সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিজের ঘরেই সিলিং থেকে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করলেন টেলিভিশন অভিনেত্রী প্রেক্ষা মেহতা। ইন্দোরের বাড়ি থেকেই অভিনেত্রীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর সোমবার রাতে আত্মহত্যা করেন প্রেক্ষা। মঙ্গলবার তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। টেলিভিশনে ‘ক্রাইম পেট্রল’ ধারাবাহিকের একাধিক এপিসোডে অভিনয় করেন তিনি।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, ২৫ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী কাজ নিয়ে দীর্ঘদিন সমস্যায় ভুগছিলেন। তিনি ‘ক্রাইম পেট্রল’, ‘মেরি দুর্গা’ এবং ‘লাল ইশক’-এর মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে কাজের কারণে মানসিক চাপে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। অভিনেত্রীর মৃতদেহের সঙ্গে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানে লেখা রয়েছে যে তিনি আত্মহত্যা করছেন। কিন্তু কারণ সম্পর্কে কিছু উল্লেখ করা নেই। হীরা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজীব ভাদোরিয়া বলেন, “প্রেক্ষা টেলিভিশন অভিনেত্রী ছিলেন। লকডাউনের পর থেকে শহরেই ছিলেন তিনি। তাঁর আত্মহত্যার কারণ জানতে আমরা তদন্ত শুরু করেছি।”
[ আরও পড়ুন: ৭ মাস আগে গোপনে তৃতীয় বিয়ে সেরেছেন গায়ক নোবেল, তিনবেলা মারধর করেন স্ত্রীকে! ]
তবে আত্মহত্যার ঠিক আগে, প্রেক্ষা তাঁর ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরি পোস্ট করেছিলেন। সেখানে লেখা ছিল, “স্বপ্নের মৃত্যু সবচেয়ে খারাপ।” কেন তিনি মৃত্যুর ঠিক আগে এমন পোস্ট করেছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। প্রেক্ষার মৃত্যুতে অভিনেত্রী রিচা তিওয়ারি ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, “মুখের হাসির পিছনে অনেক কিছু লুকিয়ে থাকে, যা সবাই বুঝতে পারে না। প্রেক্ষার শেষ স্টেটাস ছিল, ‘স্বপ্নের মৃত্যু সবচেয়ে খারাপ’। যেভাবে আমরা শারীরিক অবস্থা নিয়ে ভাবি, ততটাই মানসিক অবস্থা নিয়েও ভাবতে হবে।”
কিছুদিন আগেই হতাশায় ভুগে আত্মহত্যা করলেন টেলিভিশন তারকা মনমীত গেরিওয়াল। সংসার চালানোর জন্য যৎসামান্য টাকাও তার কাছে ছিল না। এদিকে বাড়ি ভাড়া দিতে হত। খাবার জিনিসপত্র কিনতে হত, কিন্তু পকেটে টাকা কোথায়? হতাশা নিয়ে আর এঁটে উঠছিলেন না। রাতে সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীকে রেখে ফাঁসিতে ঝুলে পড়লেন ৩২ বছর বয়সের মনমীত। ‘আদত সে মজবুর’, ‘কুলদীপক’-এর মতো ধারাবাহিকগুলির সুবাদে মনমীত গেরিওয়ালকে অনেকেই চিনতেন। স্ত্রীর ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন অভিনেতা। মনমীতের নবি মুম্বইয়ের খারগর টাউনের ফ্ল্যাটেই এই ঘটনাটি ঘটে।