Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
শুটিং বন্ধ

টলিপাড়ার অন্দরে ফের টানাপোড়েন! রানি রাসমণি, কাদম্বিনী-সহ একাধিক সিরিয়ালের শুটিং বন্ধ

টেলিদর্শকদের কি আবার সিরিয়ালের পুরনো পর্ব দেখতে হবে? উঠছে প্রশ্ন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২০, ১৮:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২০, ১৮:২২

options
link
টলিপাড়ার অন্দরে ফের টানাপোড়েন! রানি রাসমণি, কাদম্বিনী-সহ একাধিক সিরিয়ালের শুটিং বন্ধ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুক্রবার বেলা গড়াতেই টলিপাড়ায় ফের অপ্রত্যাশিত এক ঘটনা ঘটল। করুণাময়ী রানি রাসমণি, কাদম্বিনী এবং কৃষ্ণকলি-সহ একাধিক সিরিয়ালের শুটিং বন্ধ করে দেওয়া হল। শুক্রবার সকালেই খবর এল যে, অদৃশ্য ভাইরাসে আক্রান্ত ‘কৃষ্ণকলি’র অশোক অর্থাৎ ভিভান ঘোষ, ‘কনে বউ’-এর মাহি অর্থাৎ নেহা আমনদীপ, ‘সিংহলগ্না’র মেক আপ আর্টিস্ট দীপঙ্কর রায়। এছাড়া বিভিন্ন ধারাবাহিকে কর্মরত আরও ১১ জন কলাকুশলীর শরীরেও থাবা বসিয়েছে করোনা। তাই শুটিং বন্ধের খবর প্রকাশ্যে আসতে স্বাভাবিকবশতই প্রথমটায় মনে করা হয়েছিল যে, করোনাই কাল! তবে না, একাধিক চলতি ধারাবাহিকের শুটিং বন্ধের নেপথ্যে কারণটা অন্য।

শুক্রবার ফেডারেশনের তরফ থেকে হঠাৎ শুটিং বন্ধের নির্দেশ আসায় রীতিমতো অবাক চ্যানেল কর্তৃপক্ষরা। জি বাংলা এবং সান বাংলার উপরই যদিও এই কোপে পড়েছে। তা শুটিং বন্ধের আসল কারণটা কী? ফেডারেশন এবং চ্যানেলের মধ্যে টাকাপয়সা নিয়ে বিবাদ তৈরি হয়েছে। চ্যানেল কর্তৃপক্ষদের মত,

Advertisement

অতিমারি আবহে শুটিং বন্ধ থাকায় রোজগারের কথা চিন্তা করে চ্যানেলের তরফ থেকে টেকনিশিয়ানদের এককালীন কিছু টাকা দেওয়ার কথা চ্যানেল নিজে থেকেই ঘোষণা করে। যে সমস্ত টেকনিশিয়ান দৈনিক কাজের হিসেবে পারিশ্রমিক পেতেন, তাঁদের কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। সেই প্রেক্ষিতে উলটো সুর টেকনিশিয়ানদের। তাঁদের অভিযোগ, প্রতিশ্রুতিমতো সেই টাকা তাঁরা আজও পাননি।

[আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত শ্যামল চক্রবর্তীর দেখভালের জন্য সহৃদয় ব্যক্তির খোঁজে মেয়ে উষসী]

এদিকে ফেডারেশনের তরফ থেকে স্বরূপ বিশ্বাস জানান, শুটিং শুরু হওয়ার পর গত শুক্রবার থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। রোজই তাঁদের আশ্বস্ত করা হত এই বলে যে, আজ টাকা আসবে। কিন্তু সেই টাকা আসেনি। তাই এবার টেকনিশিয়ানরাই একটা নির্দিষ্ট দিনের দাবি রেখেছেন চ্যানেলের কাছে। সেই দিনটা জানতে পারলেই আবার ধারাবাহিকের শুটিং শুরু হবে।

তবে হতবাক চ্যানেল কর্তৃপক্ষ পালটা প্রশ্ন ছুঁড়েছে যে, এভাবে দুম করে শুটিং বন্ধ করা যায়? উপরন্তু আজ শুটিং হল না, তবু লোকেশন ভাড়া তো চ্যানেলকেই গুনতে হল! এপ্রসঙ্গে আবারও সেই কোভিড ইনস্যুরেন্সের বিষয় উত্থাপন করেছেন ফেডারেশনের সম্পাদক স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁর কথায়, এখন চারিদিকে যেভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হু-হু করে বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে অন্তত সকলের কাছে কোভিড বিমা থাকা উচিত। শুটিং করতে গিয়ে কিছু হলে, দায়টা কে নেবে? ফেডারেশনের পক্ষ থেকে এযাবৎকাল অনেক সাহায্য করা হয়েছে, আর কত করবে! তবে এবার প্রশ্ন উঠছে, দর্শকদের কি আবার সেই সিরিয়ালের পুরনো পর্ব দেখতে হবে? সময়ই বলবে।

[আরও পড়ুন: বাইরে বেরলে মাস্ক পরছেন তো? কলকাতা পুলিশের হয়ে প্রচার সাংসদ দেবের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.