Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬

দিনে অভিনয় রাতে খাবার বিক্রি, অভিনেত্রীর সংগ্রামকে কুর্নিশ দেশবাসীর

সিনেমার কাহিনিকেও হার মানায় অভিনেত্রীর জীবনযুদ্ধ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯, ১৮:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯, ১৮:৪২

options
link
দিনে অভিনয় রাতে খাবার বিক্রি, অভিনেত্রীর সংগ্রামকে কুর্নিশ দেশবাসীর zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ যেন রিল লাইফের কোনও চরিত্র। যেখানে দিনের আলোয় সেজেগুজে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে অন্য চরিত্র হয়ে ওঠা। তারপর মেকআপ মুছে দিলেই সেই চরিত্রের বিদায়। আবার নিজের কাছে ফেরা। আর ফুটপাথে খাবার বিক্রি করতে বসা। অনেকটা গল্পের মতো হলেও, সত্যি চিরকালই কল্পনাকে হার মানায়। ঠিক যেভাবে দেশবাসীকে চমকে দিচ্ছে অভিনেত্রী কবিতা লক্ষ্মীর জীবনের সংগ্রাম।

[ ‘অনুমতি ছাড়া পদ্মাবতী দেখালে পুড়িয়ে দেওয়া হবে প্রেক্ষাগৃহ’ ]

Advertisement

এই অভিনেত্রী কাজ করেন মূলত টেলিভিশনে। সেটাই প্যাশন। কিন্তু যা উপার্জন তাতে সংসার চলে না। উপরন্তু তিনি সিঙ্গল মাদার। এক ছেলে ও মেয়ের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে। সুদিনের আশায় এক ট্রাভেল এজেন্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কবিতা। সংস্থার তরফে তাঁকে পরামর্শ দেওয়া হয়, তাঁর ছেলেকে ভিনদেশে পাঠাতে। সেখানে পার্ট টাইম কাজ করে ছেলে প্রায় ১০ পাউন্ড করে আয় করতে পারবে, আশা ছিল এমনটাই। পাশাপাশি একটি কোর্স করে নিজের জীবনে প্রতিষ্ঠিতও হতে পারবে। সেই ভরসাতেই বুক বেঁধেছিলেন কবিতা। কিন্তু ছেলে উপার্জন করতে পারেনি সে অর্থে। উলটে কোর্স ফি হিসেবে কবিতাকেই মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়। সব মিলিয়ে অবস্থা যা, তাতে ছোট পর্দায় অভিনয় করে আর চলে না। ফলে শুটিংয়ের কাজ শেষ হলে রাস্তায় খাবার বিক্রি করেন তিনি। ছোট একটা খাবারের দোকান আছে। নিজেই সেখানে রান্না করেন। এভাবেই দিন গুজরান। হাসপাতালের কাছে হওয়ায় রাতে বিক্রিবাটাও ভাল হয়।

এক দক্ষিণী অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, আপাতত দুটি সিরিয়ালের কাজ করছেন তিনি। সংসার চালানোর জন্য খাবার বিক্রি করতে হয়। তবে তার জন্য অভিনয় ছাড়েননি। পাশাপাসি খাবার বিক্রি করাকেও কখনও ছোট করেননি। জীবনে এভাবেই উপার্জন আর প্যাশনের ভারসাম্য খুঁজে নিয়েছেন তিনি। তাঁর এই সংগ্রামের কথা ছড়িয়ে পড়তেই কুর্নিশ জানাচ্ছেন দেশবাসী।

[ ধর্মেন্দ্র নয়, জিতেন্দ্রকেই বিয়ে করতে চলেছিলেন হেমা মালিনী! ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.