Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
গণধর্ষণ

গণধর্ষিতা কিশোরীকে ফের ধর্ষণ, প্রশ্নের মুখে হরিয়ানা পুলিশের ভূমিকা

ফের প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৯, ১৮:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০১৯, ১৮:০০

options
link
গণধর্ষিতা কিশোরীকে ফের ধর্ষণ, প্রশ্নের মুখে হরিয়ানা পুলিশের ভূমিকা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হায়দরাবাদ-উন্নাও-বুলন্দশহর-বক্সারের পর এবার হরিয়ানা। গণধর্ষিতা নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ফের ধর্ষণ করল অভিযুক্তরা। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই হরিয়ানা পুলিশ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। চলতি বছরের গোড়াতেই অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিল ওই নাবালিকা। কিন্তু উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে মামলা খারিজ হয়ে যায়। ফের সেই চারজনের বিরুদ্ধেই ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল।

জানা গিয়েছে, ৪ ডিসেম্বর  বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল পালওয়াল জেলার ওই নাবালিকা। তারপরই ওই চারজন তাকে একটি নির্জন এলাকায় তুলে নিয়ে যায়। সেখানেই চারজনে মিলে তার উপর পাশবিক অত্যাচার চালায়। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে চারজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযুক্তদের মধ্যে একজন কিশোরও রয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের গোড়ার দিকে এই চারজনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ করেছিল ওই নাবালিকা। কিন্তু সেসময় মামলা খারিজ হয়ে যায়। এই ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা।

Advertisement

[আরও পুলিশ : লাগাতার যৌন নির্যাতনের প্রতিশোধ! বাবাকে খুনের পর গোপনাঙ্গ কাটল দত্তক কন্যা]

দিন কয়েক আগেই আদালতে যাওয়ার পথে উন্নাওয়ে নির্যাতিতাকে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেয় অভিযুক্তরা। তারাও জামিনে ছাড়া পেয়েছিল। অভিযোগ, এক্ষেত্রেও পুলিশ জানত, জামিনে ছাড়া পেলে অভিযুক্তরা প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করবে। সে বিষয়ে তাঁরা নাকি অভিযুক্তদের সর্তকও করেছিল পুলিশ। অথচ তারপরেও জামিন পেয়ে গিয়েছিল অভিযুক্তরা। হরিয়ানাতে তো প্রমাণের অভাবে মামলাই খারিজ হয়ে গিয়েছিল। এবার সেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফের ধর্ষণের অভিযোগ উঠল।

[আরও পুলিশ : প্রধান শিক্ষিকার স্বামীর যৌন লালসার শিকার, তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা নাবালিকা]

ঘটনা প্রসঙ্গে পালওয়ালের এসপি নরেন্দ্র বিজার্নিয়া বলেন, “নাবালিকা অভিযোগে জানিয়েছে, ৪ ডিসেম্বর বাড়ি থেকে সে যখন বেরিয়ে ছিল তখন গ্রামের চারজন তাকে অপহরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে যায় ও গণধর্ষণ করে।” তিনি আরও বলেন, “নতুন করে বয়ান নেওয়া হয়েছে। নির্যাতিতার বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে।মেডিক্যাল চেক আপও করানো হয়েছে।” তবে পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ দেশবাসী। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশ তৎপর হলে এধরনের ঘটনা এড়ানো যেত।      

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.