২৩ বৈশাখ  ১৪২৮  শুক্রবার ৭ মে ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

সাহিত্য অ্যাকাডেমি পাচ্ছেন বর্ষীয়ান সাহিত্যিক শংকর!

Published by: Suparna Majumder |    Posted: March 12, 2021 8:47 am|    Updated: March 12, 2021 10:29 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৬০ বছরে পা দিল শংকরের (Sankar) কালজয়ী উপন্যাস ‘চৌরঙ্গী’। আর এই বছরই ‘সাহিত্য অ্যাকাডেমি’ পুরস্কারে ভূষিত হতে চলেছেন তিনি। ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এর সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজ (শুক্রবার) দিল্লিতে ‘সাহিত্য অ্যাকাডেমি’র এগজিকিউটিভ কাউন্সিলের বৈঠক থেকে ঘোষণা করা হবে শংকরের নাম।

মণিশংকর মুখোপাধ্যায়, যাঁকে আপামর সাহিত্যজগৎ চেনে ‘শংকর’ নামে, জন্মগ্রহণ করেছিলেন ১৯৩৩ সালে। ৮৭ বছর বয়সে এসেও তাঁর কলম চলমান। ২০১৪ সালে প্রকাশিত তাঁর ‘একা একা একাশি’ বইটির জন্য এই পুরস্কার বলে সূত্রের খবর। বনগাঁয় জন্ম লেখকের। পরে পিতা আইনজীবী হরিপদ মুখোপাধ্যায় সপরিবার চলে আসেন হাওড়ায়। শংকরের ছাত্রজীবন শুরু হয় হাওড়া জেলা স্কুলে।

[আরও পড়ুন: প্রশাসনের ‘চাপে’ বন্ধ ঋতব্রতর নাটকের শো! সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক অভিনেতা]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় শহরজুড়ে শুরু হয়েছিল জাপানি বোমার ভয়ে ‘ইভ্যাকুয়েশন’। পরিবারের অন্যরা বনগাঁয় ফিরে গেলেও বাবার সঙ্গে তিনি থেকে যান হাওড়ায়। নতুন ইস্কুলের সন্ধানে নিজেই ব্রতী হন, ভরতি হন বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউশনে। ১৯৪৭ সালে পিতৃবিয়োগ। তারপর নানা পেশায় নিয়োজিত হয়েছেন। উকিলপাড়ায় মোলাকাত হয়েছিল নোয়েল বারওয়েল সাহেবের সঙ্গে। এই বিদেশি মানুষটি এতটাই প্রভাব ফেলেছিল শংকরের জীবনে, যে, তাঁর মৃত্যুর পর শুরু হল শংকরের প্রথম উপন্যাস রচনা– বারওয়েলের স্মৃতিতে। ১৯৫৪ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে শুরু করেছিল ‘কত অজানারে’। এই উপন্যাস অবলম্বনে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ শুরু করেন ঋত্বিক ঘটক, যদিও তা সম্পূর্ণ হয়নি। এরপর একের পর এক রচনা মন জিতে নিয়েছে পাঠকের। স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে লিখেছেন বিবিধ গবেষণা-ঋদ্ধ বই। চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে তাঁর জনপ্রিয়তম উপন্যাস ‘চৌরঙ্গী’। সত্যজিৎ রায়ের ‘কলকাতা ট্রিলজি’র মধ্যে তাঁর ‘সীমাবদ্ধ’ এবং ‘জনঅরণ্য’ চিত্ররূপ পেয়েছে।

সাহিত্য অ্যাকাডেমির বাংলার উপদেশক মণ্ডলীর প্রধান সুবোধ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ‘সংবাদ প্রতিদিন’কে তিনি বলেন, “এ খবর সত্যি যদি হয়, তাহলে আমার চেয়ে খুশি কেউ হবে না। শংকর সুলেখক। গত ৬০ বছর তাঁকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে। তিনি পুরস্কৃত হলে শাপমুক্তি ঘটবে। আরও একটা কথা বলি, একজন লেখক যদি খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন, তাহলে তথাকথিত আঁতেল সমাজ তাঁকে সুনজরে দেখে না। আমি জেমস জয়েস এবং শরৎচন্দ্র একইসঙ্গে পাঠ করে বড় হয়েছি। শংকর বাংলা ভাষার একজন লেজেন্ড। ‘কত অজানারে’ এবং ‘চৌরঙ্গী’ লেখার পরেই তাঁর সাহিত্য অ্যাকাডেমি পাওয়া উচিত ছিল।”

[আরও পড়ুন: ‘বাংলার চাই বাংলার মেয়ে’, একুশের নির্বাচনে মমতার জন্য গান বাঁধলেন কবীর সুমন ]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement