সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তিনি পুরুষদের সাম্প্রতিকতম ক্রাশ। নাম সারা আলি খান। তাঁর রূপেই মুগ্ধ পুরুষরা। এমন হিরোইনের পছন্দের পুরুষ কে, তা নিয়ে আগ্রহ তো জন্মাবেই। জন্মেওছিল। কিন্তু ‘কফি উইথ করণ’-এ এসে সেই কৌতূহল মিটিয়ে দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। বলেছিলেন কার্তিক আরিয়ানের সঙ্গে ডেট করতে চান তিনি। কিন্তু তাঁর সঙ্গে অভিনেত্রী ডেট করেননি। এখনও পর্যন্ত একটিমাত্র সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। আর সেই সৌভাগ্যবান কার্তিক আরিয়ান নন।
সম্প্রতি সারা জানিয়েছেন, একবারই তিনি প্রেমে পড়েছিলেন। তাও বেশ কয়েক বছর আগে। যাঁর সঙ্গে তিনি সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তাঁর নাম বীর পাহাড়িয়া। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুশীল কুমার শিন্ডের নাতি তিনি। ২০১৬ সালে বীর আর সারার একটি ছবি ভাইরাল হয়েছিল। কিন্তু দু’জনের একজনও ওই ছবি নিয়ে মুখ খোলেননি। এতদিন পর লাইমলাইটে এসে অতীতের সম্পর্কের কথা তুললেন সারা। এও বললেন, তাঁদের সম্পর্ক এখন আর নেই। কিন্তু সেসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে এগিয়ে যেতে চান তিনি।
[ নাসিরউদ্দিন ‘বিশ্বাসঘাতক’, তোপ আরএসএস নেতার ]
শুধু তাই নয়, সইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের সম্পর্ক নিয়েও মুখ খোলেন সারা। তাঁর বাবা-মায়ের সম্পর্ক টেকেনি। বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাঁদের। তারপর করিনাকে বিয়ে করেন সইফ। এ নিয়ে সারার কোনও সমস্যা হয়নি? উত্তরে সারা বলেন, তাঁর বাবার থেকে মা ১৩ বছরের বড় ছিলেন। বয়সের এত ফারাক থাকলে সচরাচর বিয়ের স্বপ্ন কেউ দেখেন না। কিন্তু সইফ ও অমৃতা ভেবেছিলেন তাঁরা সংসার করতে পারবেন। কোনও কারণে তা ফলপ্রসূ হয়নি। তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন আলাদা থাকলেই তাঁরা ভাল থাকবেন। কিন্তু একসঙ্গে থাকলেই অশান্তি। কিন্তু দু’জনেই বিষয়টিকে খুব ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেছিলেন। তাই তো আর সারার দু’টো বাড়ি। এমনকী করিনার সঙ্গে বাবার বিয়ের সময়ও সারাকে মা অমৃতাই ঠিক করে দিয়েছিলেন কী পরবেন তিনি।
[ ভারতরত্নকে ‘অপমান’, জুবিন গর্গের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের অসম বিজেপির ]
সর্বশেষ খবর
-
পঞ্চমীর লুকবুকে তাক লাগানো ওয়েস্টার্ন? হাঁটু-কনুইয়ের কালো ছোপ দূর করুন এই ৩ ঘরোয়া মাস্কে
-
আমিষ বিতর্কে মুখ না খুললেও মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দিলেন, পুজোয় বাঙালি যা ইচ্ছে তাই খাবে
-
‘শত্রু’ তৃণমূলের সমর্থনেই ময়না পঞ্চায়েত সমিতি দখল বিজেপির
-
বাংলাদেশি সন্দেহে ছত্তিশগড়ে ধৃত বাংলার ২৩ শ্রমিক! মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি খলিলুরের, উদ্বেগে পরিবার
-
বড় ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের ‘ছোট’দের লড়াই, কলকাতা লিগের নিস্ফলা ডার্বিতে নিস্তেজ মোহনবাগান