Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
UPSC

৬ বছর ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ, তিন বারের চেষ্টায় UPSC পাশ ‘দৃষ্টিহীন’ সঞ্জয়ের

২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ায় চাকরি করেন। পশ্চিমবঙ্গের এক শাখায় নিযুক্ত ছিলেন তিনি। এরপর ইউপিএসসি-র লক্ষ্যে চাকরি ছেড়ে আরও পড়াশোনায় মন দেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৯:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ১৯:২৫

options
link
৬ বছর ক্যানসারের সঙ্গে যুদ্ধ, তিন বারের চেষ্টায় UPSC পাশ ‘দৃষ্টিহীন’ সঞ্জয়ের zoom
প্রতিবন্ধকতাকে পিছনে ফেলে ইউপিএসসি-তে সফল ছত্তিশগড়ের দৃষ্টিহীন যুবক সঞ্জয় ডাহারিয়া।

একে আংশিক দৃষ্টিহীন তার উপর মারণ রোগ ক্যানসার বাসা বেঁধেছিল শরীরে। তবে যাবতীয় প্রতিবন্ধকতাকে পিছনে ফেলে অবশেষে সফল হলেন ছত্তিশগড়ের যুবক সঞ্জয় ডাহারিয়া। ইউপিএসসি সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় তিনবারের চেষ্টার পর পাশ করলেন তিনি। ২০২৫ সালের ইউপিএসসি-র ফল প্রকাশের পর দেখা গেল মহাসমুন্দ জেলার ৩৮ বছর বয়সি এই কৃষক সন্তান কঠিন এই পরীক্ষায় ৯৪৬ তম স্থান অর্জন করেছেন।

জানা যাচ্ছে, মহাসমুন্দ জেলার বেলটুকরি নামে প্রত্যন্ত এক গ্রামের সন্তান সঞ্জয়। ওই গ্রামেরই এক সরকারি স্কুলে পড়াশুনো শুরু করেন তিনি। এরপর পঞ্চম শ্রেণীতে রায়পুরের মানায় জওহর নবোদয় বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পান তিনি। এখান থেকেই তাঁর জীবন অন্য খাতে বইতে শুরু করে। কলেজ পাশ করার পর ব্যাঙ্কে চাকরি পান সঞ্জয়। ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ায় চাকরি করেন। পশ্চিমবঙ্গের এক শাখায় নিযুক্ত ছিলেন তিনি। এরপর ইউপিএসসি-র লক্ষ্যে চাকরি ছেড়ে আরও পড়াশোনায় মন দেন।

Advertisement

২০১২ সালে তাঁর লালাগ্রন্থির ক্যানসার ধরা পড়ে। এই অবস্থায় ৬ বছর ধরে চিকিৎসা করাতে হয় তাঁকে। তবে সঞ্জয়ের অদম্য জেদ তাঁকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। ৬ বছর চিকিৎসার পর আরও দুই জায়গায় চাকরিতে যোগ দেন এই যুবক।

তবে সেখানে বাধ সাধে মারণ ক্যানসার। ২০১২ সালে তাঁর লালাগ্রন্থির ক্যানসার ধরা পড়ে। এই অবস্থায় ৬ বছর ধরে চিকিৎসা করাতে হয় তাঁকে। ৬ বছর চিকিৎসার পর আরও দুই জায়গায় চাকরিতে যোগ দেন সঞ্জয়। রায়পুরের একটি ব্যাঙ্ক ও মহাসমুন্দ ডাক বিভাগ। ২০২২ সালে চাকরি ছেড়ে পুরদমে ফের শুরু হয় তাঁর অধ্যাবসায়। ৩ বারের চেষ্টার পর ২০২৫ সালের পরীক্ষায় অবশেষে সফল হয়েছে সঞ্জয়।

এই সাফল্যের পর কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য নিজের পরিবার ও পরিজনদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ওই যুবক। তিনি বলেন, “সিভিল সার্ভিসের মাধ্যমে দেশসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করব আমি। আমাকে আইএএস ক্যাডারের প্রস্তাব দেওয়া হোক বা অন্য কোনও চাকরি জনসেবাই আমার জীবনের মূল লক্ষ্য।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.