BREAKING NEWS

১৫  আষাঢ়  ১৪২৯  শনিবার ২ জুলাই ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

সম্পত্তি দখলের জন্য ১৪ বছরে স্বামী-সহ শ্বশুরবাড়ির ছ’জনকে খুন, ধৃত বধূ

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: October 6, 2019 10:53 am|    Updated: October 6, 2019 10:53 am

6 murders over 14 years: The Kerala housewife who killed her family

ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্পত্তি দখলের ছক ছিল। তাই ১৪ বছর ধরে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি-সহ শ্বশুরবাড়ির ছ’জন সদস্যকে খুন করার অভিযোগ উঠল এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে। রোমহর্ষক এই ঘটনাটি ঘটেছে কেরলের কোঝিকোড়ে। গত শুক্রবার ওই এলাকার একটি সভ্রান্ত ক্যাথলিক পরিবারের খবর খুঁড়ে মৃতদেহগুলি সংগ্রহ করা হয়েছে। অভিযুক্ত গৃহবধূ ও তার দ্বিতীয় স্বামী-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের পর জেরা করছে কেরল পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। ইতিমধ্যে তারা আটবার বয়ান বদলেছে বলেও জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: পুজোয় রাজধানী এক্সপ্রেসের মেনুতে বদল, মিলছে মাংস-আইসক্রিম]

এপ্রসঙ্গে ক্রাইম ব্রাঞ্চের এক আধিকারিক বলেন, ‘অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে গভীর ষড়যন্ত্র করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা বিষয়টি জানতে পেরেই তদন্ত শুরু করেছি। অভিযুক্তদের ফোন রেকর্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কবর থেকে তোলা মৃতদেহ গুলিরও ফরেনসিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেগুলি হাতে পেলে তদন্তে আরও সুবিধা হবে। তবে এটা খুবই জটিল একটা খুনের মামলা।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯৯ সালে কোঝিকোড়ের সভ্রান্ত একটি ক্যাথলিক পরিবারে বিয়ে হয় মূল অভিযুক্ত জুলির। তারপর সব ঠিকঠাক চললেও ২০০২ সালে আচমকা মৃত্যু হয় জুলির শাশুড়ি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা আন্নাম্মা থমাস(৫৭)-এর। কোনও সন্দেহের অবকাশ না থাকায় সবাই ঘটনাটিকে স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা বলেই মেনে নিয়েছিল। ছ’বছর বাদে ২০০৮ সালে মারা যান জুলির শ্বশুর টম থামসও(৬৬)। হৃদরোগজনিত কারণেই তাঁর মত্যু হয়েছিল বলে জানা গিয়েছিল। ২০১১ সালে একইভাবে মৃত্যু হয় জুলির স্বামী ৪০ বছরের রয়ের। পরে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তাঁর শরীরে বিষ থাকার প্রমাণ মেলে। ২০১৪ সালেও তাঁদের মতোই মারা যান আন্নাম্মার দাদা ম্যাথি মানজাদিল(৬৭) আর ২০১৬ সালে মৃত্যু হয় জুলির শ্বশুরবাড়ির তরফের এক আত্মীয় ২৭ বছরের সিলি ও তাঁর দু’বছরের মেয়ে আলফানসোর।

[আরও পড়ুন:দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠক হাসিনার, আলোচনা এনআরসি ইস্যুতেও]

এর কিছুদিন পরেই সিলির স্বামী শাজুকে বিয়ে করে জুলি। তারপর শ্বশুরমশাই টম থমাসের শেষ উইল অনুযায়ী সম্পত্তির দাবি জানায়। বিষয়টি জানতে পারার পর নড়েচড়ে বসেন টমের ছোট ছেলে আমেরিকায় বসবাসকারী মোজো। পরিবারের সদস্যদের রহস্যজনক মৃত্যুর বিষয়ে পুলিশের কাছে একটি অভিযোগও দায়ের করেন। তদন্ত শুরু হতেই জানা যায়,  ছ’জনের মৃত্যুর সময়ই ঘটনাস্থলে হাজির ছিল জুলি। এরপরই তাকে ও তার দ্বিতীয় স্বামী শাজুকে ডেকে আটবার জেরা করা হয়। এতে অসংগতি পাওয়া যেতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর গ্রেপ্তার হয় খুনের জন্য অভিযুক্তদের যে সায়ানাইড জোগাড় করে দিয়েছিল সেই ব্যক্তি।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে