চলতি সপ্তাহের টিআরপি (Bengali Serial TRP) তালিকায় এবার বড়সড় রদবদল। আগের সপ্তাহেই শীর্ষ স্থান থেকে সরেছিল, এবার তৃণা সাহা ও ইন্দ্রজিৎ বোসের ধারাবাহিক নেমে এল তৃতীয় স্থানে। ‘পরশুরামকে’ এই সপ্তাহে দশ গোল দিয়েছে ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’।
এই সপ্তাহে ৬.৪ রেটিং নিয়ে তৃতীয়স্থানে রয়েছে ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’। অন্যদিকে ‘পরশুরাম’কে হারিয়ে প্রথমস্থান দখল করেছে স্বস্তিকার ধারাবাহিক ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’। এই সপ্তাহে এই সিরিয়ালের প্রাপ্ত নম্বর ৬.৭। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘পারুল’ ও ‘রায়ান’র রসায়নের বুনোটে নির্মিত ‘পরিণীতা’। এই সপ্তাহে পেয়েছে ৬.৬ রেটিং। চতুর্থস্থানে রয়েছে এই সপ্তাহে ‘রাঙামতী তীরন্দাজ। প্রথম পাঁচে থাকলেও কিছু নম্বরের হেরফের ঘটেছে এই সপ্তাহে ‘ও মোর দরদিয়া’ সিরিয়ালের ক্ষেত্রে।
আরও পড়ুন:

আরও পড়ুন:
এই সপ্তাহে ৬.৪ রেটিং নিয়ে তৃতীয়স্থানে রয়েছে ‘পরশুরাম আজকের নায়ক’। অন্যদিকে ‘পরশুরাম’কে হারিয়ে প্রথমস্থান দখল করেছে স্বস্তিকার ধারাবাহিক ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’। এই সপ্তাহে এই সিরিয়ালের প্রাপ্ত নম্বর ৬.৭।
এই সপ্তাহে প্রথম পাঁচ থেকে ছিটকে গিয়েছে পল্লবী ও বিশ্বরূপের সিরিয়াল। ষষ্ঠস্থানে রয়েছে ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’। এই সপ্তাহে পেয়েছে ৫.৪ রেটিং। গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও সপ্তম স্থানে রয়েছে ৫.২ রেটিং নিয়ে ‘লক্ষ্মী ঝাঁপি’। একসময়ের স্লট লিডার ‘চিরসখা’ এখন জায়গা পেয়েছে টিআরপি তালিকার একদম শেষে। ৫.১ রেটিং নিয়ে যা ‘জোয়ার ভাঁটা’ সিরিয়ালের সঙ্গে যৌথভাবে রয়েছে অষ্টমস্থানে। একসময়ে চর্চায় থাকা ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’। প্রথম দশে জায়গা পেলেও নম্বর কমেছে জীতু-শিরিনের ধারাবাহিকের। নানা টুইস্ট এনেও শেষ রক্ষা করা যায়নি। এই সপ্তাহে ৪.৯ রেটিং নিয়ে ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ রয়েছে নবমস্থানে। আর তালিকায় শেষে, অর্থাৎ দশম স্থানে রয়েছে ‘বেশ করেছি প্রেম করেছি’, পেয়েছে ৪.৮ রেটিং।
সর্বশেষ খবর
-
জ্যামে দীর্ঘক্ষণ আটকে খোদ কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবরহণ মন্ত্রী গড়করি! বললেন ‘নিজের ভুলের খেসারত দিচ্ছি’
-
‘অঙ্গ এক, রূপ অনেক’, শরতে দেবী কামতেশ্বরীর পুজো হয় দুর্গা রূপে, টানা ৩ দিন জ্বলে যজ্ঞের আগুন
-
‘ভারতীয় হিসাবে এত গর্ব কোনওদিন হয়নি’, মোদির কীর্তিতে মুগ্ধ বিশ্বকাপজয়ী শাস্ত্রী
-
৪১এ অন্তঃসত্ত্বা শাহরুখের নায়িকা, দ্বিতীয়বার মা হচ্ছেন মাহিরা
-
ভারী বৃষ্টিতে সিকিমের রিম্বিতে ফের ভূমিধস, অবরুদ্ধ সড়ক, বিছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা!