সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত নিভৃত সাধনার কবি দেবারতি মিত্র (Debarati Mitra)। বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরে কলকাতার বাসভবনে মৃত্যু হয়েছে কবির। আগেই প্রয়াত হয়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গী খ্যাতনামা কবি মণীন্দ্র গুপ্ত। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় এবার প্রয়াণ হল দেবারতিরও।
দেবারতি মিত্রের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১২ এপ্রিল কলকাতায়। বাবা অজিতকুমার মিত্র এবং মা গীতা মিত্র। যোগমায়া দেবী কলেজে পড়াশোনার পর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক হন তিনি। এর পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে স্নাতকোত্তর করেন। বালিকা বয়স থেকেই কবিতাচর্চা শুরু হলেও প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় ১৯৬৭ সালে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পাদিত কৃত্তিবাস পত্রিকায়। এর পর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
[আরও পড়ুন: রামমন্দির উদ্বোধনে থাকবেন আডবাণী, দায়িত্ব নিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ]
১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হয় দেবারতি মিত্রের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অন্ধস্কুলে ঘণ্টা বাজে’। একে একে ‘আমার পুতুল, ‘যুবকের স্নান’, ‘ভূতেরা ও খুকি’, ‘তুন্নুর কম্পিউটার’ প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ। প্রকাশিত হয়েছে কবিতা সমগ্র এবং শ্রেষ্ঠ কবিতাও। লিখেছেন কবিতা বিষয়ক গদ্যও। নিভৃত সাধনায় বাংলা সাহিত্যে নিজস্ব এক আঙ্গিক গড়েছিলেন দেবারতি। পেয়েছেন কৃত্তিবাস পুরস্কার, রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কারের মতো একাধিক সম্মান। ২০১৮ সালে মণীন্দ্র গুপ্তের প্রয়াণের পর থেকে কার্যত নিঃসঙ্গ জীবন কাটাচ্ছিলেন কবি। বৃহস্পতিবার অমৃতলোকে পাড়ি দিলেন তিনি।
[আরও পড়ুন: বিলকিস কাণ্ডে ৯ অভিযুক্ত নিখোঁজ! তালা ঝুলছে গুজরাটের গ্রামের বাড়িতে!]
সর্বশেষ খবর
-
দুই বউকেই থাকতে দিতে হবে ঘরে, আজব দাবিতে ২০০ ফুট উঁচু মোবাইল টাওয়ারে যুবক!
-
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারত কোথায়? সংসদে লিখিতভাবে জানাল মোদি সরকার
-
‘কারও নামে বদনাম করিনি’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই নেতাজি নিয়ে সুরবদল অনন্ত মহারাজের
-
ইউক্রেনের ব্যাঙ্কের সঙ্গে বিবাদ! যুদ্ধের মাঝে রাশিয়ায় বড় দায়িত্বে ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি
-
‘সময় ঠিক করুন, সব প্রশ্নের জবাব দেব’, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বিরোধীদের পালটা চাপ শাহের