BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত ৪৭ লক্ষ মানুষ! সরকারি সমীক্ষায় প্রকাশ্যে বিস্ফোরক তথ্য

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: July 21, 2020 6:10 pm|    Updated: July 21, 2020 6:10 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কিছুতেই থামছে না করোনার মৃত্যুমিছিল। ভারতে অতিমারীর প্রকোপে রীতিমতো বেসামাল রাজধানী দিল্লি। এহেন সংকটকালে করোনা ভাইরাস নিয়ে রাজধানীতে সিরো সার্ভে (Sero survey) করা হয়েছিল৷ দিল্লি সরকার ও ‘National Center for Disease Control’-এর এই সমীক্ষার ফল সামনে আসতেই আঁতকে উঠেছে চিকিৎসক মহল ও প্রশাসন। এই রিপোর্ট অনুযায়ী গত ৬ মাসে দিল্লির ২৩.৮৪ শতাংশ মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছেন৷ অথচ তাঁদের মধ্যে সংক্রমণের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি৷ অর্থাৎ রাজধানীর ২ কোটি মানুষের মধ্যে করোনা আক্রান্ত প্রায় ৪৭ লক্ষ। অর্থাৎ জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই প্রতি চারজন দিল্লিবাসীর মধ্যে একজনের শরীরে প্রবেশ করেছে করোনা।

[আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে চিনকে টক্কর দেবে ভারত, আসছে অত্যাধুনিক সাবমেরিন ধ্বংসকারী বিমান]

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বিবৃতি মতে, মানুষের মধ্যে যে পরিমাণ দ্রুততার সঙ্গে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে সেটা মাথায় রেখেই সিরো সার্ভে করানো হয়েছিল৷ দিল্লির ১১ টি জেলাতেই চালানো হয় সমীক্ষা৷ পরীক্ষা করা হয় ২১,৩৮৭টি স্যাম্পল। জুলাই মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত চলা এই সার্ভের সময় লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়৷ সেই নমুনা ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করাতেই মাথায় হাত৷ তাঁদের মতে ২৩.৪৮ শতাংশ মানুষের রক্তে করোনা ভাইরাসের অ্যান্টিবডি (IgG antibodies) তৈরি হয়ে গিয়েছে৷ এই সার্ভে প্রমাণ করল একটা বড় অংশের মানুষের ইতিমধ্যেই করোনা সংক্রমণ হয়ে গিয়েছে এবং অজান্তেই তাঁরা অ্যাসিম্পটম্যাটিক অর্থাৎ উপসর্গহীন থাকা অবস্থায় সেরে গিয়েছেন৷ এই বিষয়ে ভাইরোলজিস্ট শাহিদ জামিল জানিয়েছেন, এপর্যন্ত দিল্লিতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৬৬৩ জনের। ফলে এখানে মৃত্যুর হার ০.০৮ শতাংশ, যা দেশজুড়ে আইসিএমআর-এর চালানো সেরো সার্ভের কাছাকাছি। এরত ফলে তিনটি জিনিস স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে–দ্রুত গতিতে সংক্রমণ বাড়ছে, মৃত্যুর হার এখনও কমেনি ও হার্ড ইমিউনিটি থেকে আমরা অনেক দূরে।

এদিকে, মঙ্গলবার সেরো সার্ভের রিপোর্ট প্রকাশ পেতে রীতিমতো চমকে উঠেছে দিল্লি প্রশাসন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রক। যদিও মন্ত্রকের দাবি, লকডাউনের জেরে অনেকটাই সংক্রমণ ঠেকানো গিয়েছে। দিল্লির মতো জায়গায় করোনা ছড়িয়ে পড়া খুব সহজ কারণ এখানে জনঘনত্ব অত্যন্ত বেশি৷ দিল্লি সরকারের কড়া পদক্ষেপে তাও সংক্রমণ খানিকটা হলেও কমেছে৷ এই সার্ভেতে প্রমাণিত হয়েছে ফেস শিল্ড, মাস্কের ব্যবহার করলে এই মারণ রোগের সংক্রমণ অনেকটা কমানো যায় ৷

[আরও পড়ুন: ভারত মহাসাগরে চিনকে টক্কর দেবে ভারত, আসছে অত্যাধুনিক সাবমেরিন ধ্বংসকারী বিমান]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement