BREAKING NEWS

১৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

মানবিক মীর, নিজের জন্মদিনে কুর্নিশ জানালেন সমাজের প্রকৃত ‘সকালম্যান’দের

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: February 13, 2020 4:03 pm|    Updated: February 13, 2020 4:03 pm

An Images

সন্দীপ্তা ভঞ্জ: আলসেমির আরমোড়া ভেঙে যখন একটু একটু করে জেগে ওঠে শহর তিলোত্তমা, রুটি-রজির আশায় তখন কত দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ শহরের বুকে পাড়ি দেয় বাসে, ট্রেনে, ফেরিপথে। আজ সমাজের সেসব ‘প্রকৃত সকালম্যান’দের নিজের জন্মদিন উৎসর্গ করলেন ‘সকালম্যান’ মীর, যাঁরা আমাদের রোজকার সংগ্রামে শামিল হলেও সমাজের কাছে আজও কিছুটা ব্রাত্যই!

আমরা যখন আলতো ঘুমের আরমোড়া ভেঙে চায়ের কাপ খুঁজি, প্রথম চুমুকে ঘুমের আস্তরণ কাটিয়ে সজাগ হই, তাার বহু আগে থেকেই কারও কারও দিন শুরু হয়ে যায়। কেউ বা রাস্তার ধারে মাটির উনুনের সামনে দাঁড়িয়ে গনগনে আঁচ মেখে চায়ের কেটলি চাপায়। কেউ বা আবার বাড়ির বাইরে ‘পে–পা–র’ বলে হাঁক দেয়… আবার কেউ ফুলের পসরা সাজিয়ে বসে। ঘড়ির কাটা কিন্তু তখনও বলে, ‘রাত যে এখনও বাকি’! রোজকার জীবনযুদ্ধের সঙ্গে যুঝতে থাকা সেরকমই কিছু সকালম্যানদের কুর্নিশ জানাতে মীরের অভিনব প্রয়াস। যাঁরা আদতেই আমাদের সমাজের ‘সকালম্যান’। নিজের জন্মদিনে সেরকমই কিছু মানুষদের রোজনামচা তুলে ধরলেন নিজস্ব স্টাইলে।  

বিশ্ব রেডিও দিবসে ঘুমের ওমে থাকা শহরকে মীর ‘গুড মর্নিং’ বললেন আরজে হিসেবে নয়, বরং সমাজের খেটে খাওয়া ওই মানুষগুলির মুখপত্র হিসেবে। ১৩ ফেব্রুয়ারি অবশ্য শুধু World Radio Day-ই নয়, ‘সকালম্যান’ মীর আফসার আলিরও জন্মদিন। এই বিশেষ দিনে মীরের পক্ষ থেকে অনুরাগীদের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে রইল আমাদের সমাজের প্রকৃত ‘সকালম্যান’দের কাহন। যাঁদের কাছে দু’পয়সা রোজগারের পাশাপাশি আমাদের মুখে হাসি ফোটানোর দায়িত্বটাও অলিখিতভাবে পড়ে গিয়েছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে কথা বললেন ‘ওঁদের’ সঙ্গে। শুনলেন সেসব ‘সকালম্যান’দের রোজকার জীবনযুদ্ধ।

[আরও পড়ুন: সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান, নিউ জার্সিতে পাড়ি বাংলা-হিন্দি-মারাঠি নাটকের]

সত্যিই তো ঘুম থেকে উঠেই আমাদের হাতের কাছে নিউজপেপার চাই। তিন্নি-বাবাইয়ের স্কুল যাওয়ার আগে চাই এক গ্লাস গরম দুধ। মা-ঠাম্মার চাই পুজোর ফুল, অফিসচলতি পথে সকালের আমেজ নিতে চাই মাটির ভাঁড়ের চা। সঙ্গে বেকারির কেক-বিস্কুট। রুটিনমাফিক কিচ্ছুটি না হলেই মাথা গরম! এ দৃশ্য আমার বাড়ির, আপনার বাড়ির। আমাদের চারপাশের। খুব একটা অচেনা নয় আমাদের জন্য। কিন্তু যে মানুষগুলি আমাদের এই রোজকার অভ্যেসের ভাগীদার হচ্ছেন, জোগান দিচ্ছেন আমাদের নিত্য-প্রয়োজনীয় জিনিসগুলির, আমরা বোধহয় এই ব্যস্ত জীবনে তাঁদের দিকে ফিরে তাকানোর সময়টুকুও পাই না! তবে মীর দেখলেন। তাঁর নিজস্ব ভঙ্গীতে। বিশ্ব রেডিও দিবসে নিজের জন্মদিন উৎসর্গ করলেন সেসব মানুষগুলির উদ্দেশে। মীরের ভাবনা অবশ্য সবসময়েই ‘আউট অফ দ্য বক্স’। জন্মদিনেই প্রকাশ করলেন সেই বিশেষ ভিডিও।

[আরও পড়ুন: শিক্ষকের পুস্তকপ্রেমের নজির, বইমেলাতেই খরচ করে ফেললেন আড়াই লক্ষ টাকা! ]

An Images
An Images
An Images An Images