দিন কয়েক আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে বাংলার গৌরবের কথা শুনে মন্ত্রমুগ্ধ হওয়ার কথা বলেছিলেন রামচরণ। এবার বলিউড কিংবা দেশের অন্যান্য ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির গণ্ডি এড়িয়ে কিনা সেই ‘মেগাবাজেট’ দক্ষিণী সুপারস্টারের নজর টলিউডে। রামচরণ নিজমুখেই জানালেন, বাংলার পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করতে চান তিনি।
একসময়ে এই বাংলার পরিচালকদের হাত ধরেই বিশ্ব সিনেমার আঙিনায় সমাদৃত হত ভারতীয় ছবি। গোড়া থেকে মুম্বইয়ের স্টুডিওপাড়াতেও বাঙালিদের দাপট কম নয়। তবে বর্তমানে গ্লোবাল সিনেবাজারে ভারতীয় সিনেমা বলতে দক্ষিণী সিনেইন্ডাস্ট্রিকেই এগিয়ে রাখা হয়। নেপথ্যে অবশ্যই বক্স অফিসের বিরাট অঙ্ক।
আরও পড়ুন:
বলিউড কিংবা দক্ষিণী ছবির ‘সিকিভাগ’ বাজেটও যে বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রির জন্য বরাদ্দ থাকে না, সেকথা কারও অজানা নয়। কিন্তু একসময়ে এই বাংলার পরিচালকদের হাত ধরেই বিশ্ব সিনেমার আঙিনায় সমাদৃত হত ভারতীয় ছবি। গোড়া থেকে মুম্বইয়ের স্টুডিওপাড়াতেও বাঙালিদের দাপট কম নয়। তবে বর্তমানে গ্লোবাল সিনেবাজারে ভারতীয় সিনেমা বলতে দক্ষিণী সিনেইন্ডাস্ট্রিকেই এগিয়ে রাখা হয়। নেপথ্যে অবশ্যই বক্স অফিসের বিরাট অঙ্ক। রামচরণ নিজেও ‘আরআরআর’ সিনেমার হাত ধরে অস্কার, গোল্ডেন গ্লোবের মতো মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন সাম্প্রতিক অতীতে। সেই অভিনেতাই কিনা এবার বাংলায় কাজ করতে চাইছেন। এবার প্রশ্ন উঠতেই পারে যে, বঙ্গে গৈরিক সূর্যোদয়ে কি তাহলে ‘ধুঁকতে থাকা’ টলিউড নিয়ে আশাবাদী রামচরণ?

আসলে দক্ষিণী সিনেইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে বলিউডের ঠান্ডা লড়াই নতুন নয়! দীর্ঘদিন ধরেই বক্স অফিসে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের দুই সিনেইন্ডাস্ট্রি। দাক্ষিণাত্যভূমের প্রযোজক-পরিচালকদের বিগ বাজেট সিনেমায় বহু বলিউড তারকারা অভিনয় করেছেন। এমনকী দক্ষিণী তারকারাও প্যান ইন্ডিয়া দর্শকদের কাছে নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণ করতে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যোগ দিয়েছেন।
আসলে অভিনেতা এইমুহূর্তে ‘পেড্ডি’ রিলিজের সাফল্যে মজে। কানাঘুষো, ২০১৩ সালের পর রামচরণ নাকি ফের একবার বলিউডি ভেঞ্চারে ভাগ্য নির্ধারণ করতে চাইছেন! সেসময়ে প্রিয়াঙ্কা চোপড়়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘জঞ্জির’-এর দ্বিভাষী রিমেকে নজর কেড়েছিলেন। তবে তার পর আর হিন্দি ফিল্মি দুনিয়ায় পা রাখা হয়নি। কিন্তু দক্ষিণের একাধিক অভিনেতা যখন বলিউডে কাজ করছেন, তখন রামচরণকে আবার কবে হিন্দি ছবিতে দেখা যাবে? এমন প্রশ্ন রাখা হয়েছিল অভিনেতার কাছে। প্রত্যুত্তরে সিনেদুনিয়াতেও ‘বসুধৈব কটুম্বকম’-এর বার্তা দিয়েছেন তিনি। রামচরণের কথায়, “আমি হিন্দি বা তেলুগু সিনেমা বলে আলাদা কিছু বুঝি না। আমি ভারতীয় সিনেমায় অভিনয় করি। আমার মনে হয় বিষয়টিকে এভাবেই দেখা উচিত।” আসলে দক্ষিণী সিনেইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে বলিউডের ঠান্ডা লড়াই নতুন নয়! দীর্ঘদিন ধরেই বক্স অফিসে প্রতিদ্বন্দ্বী দেশের দুই সিনেইন্ডাস্ট্রি। দাক্ষিণাত্যভূমের প্রযোজক-পরিচালকদের বিগ বাজেট সিনেমায় বহু বলিউড তারকারা অভিনয় করেছেন। এমনকী দক্ষিণী তারকারাও প্যান ইন্ডিয়া দর্শকদের কাছে নিজেদের ভাগ্য নির্ধারণ করতে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যোগ দিয়েছেন। ডাবিং সংস্কৃতি বা একাধিক ভাষায় বলিউড বা দক্ষিণী সিনেমা মুক্তি পেলেও ‘পাখির চোখ’ কিন্তু থাকে বক্স অফিস ব্যবসার দিকে। আর সেক্ষেত্রেই দক্ষিণের পাল্লা খানিক ভারী। তবে ২০২৩ সালে বলিউড তাঁর ‘হারানো গৌরব’ ফিরে পেয়েছে পরপর দর্শকদের অ্যাকশন সিনেমা উপহার দিয়ে। কিন্তু তবুও বলিউড বনাম দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির ঠান্ডা লড়াই নিয়ে ওয়াকিবহল মহলে চর্চার অন্ত নেই। এবার দেশের সমগ্র ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে একসূত্রে বাঁধার বার্তা দিলেন রামচরণ। কী বললেন?
রামচরণের মন্তব্য, “আমি যেমন মুম্বইয়ের পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করতে চাই, তেমনই বাংলার কোনও পরিচালকের সঙ্গেও কাজের ইচ্ছে রয়েছে। সেটা তামিলনাড়ু হলেও, একই কথা বলব। আমি আসলে সবার সঙ্গেই কাজ করতে আগ্রহী।” উল্লেখ্য, রামচরণের ‘পেড্ডি’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন রজতাভ দত্ত। সেই সূত্রেই কি বাংলা সিনেমায় কাজের ইচ্ছেপ্রকাশ করলেন দক্ষিণী সুপারস্টার?
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ইন্টারনেট টিভি নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা ট্রাই-এর, প্রতিবাদে সরব ওটিটি সংস্থাগুলি
-
ইউসুফের কাছে মমতার ‘ইস্তফা’ বার্তা পৌঁছে দেন? সৌরভ বলছেন, ‘ভুয়ো খবর’
-
পেট্রোলের বিকল্প এবার E85, বাতিল হবে পুরনো গাড়ি? কী বলছে কেন্দ্র
-
২৬/১১ হামলায় কুড়ি জন অন্তঃসত্ত্বার প্রাণরক্ষা, ‘বীরাঙ্গনা’ নার্স অঞ্জলির ভূমিকায় কঙ্গনা
-
বহু জায়গায় দরবারেও মেলেনি! নিজের টাকায় পড়ুয়াদের জন্য পাকা রাস্তা নির্মাণ প্রধান শিক্ষকের