Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬

সৃজিতের মুকুটে নয়া পালক, বাংলাদেশে পুরস্কৃত ‘এক যে ছিল রাজা’

কী পুরস্কার পেল ছবিটি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০১৯, ১৯:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০১৯, ১৯:৩৬

options
link
সৃজিতের মুকুটে নয়া পালক, বাংলাদেশে পুরস্কৃত ‘এক যে ছিল রাজা’ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের পর এবার বিদেশেও সম্মানীত হল ‘এক যে ছিল রাজা’। ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা অডিয়েন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিটি।

২০১৮ সালে পুজোর সময় মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। ভাওয়াল সন্যাসীর কাহিনি অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল ‘এক যে ছিল রাজা’। উত্তমকুমারের ‘সন্ন্যাসী রাজা’-র থেকে এই ছবি অনেক আলাদা৷ ‘সন্ন্যাসী রাজা’-য় দেখানো হয়েছিল বাকল্যান্ড বাঁধ থেকে ছাইমাখা অবস্থায় ফিরে এসেছিলেন ভাওয়াল এস্টেটের জমিদার বংশের রাজকুমার রমেন্দ্রনারায়ণ৷ এস্টেটের সম্পত্তির অধিকার চেয়ে আদালতে মামলাও করেছিলেন তিনি৷ তারপর কী হল, তা অজানাই থেকে গিয়েছিল দর্শকদের কাছে৷ কিন্তু নিজের ছবিতে এসব অস্পষ্ট রাখেননি সৃজিত। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বই ‘প্রিন্সলি ইম্পস্টার: দ্য স্ট্রেঞ্জ অ্যান্ড ইউনিভার্সাল হিস্ট্রি অফ কুমার অফ ভাওয়াল’, মুরাদ ফৈজির বই ‘এ প্রিন্স’, ‘পয়জন এন্ড টু ফিউনারাল’ এই বইগুলিতেই ভাওয়াল সন্ন্যাসী সম্পর্কে ছিল বেশ কিছু তথ্য। সেগুলির উপর ভিত্তি করেই চরিত্র চিত্রণ করেন পরিচালক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

‘ভারত’-এর সেটে চুটিয়ে ক্রিকেট খেললেন ক্যাটরিনা, হাঁকালেন ছক্কা ]

কথায় বলে, তুমি যাও বঙ্গে, কপাল যায় সঙ্গে। এমনই হয়েছিল মহেন্দ্র কুমারের সঙ্গেও। বিশ্বাসী রাজার বিশ্বস্ত কর্মচারীরার তাঁকে ঠেলে দেয় যমরাজের কবলে। কিন্তু ওই যে, কপাল। ভাগ্য যেমন তাঁর সঙ্গে নিষ্ঠুর পরিহাস করেছিল, বৃষ্টির রাতে সেই ভাগ্যের জোরেই বেঁচে ফিরে আসেন রাজা। দাহ করার জন্য রাজার দেহ শ্মশানে নিয়ে গেলেও উধাও হয়ে যায় দেহ। বিক্রমপুরের রাজা মহেন্দ্র চৌধুরির মৃতদেহ উধাও হয়ে ১২ বছর পর সুন্দর দাস নাম নিয়ে শ্মশান থেকে নাগা সন্ন্যাসীর বেশে ফিরে আসা এবং তাঁর মেজোবোনের তোলা মামলাটাই সৃজিতের চিত্রনাট্যের মেরুদণ্ড।

সৃজিতের এই ছবিটি দেশে বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষত ছবিতে যিশু সেনগুপ্তের অভিনয় চিত্রসমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল প্রচুর। দর্শকেরও ছবিটি পছন্দ হয়েছিল। ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অডিয়েন্স অ্যাওয়ার্ড আরও একবার সেই কথা প্রমাণ করল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

OMG! প্রথম সাক্ষাতেই সোফিয়ার সঙ্গে এই কাজ করেছিলেন রোহিত! ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.