২৯ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৯ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: আরও বেশি করে দুধের উৎপাদন বাড়াতে নেপিয়ার, অ্যাজোলা, ওটস চাষ করবে মানভূম দুগ্ধ উৎপাদক সংঘ লিমিটেড। একশো দিনের কাজের প্রকল্পে পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এই কাজ করবে রাজ্য সরকারের ওই সমবায়। আর এই কাজের মধ্য দিয়েই জঙ্গলমহল পুরুলিয়ায় গোখাদ্যর ‘মাদার স্টক’ করতে চাইছে জেলা প্রশাসন। যাতে এই কেন্দ্র থেকেই জেলায় গোখাদ্য চাষের বিস্তার ঘটানো যায়। কারণ এই জেলায় বর্তমানে সেভাবে গোখাদ্য চাষ হয় না।

পুরুলিয়ার উপকন্ঠে ওই সরকারি সমবায়ের ডেয়ারি প্ল্যান্ট পরিদর্শন করে এই কথা জানান জেলাশাসক রাহুল মজুমদার। রাজ্যের প্রাণী সম্পদ বিকাশ বিভাগের আওতায় থাকা এই সমবায়ের অধীনে মহিলা কৃষক পরিচালিত ২৯টি সোসাইটি রয়েছে। সেই সোসাইটির প্রাণীপালন করা গরুর দুধের আরও মান বাড়াতেই এই গোখাদ্য চাষের পরিকল্পনা নিয়েছে প্রশাসন। যাতে ওই সোসাইটির প্রাণীপালন করা গরু পুষ্টিকর খাবার খেয়ে দুধ দেওয়ার পরিমাণ বাড়াতে পারে। যার থেকে আরও বেশি দাম পেয়ে আয় বাড়তে পারে ওই সোসাইটিগুলি। আর এই কাজের মধ্যে দিয়ে জেলা প্রশাসন যেমন একশো দিনের কাজ দিয়ে অভাব ঘোচাতে পারবে তেমনই এই প্রকল্পে কাজে এগিয়ে যাবে জেলা। মানভূম দুগ্ধ উৎপাদক সংঘ লিমিটেড তাদের জমিতেই এই চাষ করবে। জেলাশাসক তথা এই সংঘের চেয়ারম্যান রাহুল মজুমদার বলেন, “এই ডেয়ারি প্ল্যান্টকে ঘিরে আমরা নানা পরিকল্পনা নিচ্ছি। তার মধ্যে রয়েছে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে গোখাদ্য চাষ।”

[আরও পড়ুন: বুলবুলের প্রভাবে ধান জমিতে জল, মাথায় হাত কৃষকদের]

পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সমবায় গোখাদ্য চাষ করে স্বল্প মূল্যে ওই সোসাইটিগুলিকে বিক্রি করবে। যাতে ওই সোসাইটিগুলি তাদের প্রাণীপালন করা গরুর খাদ্য এই কেন্দ্র থেকেই নিতে পারে। বাজার থেকে চড়া দামে যাতে না কিনতে হয়। ওই সমবায়ের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. নির্মাল্যরঞ্জন সরকার বলেন, “আমরা আপাতত গোখাদ্য হিসাবে নেপিয়ার, অ্যাজোলা ও ওটস চাষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরে ভুট্টা চাষ করারও পরিকল্পনা রয়েছে। যেহেতু এই কেন্দ্রকে আমরা গোখাদ্যর ‘মাদার স্টক’ হিসাবে তুলে ধরতে চাইছি তাই এখান থেকে নানা সুবিধা নিয়ে জেলার অন্যত্র যাতে এই চাষ করা যায় সেই বিষয়ে আমরা কৃষকদের সবরকম সাহায্য করব।” জেলাশাসক (সাধারণ) মুফতি শামিম সওকত বলেন, “প্রশাসন যখন গোখাদ্য প্রস্তুত করার ব্যবস্থা করে দিচ্ছে তখন গরু প্রাণীপালন করাতে উৎসাহ আরও বাড়বে বলে আমাদের আশা।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং