৯ ফাল্গুন  ১৪২৬  শনিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুন্দর মলাট, নতুন পাতার ঘ্রাণ, ছাপার কালি – এসবের মধ্যে যে আনন্দ আছে, তা টের পান একমাত্র বইপ্রেমী মানুষজনই। হাতের মুঠোয় পিডিএফ, ই-বুকের উপস্থিতিও কিন্তু এমন আনন্দ এনে দিতে পারে না। পৃথিবীতে এখনও তাই বইপ্রেমীর সংখ্যা অজস্র। ছোট হোক আর আন্তর্জাতিক স্তরের, বইমেলা ঘুরলেই তা টের পাওয়া যায়। তবে এবছর কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় যাঁর সঙ্গে দেখা হল, তাঁর মতো কি কেউ আছেন? আড়াই লক্ষ টাকার বই কিনে এই প্রশ্ন তুলে দিলেন সেই বইপ্রেমী।

চাকদহের বাসিন্দা দেবব্রত চট্টোপাধ্যায়। পেশায় শিক্ষক। চিরাচরিত পুঁথির পাঠদানেই বিশ্বাসী নন। নিজেও যেমন জ্ঞানপিপাসু, শিক্ষার্থীদের মধ্যেও সেই প্রবণতা উসকে দিয়ে জ্ঞানের দীপ জ্বালিয়ে রাখার চেষ্টায় সদা তৎপর। বইমেলাই তাঁর কাছে উৎসব, ১০টা দিন তাঁর কাছে উদযাপনের প্রকৃত সময়। মেলায় আসেন খালি হাতে। আর ফেরেন বস্তাবোঝাই বই নিয়ে। কলকাতা থেকে চাকদহে এই বস্তা বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর এক সঙ্গীও আছেন।

[আরও পড়ুন:দুই নারীর প্রেম থেকে প্রৌঢ়ত্বের ভরসা, ভিন্ন ধরনের ভালবাসার গল্প দেখাল ‘এসো আমার ঘরে’]

সদ্য শেষ হওয়া ৪৪তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় দেখা হয়ে গেল দেবব্রত ‘স্যর’এর সঙ্গে। এত বই কিনলেন! বিস্ময়মিশ্রিত মন্তব্যের উত্তরে হেসে জানালেন, বই পড়া দায় নয়, প্রেম। পড়তে ভাল লাগে বলে প্রতি বছরই এত এত বই কিনে নিয়ে যান। সারা বছর ধরেই পড়েন। নিজের পুস্তকপ্রেম নিয়ে চাকদহের শিক্ষক জানালেন যে এর নেপথ্য নায়ক বাবা। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে বইমেলায় ঘুরতে যেতেন। বাবাও কিনতেন অনেক অনেক বই, কিনে দিতেন ছেলেকেও। সেই থেকে শুরু। এখনও বইমেলায় গিয়ে রাশি রাশি বই না কিনলে শান্তি হয় না দেবব্রতবাবুর। সাহিত্য থেকে শুরু করে বিজ্ঞান-দর্শন, কোনওকিছুই বাদ নেই তাঁর ক্রয়ের তালিকা থেকে। বাড়ির সবক’টি ঘরেই কোনও না কোনও বই থাকেই। এখন ভাবছেন, বইয়ের জন্য আলাদা একটা ঘর তৈরি করবেন। যা হবে তাঁর জ্ঞানের পীঠস্থান।

[আরও পড়ুন: লাগামছাড়া উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং সম্পর্কের টানাপোড়নের গল্প উঠে এল ‘সুরমা’ নাটকে]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং