Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Mohomaya Chapter 2 Review

হইচইয়ে আবার ‘মোহমায়া’র জাল, কেমন হল সিরিজের নতুন পর্ব গুলি? পড়ুন রিভিউ

শুক্রবার থেকেই দেখা যাচ্ছে নতুন এপিসোডগুলি। দেখার আগে জেনে রাখুন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২১, ২১:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২১, ২১:০১

options
link
হইচইয়ে আবার ‘মোহমায়া’র জাল, কেমন হল সিরিজের নতুন পর্ব গুলি? পড়ুন রিভিউ zoom
Advertisement

সুপর্ণা মজুমদার: ছাই চাপা আগুনের মতো ছিল ‘মোহমায়া’ সিরিজের প্রথম পর্বগুলি। ভেবেছিলাম দ্বিতীয় পর্বে ঝলসে উঠবে আগুন। প্রত্যাশা বোধহয় একটু বেশিই ছিল হইচই (Hoichoi) প্ল্যাটফর্মের ডার্ক সিরিজটির থেকে। তা অনন্ত এই দর্শকের পূরণ হল না। এবার গল্প যেন আরও জটিল হয়ে উঠল।

শুক্রবার থেকেই হইচইয়ে দেখা যাচ্ছে ‘মোহমায়া চ্যাপ্টার ২’র পাঁচটি এপিসোড। এবারের বেশিরভাগ এপিসোডে নিজের সত্য গোপনের জন্য প্রথমেই অরুণাপুত্র মিকির বিশেষ বন্ধু বৈশালীকে খুন করল ঋষি (বিপুল পাত্র)। খুনের সেই দৃশ্য ঋষির মধ্যে আরও একটু অস্থিরতা আশা করেছিলাম। যাইহোক, তারপর কাহিনিতে আসে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের (Swastika Mukherjee) চরিত্র অরুণার বড় ছেলে মিমো (সুহর্তা মুখোপাধ্যায়)। কাহিনিতে ঢুকে পড়ল মিমো এবং তাঁর মায়ের দ্বন্দ্ব। মায়ের অমতে অন্তঃসত্ত্বা প্রেমিকাকে বিয়ে করতে চায় মিমো। এই নিয়ে চলে টানাপোড়েন। অরুণার চোখের জল সহ্য হয় না ঋষির। ফল, মিমোর খুন। এতকিছুর মধ্যেই আবার ঋষির ছোটবেলার কাহিনি দেখানো হতে থাকে। ঋষির কল্পনায় মায়া (অনন্যা চট্টোপাধ্যায়) তো রয়েইছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: অতিমারী পরিস্থিতিতেই সুখবর, মা হলেন গায়িকা শ্রেয়া ঘোষাল]

গত পর্বে অনন্যার যন্ত্রণা অনবদ্যভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন পরিচালক কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায় (Kamaleswar Mukherjee)। এবার তা যেন অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। এবার বাজিমাত করেছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। তাঁর অভিনয়ে সাবলীলতা আগেও ছিল। এবার প্রত্যেকটা মুহূর্তের সদ্বব্যহার করেছেন অভিনেত্রী।  অরুণার স্বামী সুরঞ্জনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুজন মুখোপাধ্যায় (Sujan Mukherjee)। তাঁর চরিত্র শুধু অসহায় স্বামীর হয়েই রয়ে গেল। ঋষির মতো একজন মনোরোগীর আরও বেশি ভালনারেবল হলে ভাল হত। নাটকীয়তার সময় শুধুমাত্র বিপুলের (Bipul Patra) চোখের  ক্লোজআপ শট ব্যবহার করা হয়েছে। বার বার এই শট ব্যবহার একঘেয়ে লেগেছে। কিছু কিছু জায়গায় গানের ব্যবহার না করলেও চলত বলে মনে হয়েছে।

অতিমারীর (Pandemic) এই সময়ে ডার্ক থ্রিলার দেখা এমনিতেই মনের পক্ষে বেশ কষ্টকর। সেক্ষেত্রে কিছু কিছু জায়গায় বেশ যন্ত্রণার অনুভূতি দর্শকমনকে দিয়েছেন পরিচালক কমলেশ্বর এবং কাহিনিকার সাহানা দত্ত। সবশেষে আরও একটি চ্যাপ্টারের আভাসও রয়েছে মিকি প্রত্যাবর্তনে। শ্মশানের মতো হয়ে যাওয়া অরুণার সংসারকে কি বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারবে অরুণার ছোটছেলে? আশা করি তার উত্তর অদূর ভবিষ্যতেই মিলবে।

[আরও পড়ুন: মায়ের মৃত্যুর শোকের মাঝেও মুর্শিদাবাদের ত্রাতা অরিজিৎ, দিলেন অক্সিজেন থেরাপি মেশিন]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.