সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবারের মধ্যে মৌসুমি চট্টোপাধ্যায়ের অসুস্থ মেয়ের চিকিৎসার কাগজপত্র জমা পড়বে আদালতে। শনিবার এই মামলার শুনানিতে মৌসুমির জামাই তথা ডিকি মেহতাকে এমনই নির্দেশ দিয়েছে বম্বে হাই কোর্ট। মৌসুমি ও তাঁর স্বামী জয়ন্ত মুখোপাধ্যায় বম্বে হাই কোর্টে অভিযোগ করেছেন, কোমায় চলে যাওয়া বড় মেয়ে পায়েলের সঙ্গে তাঁদের দেখা করতে দেওয়া হচ্ছে না। পায়েলের স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোক তাঁদের মেয়ের চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনও তথ্য দিচ্ছে না।
[অত্যাচার করছে জামাই, শয্যাশায়ী মেয়েকে ফিরে পেতে আদালতে মৌসুমি]
মৌসুমি ও জয়ন্ত তাঁদের অসুস্থ মেয়েকে নিজেদের কাছে রাখতে চান। শনিবার আদালতে মৌসুমির জামাই ডিকির দাবি, তাঁর বাড়িতে কোমায় আক্রান্ত মেয়েকে দেখতে প্রতিদিন আসেন জয়ন্ত। সপ্তাহে তিনদিন আসেন মৌসুমিও। এমনকী যেদিন আদালতে অভিযোগ দায়ের করা হয়, সেদিনও জয়ন্ত-মৌসুমি তাঁদের বাড়িতে গিয়েছিলেন বলে দাবি জামাই ডিকির। তাঁর আরও দাবি, পায়েলের জন্য রাখা হয়েছে প্রশিক্ষিত নার্স। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের নাতনি পায়েলের সঙ্গে ২০১০ সালে ডিকির বিয়ে হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত পায়েল গত বছর হাসপাতালে ভর্তি হয়। মৌসুমি তাঁর আবেদনে জানিয়েছেন যে, হাসপাতালে তাঁরা মেয়েকে নিয়মিত দেখতে যেতেন। কিন্তু কয়েক মাস আগে কোমায় চলে যাওয়া পায়েলকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে চলে যায় মেহতা পরিবার। তারপর থেকে পায়েলের কোনও চিকিৎসা হচ্ছে না।
[কলিঙ্গ সেনার হুমকির মুখে কিং খান, কিন্তু কেন?]
মৌসুমি-কন্যা তথা হেমন্তর নাতনির খবরে দেশজুড়েই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বম্বে হাই কোর্ট শনিবার মামলাটি খারিজ করে দুই পরিবারকে আপসে সমস্যাটি মিটিয়ে নিতেও বলেছে। তবে যদি এরপরেও মৌসুমির কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে তিনি ফের আদালতে এসে তা জানাতে পারবেন। পায়েল কার কাছে থাকবে সে নিয়ে আদালত কিছু বলেনি।
সর্বশেষ খবর
-
ভারতীয় রণতরীতে জোর ধাক্কা! কী উদ্দেশ্যে ছিল পাক যুদ্ধজাহাজের? প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য
-
এবার সেন্সর বোর্ডে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, কমিটিতে প্রীতি জিন্টা, পঙ্কজ ত্রিপাঠী-সহ আর কারা?
-
একদিনও কর্মস্থলে যাননি! তবু মাসে ৭০ হাজার বেতন পান কর্নাটকের কংগ্রেস বিধায়কের ভাইঝি
-
জোড়া ব্যধিতে ‘মহামারী’ বাংলাদেশে! ৬ মাসে হাম কাড়ল ১,০৪৪ প্রাণ, সেপ্টেম্বরেই ডেঙ্গুতে মৃত ৬০
-
সালকিয়া ফ্রেন্ডস থেকে মনোনয়ন জমা সৌরাশিসের, প্রথমবার উপস্থিত থাকছেন বার্ষিক সভায়