BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

একঘেয়ে ঘরবন্দি জীবন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের পাশে দাঁড়াতে অভিনব উদ্যোগ ‘সংবেদন’-এর

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: April 25, 2020 11:31 pm|    Updated: April 25, 2020 11:31 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘শরীর থাক দূরে, হৃদয় থাক জুড়ে।/হতাশা কাউকে গ্রাস না করুক, মানসিক স্বাস্থ্য বজায় থাকুক।’ এটাই সার কথা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা মানে বন্ধুবান্ধবদের থেকে একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে, রোজকার সাংস্কৃতিক চর্চা ভুলে যাওয়া নয়। বরং শরীর দূরে রেখে মনের আরও কাছাকাছি চলে আসার সময়ই এই লকডাউন। তেমনই বার্তা দিতে চাইছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা – সংবেদন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছোটদের সমাজের মূল স্রোতে শামিল করার কাজ যারা ইতিমধ্যেই বেশ সাফল্যের সঙ্গে করে ফেলেছে। লকডাউনে এবার এই সংস্থার সদস্যরা শুরু করলেন অভিনব পন্থা। হোয়াটসঅ্যাপেই তাঁরা ছোটদের জন্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন। চর্চাও থাকবে, ভাল থাকবে মনও।

এই দীর্ঘ লকডাউনে কীভাবে দিন কাটাচ্ছে আপনার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান? পরিবার‌ইবা কীভাবে সামলাচ্ছে তাদের? ইতিমধ্যে মানসিকভাবে পিছিয়ে থাকা সন্তানের বাবা লকডাউনে তৈরি হ‌ওয়া সমস্যার সঙ্গে লড়াই করতে না পেরে সন্তানের গলা টিপে হত্যা করেছেন।
কোথাও কেউ বাড়ি থেকে পালিয়েছে, তো কেউ বাড়িতে অশান্তি করে হাত-পা ভাঙছে।
আবার কোনও কোনও ছেলে বা মেয়ে রাগ সামলাতে না পেরে বাবা-মায়ের উপরই চড়াও হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: লকডাউনের জেরে প্রবল সংকটে ব্লাড ব্যাংকগুলি, ‘ঘরে থেকেই রক্তদান’ প্রকল্প চালু করলেন সিধু]

এমনই সব খবরে যখন সরগরম চারপাশ, তখন ‘সংবেদন’ এর উদ্যোগ জীবনের ইতিবাচকতার দিকে। তাদের পক্ষ থেকে হোয়াটসঅ্যাপের প্রতিযোগিতায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের শামিল করে তাঁদের সামনে মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা।

যাতে লকডাউনে ঘরবন্দি থাকার একঘেয়েমি তারা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারে এবং তাদের প্রতিভা এই সময়েও প্রকাশ্যে আনা যায়, সেই জন্য ‘কোয়ারেন্টাইন ট্যালেন্ট হান্ট’এর আয়োজন। বলছেন সংবেদনের সম্পাদক সমিত সাহা। তিনি বলছেন, ”লকডাউন পিরিয়ডে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানরা পরিবারের সদস্যদের জন্য খুবই সমস্যার হয়ে উঠেছে।
এই অবস্থায় তাদের যেমন বাইরে নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না, তেমনই ঘরেও আটকে রাখা যাচ্ছে না।তাই সংবেদনের পক্ষ থেকে এক অভিনব প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে।
ওরা ঘরে বসে নিজেদের কর্মকাণ্ড ভিডিও করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়ে দেবে।
আমরা গুণমান বিচার করে তাদের পুরস্কার দেব। এতে যেমন তাদের বন্দি দশায় কিছুটা মনোরঞ্জন করা যাবে, তেমনি তাদের কাজের মধ্যেও আটকে রাখা যাবে।”

[আরও পড়ুন: ‘কিছু সাহস দিও’, সংকটকাল পেরতে কবি শ্রীজাতর সৃষ্টিতে গলা মেলালেন ১৫ আবৃত্তিকার]

আর এই খবর তাদের কাছে পৌঁছতেই আবার চনমনে হয়ে উঠেছে সকলে। কেউ বসে গিয়েছে পিয়ানো নিয়ে। কেউ বা তবলা। কেউ রং-তুলি নিয়ে ছবি আঁকায় মগ্ন। সকলেই চাইছে, দারুণ পারফর্ম করে পুরস্কারটা জিতে নিতে। এভাবেই ওরা ওদের নিজস্ব প্রতিকূলতা নিয়েও লকডাউন মেনে, আনন্দে থাকার চেষ্টা করছে।

দেখুন ভিডিও: 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement