৭ ফাল্গুন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: হাড় কাঁপানো ঠান্ডা। সঙ্গে কুয়াশার দাপট। জবুথবু হয়ে রয়েছেন রাজ্যবাসী। এতেই খুশির খবর শোনাচ্ছেন কৃষি ও উদ্যানপালন দপ্তরের বিশেষজ্ঞরা। জানানো হয়েছে, এমন ঠান্ডা আলু, পিঁয়াজ ও সবজি চাষের পক্ষে খুবই ভাল। ফলন বেশি হবে। চাষীরা উপকৃত হবেন। আর ফলন বেশি হলে স্বাভাবিক ভাবেই তার প্রভাব খোলা বাজারেও পড়বে। অগ্নিমূল্য সবজির দাম অনেকটাই নাগালে আসবে সাধারণ গৃহস্থেরও। এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এবার অনেকটাই দেরিতে শীত এসেছে। ফলে আলু, শীতকালিন, সবজি, পিঁয়াজ ফলন কেমন হবে তা নিয়ে চাষী তোও বটেই চিন্তা বাড়ছিল কৃষি ও উদ্যানপালন দফতরের বিশেষজ্ঞদেরও। তবে দেরিতে হলেও শেষ কয়েকদিনে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে রাজ্যে। এতেই খুশি তাঁরা। উদ্যানপালন দপ্তরের আধিকারিক পলাশ সাঁতরা জানান, শীতকালীন সবজির জন্য ঠান্ডা আবহাওয়া খুবই প্রয়োজন। না হলে ফলন ভাল হয় না। দেরিতে হলেও এখন শীত পড়েছে। শীতকালীন সবজির ফলন ভাল হবে। গত কয়েকদিনে যে টানা কুয়াশা হচ্ছে তাতে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছেন তিনি। পলাশবাবুর কথায়, এখন যে কুয়াশাটা হচ্ছে তাতে ক্ষতি হবে না। এই কুয়াশা থেকে যদি বৃষ্টির ফোঁটার মত পড়ত বা টানা চলতেই থাকত, তাহলে আশঙ্কা ছিল। হালকা বৃষ্টিতেও ক্ষতির সম্ভাবনা থাকত। কৃষি ও উদ্যানপালন দফতরের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মাটিরতলায় যে সব ফসল হয়, বিশেষ করে আলু, পিঁয়াজের মত ফসলের পক্ষে খুবই উপকারে লাগবে বর্তমান আবহাওয়া।

[আরও পড়ুন: বিজেপি শাক দিয়ে মাছ ঢাকছে, লখনউয়ে তৃণমূলকে আটকানোর ঘটনায় কটাক্ষ পার্থর]

পূর্ব বর্ধমানে এবার প্রায় ৪ হাজার হেক্টরে পিঁয়াজ চাষ হয়েছে। শীতকালটা দেরিতে আসার ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত তা থাকবে বলে অনুমান করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে পিঁয়াজের ফলন খুব ভাল হবে বলে মনে করছেন তাঁরা। একইভাবে আলু চাষেও ফলন ভাল হবে। অন্যান্য শীতকালীন সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, শাক-সহ অন্যান্য ফসলেরও উৎপাদন ভাল হবে। তাতেই আশা বাড়ছে গৃহস্থের। ফলন বেশি হলে নিশ্চয়ই দামও কমবে। বাজারে গিয়ে আর ছ্যাঁকা খেতে হবে না।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং