সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে ফের এনকাউন্টার। যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে খতম চার মাওবাদী। বুধবার সকালে ছত্তিশগড়ে সুকমার জঙ্গলে এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্রও। চলছে তল্লাশি অভিযানও। এদিকে মহারাষ্ট্রেও সোনেগাঁও থেকে উদ্ধার হয়েছে আইইডি (IED) বিস্ফোরক। নাশকতা চালাতেই সেগুলিতে মাটির তলায় রাখা হয়েছিল বলে মনে করছে পুলিশ।
সম্প্রতি ছত্তিশড়, মহারাষ্ট্রে মাথাচারা দিয়েছে মাওবাদিরা। ছত্তিশগড়ে মাঝেমধ্যেই হামলা চালাচ্ছে তাঁরা। জ্বালিয়ে দিচ্ছে সরকারি সম্পত্তি। গ্রামেও লুঠপাট চালাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মাও দমনে জোর দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। এদিন বস্তার রেঞ্জের ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ সুন্দররাজ পি জানিয়েছেন, আগাম খবর থাকায় আগে থেকেই জগরগন্ধা এলাকা সংলগ্ন অরণ্যে সিআরপিএফ, কোবরা বাহিনী, জেলা রিজার্ভ গার্ড-সহ যৌথবাহিনীর অপারেশন চলছিল। ফুলমপর গ্রামের কাছে পৌঁছতে আচমকাই গুলি চালায় মাওবাদীরা। পালটা জবাব দেয় বাহিনীও। সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ মাওবাদীদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলির লড়াই শুরু হয়। গুলির লড়াই থামার পরে চার মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকে .৩০৩ রাইফেলও উদ্ধার হয়। এছাড়াও আরও দেশি বন্দুক ও বিস্ফোরক মিলেছে।
[আরও পড়ুন : নাক ডাকায় ঘুমের ব্যাঘাত! বচসার জেরে বাবাকে পিটিয়ে খুন করল ছেলে]
এদিকে খবর পেয়ে মহারাষ্ট্রের সোনেগাঁও এলাকায় তল্লাশি শুরু করে যৌথবাহিনী। সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ আইইডি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়।
Maharashtra: Gondia police recovered IED explosives planted by Naxalites during a search operation at Murkutdoh-Sonegaon village of Salekasa Tahsil. Police also recovered an IED detonator, wire, and a battery from the spot. pic.twitter.com/z5rIzScErH
— ANI (@ANI) August 12, 2020
[আরও পড়ুন : কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমন অভিযানে শহিদ সেনা জওয়ান, খতম এক জেহাদিও]
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!