Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Rupankar Bagchi

‘বেশি চিন্তা ছিল মেয়েকে নিয়ে, যা সহ্য করেছে’, KK প্রসঙ্গ উঠতেই চোখে জল রূপঙ্করের

'হু ইজ কেকে ম্যান?', এ প্রশ্ন এখনও যেন শিল্পীর পিছু ছাড়ছে না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৩, ১৪:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৩, ১৪:৪৩

options
link
‘বেশি চিন্তা ছিল মেয়েকে নিয়ে, যা সহ্য করেছে’, KK প্রসঙ্গ উঠতেই চোখে জল রূপঙ্করের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শব্দ যে কীভাবে বুমেরাং হয়ে উঠতে পারে। তা ভালভাবেই বুঝেছেন রূপঙ্কর বাগচী (Rupankar Bagchi)। এখনও KK প্রসঙ্গ উঠলে গায়কের চোখে জল চলে আসে। শিল্পীর মৃত্যুর পর যে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল সে সময় সবচেয়ে বেশি মেয়েকে নিয়েই চিন্তিত ছিলেন, ‘দিদি নম্বর ১’ শোয়ে গিয়েই এমনটাই জানালেন রূপঙ্কর ও তাঁর স্ত্রী চৈতালী লাহিড়ী।

Rupankar-Wife

Advertisement

সংগীতশিল্পী কেকে’কে (Singer KK) নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেন রূপঙ্কর। যেখানে তিনি দাবি করেন, কেকে’র মতো শিল্পীর তুলনায় বাংলার অনেক শিল্পীই ঢের ভাল গান গাইতে পারেন। তাহলে কেকে’কে নিয়ে এত মাতামাতি কেন, তা জানতে চান। ‘হু ইজ কে ম্যান?’ এই প্রশ্ন করেন রূপঙ্কর। তার এই ভিডিও পোস্ট করার কিছুক্ষণ পরই নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠান চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়েন কেকে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

[আরও পড়ুন: ‘আদিল আমার জীবন নষ্ট করেছে’, মক্কায় পৌঁছে কেঁদে ভাসালেন রাখি সাওয়ান্ত]

রূপঙ্করের বিতর্কিত মন্তব্যের পরই শিল্পী প্রয়াত হওয়ায় ফুঁসতে থাকেন আমজনতা। সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে সর্বত্র। কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েন রূপঙ্কর। তাঁর স্ত্রী প্রাণনাশের হুমকি ফোন পান বলেও অভিযোগ। নেটিজেনদের আক্রমণ থেকে শিল্পীর মেয়েও বাদ যায়নি। ‘দিদি নম্বর ১’ শোয়ে এসে রূপঙ্করের স্ত্রী চৈতালী বলেন, “আমি ওর (রূপঙ্করের) পাশে আছি, থাকব। শূন্য থেকে শুরু করেছিলাম। কখনও ভয় লাগেনি। কোথায় পৌঁছে যাব? বা কী হবে? একমাত্র মেয়েকে নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। তবে হ্যাঁ, সময়টা খুব খারাপ গিয়েছে। আর এমন অবস্থায় যেন কাউকে পড়তে না হয়।”

চৈতালীর যখন এই কথাগুলি বলছিলেন রূপঙ্করকে চোখের জল মুছতে দেখা যায়। এরপরই শিল্পী বলেন, “ও যে কথাটা বলল একদম সঠিক। আমরা সবচেয়ে বেশি চিন্তিত ছিলাম আমাদের মেয়েকে নিয়ে। ও কীভাবে রিঅ্যাক্ট করছে এই পুরো সিচুয়েশনটার সাথে। কারণ ওকেও সামাজিক মাধ্যমে এমন এমন কিছু জিনিস ফেস করতে হয়েছে। সেটা সন্তান ফেস করুক সেটা কোনও বাবা-মা চাইবেন না। এটা ভেবে আমার গর্ব হয় যে আমার এই দু’পাশে দু’জন রয়েছে আমার স্ত্রী এবং আমার মেয়ে যাঁরা আমার এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ যাঁদের সঙ্গে আমি এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সময় কাটাই। আমার আর কোনও কিছুরই দরকার নেই ওরা যদি আমার সাথে থাকে। এটুকু আমি বলতে পারি।”

[আরও পড়ুন: জিতু কামাল অতীত, নতুন সঙ্গীকে নিয়ে গোয়ায় নবনীতা! ভাইরাল ছবি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.