Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬

‘এক লড়কি কো দেখা তো…’ ক্যায়সা লগা? জমাট বাঁধল প্রেমকাহিনি?

দেখতে যাওয়ার আগে জেনে নিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৯, ১৮:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০১৯, ১৮:১৭

options
link
‘এক লড়কি কো দেখা তো…’ ক্যায়সা লগা? জমাট বাঁধল প্রেমকাহিনি? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণ প্রেমের গল্প মানে কী? একটা মেয়ে, একটা ছেলে আর তাদের প্রেমের জার্নি। এখানে দুই পরিবারের গল্প আছে, সমাজের মেনে নেওয়া, না মেনে নেওয়ার গল্প আছে। তারপর হাজার বাধা পেরিয়ে শেষমেশ প্রেমের জয়। কিন্তু পরিচালক শেলি চোপড়া এই পথে হাঁটেননি। ‘এক লড়কি কো দেখা তো অ্যায়সা লগা’ ছবির নাম শুনে যা মনে হয়, আদতে গল্প কিন্তু তেমন সাদামাটা নয়।

ছবির গল্প সুইটি চৌধুরীকে নিয়ে। পঞ্জাবের এক ধনী কাপড় ব্যবসায়ীর মেয়ে। একদিন সুইটির সঙ্গে দেখা হয় সাহিল মির্জার। সুইটির প্রেমে পড়ে সাহিল। কিন্তু সুইটি সাহিলকে ভালবাসে না। এরপর কী হয়? আর পাঁচটা গল্পে দেখা যায় মেয়ের মন পেতে এবার ছেলে নিজেকে মেয়েটির উপযুক্ত করে তুলতে চায়। ভাল চাকরি পেলেই মেয়ে তার প্রেমে পড়ে যাবে। মেয়ের বাড়িতেও কোনও সুবিধা করবে না। এই গল্প এখন বস্তাপচা। শেলি চোপড়া তাই সেই ঝুঁকিই নেননি। গল্প এরপর থেকে তিনি সাজিয়েছেন অন্যভাবে। প্রেম ছবিতে অবশ্যই উপস্থিত। কিন্তু অন্যভাবে।

Advertisement

সুইটির বিয়ে ঠিক করে বাবা বলবীর। পাত্রের নাম সাহিল। মুসলিম বলে অনেকে আপত্তি তুলেছিল। কিন্তু তাদের পরিবার একটাই উদার, যে হিন্দু-মুসলিম তাদের কাছে কোনও বাধা নয়। সাহিলকে মেনে নিতে তাদের কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু ওরা যে বন্ধু। তাই সাহিলের পরিবর্তে আসে অন্য এক ছেলে। সেও সুইটির প্রেমে পাগল। কিন্তু সুইটি তো নয়। সে অন্য একজনকে ভালবাসে। সেই মানুষটি সাহিল নয়। এমনকী কোনও ছেলেও নয়। একটি মেয়েকে মন দিয়ে ফেলেছে সুইটি। সাহিলকে সে সব কথা বলেছে। সুইটির জীবনে এই একটাই গোপন কথা। কিন্তু বাড়ি থেকে মেনে নিচ্ছে না সুইটির প্রেম। হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু সমকাম?

ঝাঁসির রানির মতোই শৌর্য, ‘মণিকর্ণিকা’-এ সফল উত্তরণ কঙ্গনার ]

এরপরের গল্প দেখার জন্য ছবিটি দেখতে হবে। ট্রেলার দেখে বা গল্প শুনে মনে হতেই পারে এটি বস্তাপচা প্রেমের গল্প। কিন্তু সেই ঘরানা থেকে বেরিয়ে এসেছে ‘এক লড়কি কো দেখা তো অ্যায়সা লগা’। এই ছবিতে যতটা আবেগ আছে, ততটাই আছে হাস্যরস। পাশাপাশি বিনোদনেও ভরপুর এই ছবি। দেখতে বসে কখনও বিরক্তি আসবে না। অনিল কাপুর আর জুহি চাওলা মাতিয়ে দিয়েছেন। ছবির প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পারফর্ম্যান্সের দিক থেকে একা অনিল কাপুর ছাপিয়ে গিয়েছেন সবাইকে। সোনমের ডায়রি পড়ার পর তাঁর প্রতিক্রিয় আর জুহি চাওলার সঙ্গে তাঁর কমিক সিন, দুটোর মধ্যে আকাশ-পাতাল ফারাক। এই ছবিটা আরও একবার বুঝিয়ে দিল এই অভিনেতার থেকে বলিউডের আরও অনেক কিছু পাওয়ার আছে। রাজকুমার রাওয়ের অভিনয়ও অসাধারণ। বিশেষ করে যে মুহূর্তে সোনম তাঁকে গোপন কথা বলছেন, তখন তাঁর এক্সপ্রেশন দেখার মতো। তিনি সবদিক থেকেই যেন পারফেক্ট। যেই চরিত্রেই ফেলা হোক তাঁকে, তিনি নিজের সেরাটা দিয়ে বেরিয়ে আসেন। একথা আরও একবার প্রমাণ করে দিলেন তিনি। সোনম কাপুর খুব স্বাভাবিকভাবেই পুরো পয়েন্ট পাবেন না। গ্ল্যামার কানায় কানায় পরিপূর্ণ থাকলেও অভিনয়ে তিনি এখনও অনেকটাই পিছিয়ে।

তবে এই ছবিটি ট্র্যাজেডি নয়। ক্লাইম্যাক্সে এসে সবার মুখেই হাসে ফুটবে। এই ছবি ইতিবাচক প্রেমের ছবি। এই ছবি আরও একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে প্রেম প্রেমই। তা সে সমকাম হোক বা বিসমকাম।

নওয়াজেরই ছবি, কিন্তু দর্শকের কাছে কতটা খোলসা হল ‘ঠাকরে’-র জীবন? ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.