Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
চিনা হাওয়ালা আয়কর বিভাগ

ভারতে ঢুকে ১ হাজার কোটির কেলেঙ্কারি! আয়কর বিভাগের নজরে চিনা নাগরিক

এর সঙ্গে কোনও রাঘব বয়াল জড়িত নয় তো? উঠছে প্রশ্ন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০, ১১:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১২, ২০২০, ১১:৪১

options
link
ভারতে ঢুকে ১ হাজার কোটির কেলেঙ্কারি! আয়কর বিভাগের নজরে চিনা নাগরিক zoom
ছবি: প্রতীকী
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘যে থালাতে খায়, আবার সেই থালায় ফুটো করে।’ বাংলার বহু পুরনো এই প্রবাদ পুরোপুরি মানানসই দিল্লির এই চিনা নাগরিকের জন্য। ভারতের মাটিতে বাস করে ভারত সরকারের নাগের ডগায় কোটি কোটি টাকা তছরুপ করছিল দিল্লির এক চিনা নাগরিক । অবশেষে আয়কর বিভাগের নজর পড়ল তার উপর। মঙ্গলবার ওই চিনা নাগরিকের একাধিক ঠিকানায় হানা নিয়েছে আয়কর বিভাগ।

আয়কর বিভাগের দাবি, রাজধানী দিল্লি (Delhi) এবং সংলগ্ন এলাকায় ১ হাজার কোটি টাকার একটি বেআইনি হাওয়ালা চক্র চালাচ্ছিল চিনের (China) কয়েকজন নাগরিক ও তাদের সহযোগীরা। এই চক্রের মূল পাণ্ডাও একজন চিনা নাগরিক। যার কাছে আবার ভারতের ভুয়ো পাসপোর্টও আছে। ওই চক্রটি ছোট ছোট আস্তানা তৈরি করে তার মাধ্যমেই হাওয়ালা চক্রটি চালাচ্ছিল বলে সূত্রের খবর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাড়ির সামনে মদ্যপানের আসর, প্রতিবাদ করায় বৃদ্ধকে ১৫০ বার কোপাল দুই মদ্যপ]

মঙ্গলবার আয়কর বিভাগ (Income Tax Department) এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত মোট ১২টি ঠিকানায় হানা দিয়েছে। দিল্লি, গুরুগ্রাম, গাজিয়াবাদ-সহ একাধিক এলাকায় হানা দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, চিনারা স্থানীয় কয়েকজনের সাহায্যে এই হাওয়ালা চক্রটি চালাচ্ছিল। এদের মধ্যে ব্যাংককর্মীরাও যুক্ত। এদের ঠিকানাতেও হানা দেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে। আয়কর দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই ওইসব এলাকায় হানা দেওয়া হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমন অভিযানে শহিদ সেনা জওয়ান, খতম এক জেহাদিও]

সূত্রের খবর এই চক্রের মূল পাণ্ডা মণিপুর থেকে ভুয়ো ভারতীয় পাসপোর্ট তৈরি করেছে। প্রায় ৪০টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি করে হাওয়ালা চক্রটি চালাত সে। তাকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। এই মামলাটি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। কিন্তু এখানে প্রশ্ন হল, ভারতে ঢুকে একজন চিনা নাগরিক এত বড় একটা চক্র চালাচ্ছিল, অথচ সেটা এতদিন কারও নজরে পড়ল না? নাকি এর সঙ্গেও কোনও রাঘব বোয়াল জড়িত?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.