BREAKING NEWS

০৯  আষাঢ়  ১৪২৯  শনিবার ২৫ জুন ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

প্রেমের মরশুমে ‘টুরু লাভ’-এর খোঁজ কি পেলেন ঊষসী-ঋষভ-রাজনন্দিনী? পড়ুন রিভিউ

Published by: Suparna Majumder |    Posted: February 13, 2021 5:31 pm|    Updated: February 13, 2021 10:38 pm

Review of Hoichoi Freemium series Turu Love | Sangbad Pratidin

সুপর্ণা মজুমদার: ‘টুম্পা সোনা’ তো আছেই, ভালবাসার এ মরশুমে আবার বঙ্গ জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ‘টুরু লাভ’ও (Turu Love)। ছোট্ট একটি বাচ্চার কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও। নেটদুনিয়ায় ভাইরাল তকমা পেয়েছিল গতবছরই। সেই নাম লিখে ‘হইচই’ (Hoichoi) অরিজিনাল সিরিজটির কাহিনি লেখা না, কাহিনি লিখে নামটি ব্যবহার করা? প্রশ্নের উত্তর পরিচালক অভিজিৎ চৌধুরীই (Abhijit Chowdhury) হয়তো দিতে পারবেন। এ কাহিনি তিনি আদ্যোপান্ত প্রেমের রং দিয়ে সাজিয়েছেন। ভ্যালেন্টাইনস ডে’তে (Valentine’s Day) যাঁরা বিশ্বাস করেন, যাঁরা প্রথম প্রেমে বিশ্বাস করেন এবং যাঁরা শাহরুখ-কাজলের রোমান্টিক জুটিতে বিশ্বাস করেন – ‘টুরু লাভ’ সিরিজের পাঁচটি এপিসোড তাঁদের জন্যই সাজিয়েছেন পরিচালক। সঙ্গে সেনকো গোল্ডের বিজ্ঞাপন।

সে যাই হোক, কাহিনি আবর্তিত হয় অরিত্র, তিয়াশা ও বৃন্দাকে কেন্দ্র করে। বড়লোকের ছেলে অরিত্র। তিয়াশার সঙ্গে তাঁর বিয়ে ঠিক হয়। সরল, সাদাসিধে অরিত্র তিয়াশাকেই মন দিয়ে বসে। কিন্তু স্বাধীনচেতা তিয়াশা বিয়ের পাকা কথার দিনই বেঁকে বসে। শর্ত দেয়, অরিত্রকে নিজের রোজগারে তাঁর জন্য আংটি কিনতে হবে। আর ভ্যালেন্টাইনস ডে’র দিনই ‘আই লাভ ইউ’ বলে প্রপোজ করতে হবে। তিয়াশার এককথায় বাবার বিলাসবহুল বাড়ি ছেড়ে মেসে গিয়ে ওঠে অরিত্র। শুরু হয় টাকা আয় করার লড়াই। আর এই লড়াইয়ে বন্ধু হিসেবে পাশে পায় বৃন্দাকে। বৃন্দার সাহায্যেই চাকরি জোটে অরিত্রর, আবার কিডনি পাচার চক্রের কবল থেকে রক্ষা পায়। এমন বন্ধুকে ছেড়ে কি তিয়াশার কাছে ফিরে যাবে অরিত্র? নাকি তার ‘টুরু লাভ’ বৃন্দাই। সে উত্তর পেতে গেলে একটু সময় খরচ করে সিরিজটি দেখে নেবেন। কারণ টাকা খরচ করতে হবে না। হইচইয়ে বিনামূল্যেই দেখা যাচ্ছে সিরিজটি।

[আরও পড়ুন: সম্পর্কের ভিন্ন অর্থ বোঝাল ব্রাত্য বসুর ‘ডিকশনারি’, পড়ুন ফিল্ম রিভিউ]

অরিত্রর চরিত্রে ঋষভ বসু চেষ্টা ভাল করেছেন। তবে কোথাও কোথাও তাঁর নাটকের অভিজ্ঞতা রোমান্টিক হিরোর চরিত্রকে ছাপিয়ে গেয়েছে। বাংলা টেলিভিশনের তারকা ঊষসী রায় (Ushasi Ray)। আধুনিক অথচ স্পর্শকাতর বৃন্দার চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। চরিত্রের মাধুর্য বজায় রেখেছেন তিনি। স্বাধীনচেতা তিয়াশার চরিত্রে স্বতস্ফুর্ত রাজনন্দিনী পাল (Rajnandini Paul)। সমান্তরাল কাহিনিতে সুমিত সমাদ্দার ও পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যের প্রেমের কাহিনিটিও বেশ। তালপাতার সেপাইয়ের ‘আগোছালো মন’ গানটি মন্দ নয়। তবে কোথাও কোথাও গল্পের বাঁধুনি আরও শক্ত হওয়া প্রয়োজন ছিল বলেই মনে হয়।

[আরও পড়ুন: প্রিয়াঙ্কা-রাজকুমারকে ছাপিয়ে ‘দ্য হোয়াইট টাইগার’ হয়ে উঠলেন আদর্শ! পড়ুন রিভিউ]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে