি বা শেষ অবধি বন্ধ থাকে। সাফারি হয় দিনে দু’বার- ভোরে আর বিকেলে। বান্ধবগড়ে ‘হোল ডে সাফারি’ চালু থাকলেও রণথম্ভোরে আগামী মরশুম থেকে তা বন্ধ হতে চলেছে। সুন্দরবনে অবশ্য জঙ্গল সারা বছর খোলা। সাফারি চলে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত। তবে এপ্রিল-মে মাসে কালবৈশাখীর জন্য অনেকে সাফারি বন্ধ রাখে। দক্ষিণের নাগারহোল সারা বছর খোলা। জঙ্গলপ্রেমীরা পয়লা অক্টোবর দিনটার দিকে অধীর প্রতীক্ষায় থাকেন। ভারতের বেশির ভাগ জঙ্গল যে ওইদিনে খোলে।

সব্যসাচী স্যারের সঙ্গে জঙ্গলে
দু’তিন বছর হল বান্ধবগড়, রণথম্ভোরে শুরু হয়েছিল গোটা দিনের সাফারি। মোটা টাকার বিনিময়ে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সাফারি। এতে বাঘ দেখার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। খুব অল্প সংখ্যক গাড়িকেই এই অনুমতি দেওয়া হয়। তাই সকালের সাফারি শেষে যখন ৯০ শতাংশ গাড়ি ফিরে যায়, কয়েকটা গাড়ি নিজেদের ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়ায়। বনবিভাগ নির্দেশিত রাস্তায় গাড়ি না চালিয়ে রাস্তার বাইরে গিয়ে বাঘের খুব কাছে চলে যায়। আমাদের সামনেও এরকম ঘটনা ঘটতে যাচ্ছিল রণথম্ভরে। সেটা অনুমান করতে পেরে আমাদের সহযাত্রী, অভিনেতা এবং জঙ্গলপ্রেমী সব্যসাচী চক্রবর্তী বলে উঠেছিলেন, “অ্যায়সা মত কিজিয়ে। শের ইধর আয়েগা তো ঠিক হ্যায়। লেকিন রাস্তা ছোড়কে উসকে পাস মত যাইয়ে।” সব্যসাচী স্যরের সঙ্গে আমরা জঙ্গলে যাচ্ছি গত পাঁচ-ছ’বছর। ভারত আর আফ্রিকার বিভিন্ন জঙ্গলে ওঁর থেকে অমূল্য শিক্ষা পেয়েছি। স্যার বলেন, জঙ্গল মানে শুধু বাঘ নয়। জঙ্গলের সবুজ, নিস্তব্ধতা আর সমস্ত প্রাণীকে একই রকম ভালবাসতে বলেন তিনি। মানস অভয়ারণ্যে নিজেরা গন্ডার দেখে রাস্তা ছেড়ে দিয়েছিলাম তাঁরই নির্দেশে, যাতে অন্য সাফারি গাড়ির টুরিস্টরাও ছবি তুলতে পারেন। স্যারের থেকে শিখেছি, পশুপাখিদের খাবার দিয়ে তাদের সহজাত প্রবৃত্তি নষ্ট না করতে। কাজিরাঙায় এক পর্যটক নিয়ম ভেঙে জঙ্গলের মাঝে গাড়ি থেকে নেমে হাতির ছবি তুলতে যাচ্ছিলেন। তাঁকে বেশ বকাঝকা করেন সব্যসাচী স্যার। স্যার বলেন, ‘‘জঙ্গল হল পশুদের বাড়ি। আমরা তাদের বাড়িতে অতিথি হয়ে গিয়ে যেন তাদের ডিস্টার্ব না করি।’’ বাঘ দেখার এবং বাঘের ছবি তোলার যে প্রতিযোগিতা সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে চালু হয়েছে, স্যার তার ঘোরতর বিরোধী। পেঞ্চে সাফারিতে শেষবেলায় যখন সব গাড়ি বাঘ দেখার জন্য দৌড়চ্ছে, স্যার বলেছিলেন, “এই প্রতিযোগিতায় আমি নেই।”

ফ্ল্যাশে ভয় পেয়ে চলে গেল মায়া
তাড়োবায় দেখেছি গাড়ির লম্বা লাইন। গাড়িগুলোর মধ্যে এক ফুট দূরত্বও নেই। ফলে বাঘিনি ‘মায়া’ তার শাবক নিয়ে রাস্তা পেরোতে পারছে না। যাবে কীভাবে? সব পর্যটক যে যার মতো ছবি আর ভিডিও তুলতে ব্যস্ত। অথচ যাদের ছবি তুলছে, সেই বাঘিনি আর তার শাবকের কথা কেউ ভাবছে না! বেশ কয়েকজন ফ্ল্যাশ দিয়ে ছবি তুলে মায়াকে আরও ভয় পাইয়ে দিল। রাস্তা পেরনোর বদলে সে উলটোদিকের জঙ্গলে বাচ্চাদের নিয়ে ঢুকে গেল।

কী করবেন

  • চেষ্টা করুন সবুজ, জলপাই বা জংলা রঙের পোশাক পরতে। বন্য প্রাণীদের পরিবেশ আর প্রকৃতির রঙের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখতে।
  • আপনার বাঘ বা পশুপাখি দেখা হয়ে গেলে পেছনের বা পাশের গাড়িকেও দেখার সুযোগ করে দিন।
  • বন্য প্রাণীদের রাস্তা পারাপারের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা ও সময় দেবেন।
  • বন দপ্তর নির্দেশিত নির্দিষ্ট জায়গাতেই ব্রেকফাস্ট করুন বা খাবার খান। খিদে পেলেও সেই জায়গায় পৌঁছনো পর্যন্ত একটু ধৈর্য ধরুন।
  • গরমকালে যেহেতু বাঘ দেখার সুযোগ বেড়ে যায়, তাই বেশির ভাগ টুরিস্ট এপ্রিল-মে-জুন মাসে জঙ্গলে যান। এই সময় সাফারিতে যাওয়ার সময় অবশ্যই পানীয় জল, সানস্ক্রিন আর টুপি সঙ্গে যেন থাকে।
  • গরমকালে শহরের চেয়ে জঙ্গলের তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত কম থাকে আর সাফারি গাড়ির হুড থাকে না। তাই ঠান্ডা লাগতে পারে। সুতরাং পর্যাপ্ত গরমের পোশাক সঙ্গে রাখুন।
  • ধুলো থেকে বাঁচতে মাস্ক বা রুমাল থাক সঙ্গে।
  • ছবি তুলতে ভালবাসলে টেলিলেন্স অবশ্য। বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলে নিজেকে বাঁচাতে রেনকোট আর ক্যামেরা লেন্সকে বাঁচাতে রেনব্যাগ।
  • সাফারিতে ভারী ধাতব পদার্থ যেমন বালা, মেটাল ব্যান্ড এ সব পরবেন না। সূর্যের আলো এগুলোয় প্রতিফলিত হয়ে বন্য প্রাণীদের অসুবিধার কারণ হতে পারে।
  • ক্যামেরা ও ভিডিও ক্যামেরার জন্য উপযুক্ত ও সঠিক তথ্যের বিনিময়ে ফি জমা করে তবেই জঙ্গলে প্রবেশ করুন।

কী করবেন না

  • উজ্জ্বল পোশাক পরে বা পারফিউম নিয়ে/মেখে সাফারিতে যাবেন না।
  • ক্যামেরার ফ্ল্যাশ দিয়ে ছবি তোলা একদম নয়। ড্রোন ক্যামেরাও সাফারিতে নিষিদ্ধ।
  • নির্দিষ্ট সীমানা আর সময়ের বাইরে সাফারিতে যাবেন না।
  • জঙ্গলে বাঘ বা অন্য পশুদের উদ্দেশে কখনওই খাবার ছুড়ে দেবেন না।
  • পশুদের সহজাত প্রবৃত্তি হল খাদ্য অন্বেষণ। খাবার দিলে তারা ভাবতে পারে আপনি তাদের রোজ-রোজ খাবার দিয়ে যাবেন।
  • প্লাস্টিক ও প্লাস্টিক-জাত দ্রব্য নিয়ে সাফারিতে যাবেন না।
  • জঙ্গলের মধ্যে ধূমপান ও মদ্যপান ঘোরতর নিষিদ্ধ।
  • সাফারির সময় নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া কিছুতেই গাড়ি থেকে নামবেন না।
  • মোবাইল নিয়ে সাফারিতে নয়।
  • সাফারি চলাকালীন নিজেদের মধ্যে বেশি কথা বলবেন না। ড্রাইভার বা গাইড চেষ্টা করেন পশুপাখির ডাক শুনে নির্দিষ্ট পাখি বা বাঘ চিহ্নিত করতে। বেশি আওয়াজে এই ডাক মিস হলে
    আপনারই বাঘ বা অন্য পশুপাখি দেখার সম্ভাবনা কমে যাবে।
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করার সময় কখনও জঙ্গলের নির্দিষ্ট জায়গা ও তারিখ উল্লেখ করবেন না। এনটিসিএ (ন্যাশনাল টাইগার কনজার্ভেশন অথরিটি) থেকে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট নির্দেশ দেওয়া আছে। মনে রাখবেন, চোরা শিকারিদের জাল সোশ্যাল মিডিয়াতেও আছে।

বাঘ দেখার স্ট্র্যাটেজি
বললেন বিশ্বজুড়ে জঙ্গল সাফারিতে যাওয়ার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিলাদিত্য চৌধুরি জঙ্গল সাফারিতে যাওয়া মানেই বাঘ দেখতে পাওয়া যাবে এর কোনও নিশ্চয়তা নেই। ভারতের কোনও জঙ্গল সাফারি টুরিস্টদের বাঘ দেখানোর গ্যারান্টি দেয় না। তাই ঠিকঠাক পরিকল্পনা করে না গেলে এবং যথেষ্ট ধৈর্য না দেখালে বাঘমামা আয়ত্তের বাইরেই থেকে যেতে পারেন। আমাদের মতো বাঘেদেরও পাড়া আছে। একটা বাঘ জঙ্গলে গড়পড়তা দশ স্কোয়্যার কিলোমিটার জায়গা নিয়ে থাকে। সাফারির আগে বোঝার চেষ্টা করতে হবে জঙ্গলের কোন কোন জায়গায় বাঘের থাকার সম্ভাবনা প্রবল। তার জন্য স্ট্র্যাটেজি চাই। এমন নয় যে তা মিলবেই। তবে স্ট্র্যাটেজি বিহীন গেলে স্রেফ ভাগ্যের ওপর আশা করে বসে থাকতে হবে। এইসব ক্ষেত্রে বিফল মনোরথ হয়ে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি।

কোথায়
শুরুতেই সনাক্ত করতে হবে টাইগার স্পটিং জোনগুলোকে। এক একটা জঙ্গলে আলাদা আলাদা টাইগার স্পটিং জোন। তাডোবা, করবেট, কানহা, রনথম্ভোর, পেঞ্চ, বান্ধবগড় এই সব জঙ্গলে বাঘ দেখতে পাওয়া যায় কিন্তু ঠিক ঠিক জোনগুলোয় পৌঁছতে হবে।

কখন
বাঘ দেখার জন্য সামার মানে গরমের সময় সবচেয়ে ভাল। এই সময় জল খেতে বাঘেরা জঙ্গল থেকে বারবার বেরিয়ে আসে। তাই জলের কাছাকাছি টুরিস্টদের জিপগুলো বেশির ভাগ সময় অপেক্ষা করে থাকে। কখনও বাঘ বার হয়। কখনও আশেপাশে মানুষের ভিড় আছে বুঝলে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকে। তাই টাইগার স্পটিং জোনেও ধৈর্য দেখাতে হয়। জঙ্গল সফরে হাতে অন্তত তিনদিন রাখা উচিত বাঘ দেখার জন্য।

সংকেত বা লক্ষণ
জঙ্গলে সবসময় সজাগ থাকতে হয়। বাঘ কাছাকাছি আছে কি না জানার জন্য কয়েকটা সংকেত জরুরি। হরিণ বা বাঁদরের মুখের একটা বিচিত্র আওয়াজ হয়। যাকে বলা হয় ‘কল’। ধরে নেওয়া হয় এই ‘কল’ মানে তিনি কাছাকাছি কোথাও আছেন। আর তাই হরিণ বা বাঁদর কুক কুক আওয়াজ করছে। বাঘ কাছাকাছি আছে কি না বোঝার আরও একটা উপায় হল, বাঘের ফ্রেশ পায়ের ছাপ কোথাও আছে কি না খুঁটিয়ে দেখা। যদি আশেপাশে পায়ের ছাপ থাকে তাহলে একটু অপেক্ষা করলে তার দেখা মিলতে পারে।

জনপ্রিয় টাইগার স্পটিং জোন

  1. করবেট- বিজরানি
  2. কানহা- মুক্কি গেট
  3. তাডোবা- নভেগাঁও
  4. পেঞ্চ- তুড়িয়া
  5. বান্ধবগড়- টালা
  6. টিপেশ্বর- মাথানি

(তথ্য সহায়তা: সঞ্জয় ভট্টাচার্য, সৌজন্য: শুভজিৎ রায়)

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement