সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই মুক্তি পেয়েছে পরিণীতার প্রথম গান ‘তোমাকে’। বাবাই-মেহুলের প্রেমকাহিনির ঝলক মেলার পর থেকেই বাঙালি সিনেদর্শকরা কিন্তু অত্যুৎসাহে মুখিয়ে রয়েছেন ‘পরিণীতা’র জন্য। তবে প্রেক্ষাগৃহে এই ছবি দেখার জন্য আপনার অপেক্ষা এবার আরও দীর্ঘ হল। কারণ, পিছিয়ে গেল রাজ চক্রবর্তী পরিচালিত ‘পরিণীতা’র মুক্তি। মঙ্গলবারই নির্মাতাদের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে ছবি মুক্তির নয়া দিন। প্রথমটায় শোনা গিয়েছিল ‘পরিণীতা’ মুক্তি পাবে আগস্টে। তবে, এবার তা পিছিয়ে গেল সেপ্টেম্বর অবধি। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাবে ‘পরিণীতা’। তবে ছবি মুক্তির নতুন দিনক্ষণের সঙ্গে নজর কাড়ল ‘পরিণীতা’র নয়া পোস্টারও।
[আরও পড়ুন: বাবাই-মেহুলের প্রেমের পরিণতি কী? উত্তর মিলবে ‘পরিণীতা’য়]
পরনে লাল বেনারসী, মাথায় কনের মুকুট, সিঁথিভরা সিঁদুর, নাকে নথ, কপালে লেপটে যাওয়া সিঁদুরের টিপ, এলোমেলো চুল.. আলুথালু বেশে শুভশ্রী। পাংশু মুখখানায় ফ্যাকাশে, অগভীর, আনমোনা দৃষ্টি। এভাবেই নবপরিণীতার বেশে বিধ্বস্ত চেহারায় দেখা গেল রাজের ‘পরিণীতা’ মেহুল ওরফে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে। পিছনে মেহুলের দিকে তাকিয়ে বাবাইদা ওরফে ঋত্বিক চক্রবর্তী। পরনে তাঁর হালকা গোলাপি পাঞ্জাবী। ‘পরিণীতা’র তৃতীয় পোস্টারে এভাবেই ধরা দিলেন ঋত্বিক-শুভশ্রী জুটি। সেই পোস্টার থেকেই জানা গেল ছবি মুক্তির নয়া দিন ৬ সেপ্টেম্বর।
তা হঠাৎ কেন ‘পরিণীতা’র মুক্তি পিছল? কারণ, প্রথমটায় ছবির মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল আগস্টে। তবে হিন্দি, বাংলা মিলিয়ে আগস্টে বেশকিছু ছবি মুক্তি পাচ্ছে। তাই সিনেমাহল পেতে অসুবিধে হতে পারে। আর সেই জন্যই পিছিয়ে গেল ‘পরিণীতা’র মুক্তি। মেহুলের চরিত্রের জন্য বিভিন্নভাবে নিজেকে ভেঙেছেন শুভশ্রী। কখনও স্কুল ছাত্রীর ভূমিকায়, কখনও পাড়ার দুষ্টুমিষ্টি সেই গেছো মেয়েকে মনে করিয়ে দেবেন তিনি। সোহিনী সেনগুপ্তের কাছ থেকে রপ্ত করেছেন অভিনয়ের ছোটখাটো কৌশল। যার ইঙ্গিত মিলেছে ‘পরিণীতা’র ট্রেলারেই। মেহুলের চরিত্রে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন শুভশ্রী।
[আরও পড়ুন: কেউ মনে রাখেনি, নিরাপত্তারক্ষীর জীবনই এখন রোজনামচা প্রবীণ পরিচালকের]
‘পরিণীতা’য় প্রাণোচ্ছ্বল মেয়ে মেহুলের চরিত্রে দেখা যাবে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে। যেই মেয়ে ক্রিকেট খেলা থেকে পাড়ায় ‘দিদিগিরি’, সবেতেই ওস্তাদ। সে আবার পড়ুয়া ‘পাড়াতুতো’ দাদা বাবাইয়ের প্রেমে পড়েছে। চোখে চশমা সাঁটা, সুবোধ বালক গোছের ছেলে বাবাই অর্থাৎ ঋত্বিক চক্রবর্তী পড়ায় অমনোযোগী মেহুলের অলিখিত অভিভাবক। এই ছবিতে আদ্যোপান্ত কলকাতার চালচিত্র তুলে ধরেছেন রাজ। প্রেক্ষাপট মূলত উত্তর কলকাতা। গল্প বেঁধেছেন প্রিয়াঙ্কা পোদ্দার এবং অর্ণব ভৌমিক। চিত্রনাট্য বিন্যাসে পদ্মনাভ দাশগুপ্ত। ছবির গল্পের অলিগলি পাড়াতুতো প্রেম-বিরহের নস্টালজিয়াকে উসকে দিতে বাধ্য। তবে বড়পর্দায় এর স্বাদ নিতে অপেক্ষা করতে হবে সেপ্টেম্বর অবধি।
সর্বশেষ খবর
-
বড় মেয়ে বাড়ি ছাড়তেই ‘টার্গেট’ ছোট মেয়ে, বারুইপুরে ১৩ বছরের নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন বাবার!
-
ব্রিকসে টানটান কূটনীতি! জিনপিংকে পাশে নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে বদলের ডাক মোদির, বার্তা নেপাল নিয়েও
-
সামান্থা-বিজয়-লক্ষ্মণ-মিতালি-সহ বহু তারকাকে এসআইআর নোটিস, থাকছে বিশেষ ‘ছাড়’ও!
-
‘হিন্দু বলে আমার মাকেও পালিয়ে আসতে হয়েছিল’, চিন্ময় প্রভুর চোখের জল দেখে অতীত স্মরণ শুভেন্দুর
-
ইংরেজি অনুবাদে রবীন্দ্রনাথকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বৃহত্তর পরিসরে, প্রয়াত কেতকী কুশারী ডাইসন