সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “মিলতা তো বহত কুছ হ্যায় ইস জিন্দেগি মে/ব্যস হাম গিনতি উসি কি করতে হ্যায়, জো হাসিল না হো সাকা”। কল্পনার রূপকথায় এভাবেই বাস্তবের রং মিশিয়ে দেন তিনি। এ অভ্যাস তাঁর বড্ড পুরনো। গ্যারাজে কাজ করার সময় ঠিক যেভাবে দুর্ঘটনায় জর্জরিত গাড়িগুলিতে নতুন রঙের প্রলেপ দিয়ে সাজিয়ে তুলতেন, সেভাবেই শব্দের কেরামতিতে কবিতার আস্ত এক সাম্রাজ্য তৈরি করেছেন গুলজার (Gulzar)। সেই সাম্রাজ্যের নতুন ঠিকানা ‘আ পোয়েম আ ডে’ (A Poem a Day)। হারপার কলিন্স ইন্ডিয়া (HarperCollins India) থেকে প্রকাশিত বইটিতে নিজের পছন্দের ৩৬৫টি কবিতা নিজের মতো করে লিপিবদ্ধ করেছেন কিংবদন্তি।
স্কুলে পড়াকালীন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল গুলজারের। তখন তাঁর নাম ছিল সম্পূরণ সিং কালরা। কবিতার এক নতুন জগৎ যেন উন্মোচিত হয়েছিল কিশোর সম্পূরণের সামনে। কিন্তু সেই সুখের পৃথিবী বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। দেশভাগের নিদারুণ যন্ত্রণা খানখান করে দিয়েছিল তাঁকে। গুলজারের সৃষ্টিতে সময়ে সময়ে সেই যন্ত্রণার কথা উঠে এসেছে। স্বাধীন ভারতবর্ষে ফের তাঁর কবিতার সফর শুরু হয় মুম্বইয়ে। সেই সময় থেকেই গুলজার নামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়েন।
[আরও পড়ুন: ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর খবরের জের, প্রশাসনের উদ্যোগে দুর্দশা কাটছে খ্যাতনামা শিল্পীর]
৩৪টি আলাদা আলাদা ভাষায় কবিতাগুলি লিখেছিলেন দেশের ২৭৯ জন লেখক। আট বছর ধরে এই কবিতাগুলি লিপিবদ্ধ করেছেন গুলজার। ১৯৪৭ সাল থেকে দেশের নানা প্রান্তের কবিদের যে লেখা তাঁর মন ছুঁয়ে গিয়েছে, তা নিজের মতো সাজিয়েছেন হিন্দুস্তানি ভাষায়। হিন্দি এবং উর্দু কবিতাগুলিকে বাদ দিয়ে এই ভাবানুবাদ করেছেন তিনি।
কবিতার কোনও জাত নেই, নেই স্থান-কাল-ধর্মের বিভেদ। তা কেবল আবেগকে প্রশ্রয় দিয়ে মনকে সমৃদ্ধ করে তোলে। কঠিন এই সময়ে এমন কবিতার সমগ্র মানুষের ভীষণ প্রয়োজন বলে মনে করেন গুলজার। তাঁর কথায়, দেশের নানা প্রান্তের কবিদের সৃষ্টি মুগ্ধ করবে কবিতাপ্রেমীদের। তাঁদের ভবিষ্যতের পাথেয় হয়ে উঠবে এই বই।
[আরও পড়ুন: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে বিশেষ সম্মান, কিংবদন্তির স্মৃতিতে বইমেলায় হবে গ্যালারি]
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লিতেও ঘরছাড়া তৃণমূল, পার্থর গুঁতোয় দলীয় অফিস ফিরল পুরনো ঠিকানায়
-
মৃত পুরুষের গোপনাঙ্গ নিয়ে তরুণী ডাক্তারের ঠাট্টা! ফের বিতর্কের আগুনে জ্বলছে প্রণীত মোরের শো
-
‘গভীর উদ্বেগের’, বাণিজ্যতরীতে মার্কিন হামলায় ভারতীয় নাবিকদের মৃত্যুতে তীব্র নিন্দা দিল্লির
-
‘পড়াশোনা করে চাকরি হয়, এই বিশ্বাসই ফেরাতে হবে’, স্কুল শিক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব নিয়ে বললেন দীপক
-
বেমানান সময়ে বিশ্বকাপ! ফুটবল ‘জ্বরে’ আগাম দাওয়াই চিকিৎসকদের, স্বাস্থ্যবিধি মানার বার্তা