BREAKING NEWS

৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বুধবার ২৫ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পাশবিক! এবার ৬ বছরের শিশুকন্যাকে গণধর্ষণের পর ফুসফুস উপড়ে নেওয়া হল উত্তরপ্রদেশে

Published by: Biswadip Dey |    Posted: November 17, 2020 2:43 pm|    Updated: November 17, 2020 2:48 pm

An Images

ছবিটি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আবারও ভয়াবহ ধর্ষণের (Rape) সাক্ষী হল উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh)। ছ’বছরের এক শিশুকন্যাকে গণধর্ষণ করে খুন করা হল কানপুরে। এমনকী মৃত শিশুর শরীর থেকে উপড়ে নেওয়া হল ফুসফুসও। জানা গিয়েছে এর পিছনে রয়েছে ‘কালো জাদু’-র (Black magic) মতো অন্ধ বিশ্বাসের অনুশীলন। ঘটনার নৃশংসতায় শিউরে উঠেছে সবাই।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, গত রবিবার নিহত শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায়, গণধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে তাকে। এরপর ‘কালো জাদু’র অনুশীলনের জন্য উপড়ে নেওয়া হয়েছে ফুসফুস। তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত ও চক্রান্তকারী পরশুরাম কুরিল স্বীকার করেছে ওই ফুসফুসের সাহায্যে নিজের সন্তানহীনতা থেকে মুক্তি চেয়েছিল সে। তার স্ত্রীকেও আটক করেছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: শুরু মালাবার নৌ মহড়ার দ্বিতীয় পর্যায়, নজরে ভারতীয় রণতরী ‘বিক্রমাদিত্য’]

ঠিক কী হয়েছিল সেদিন? জানা যাচ্ছে, দিওয়ালির রাতে বাজি কিনতে গিয়েছিল ছোট্ট মেয়েটি। তখনই তাকে অপহরণ করে দুই অভিযুক্ত অনুকূল কুরিল ও বীরান। দ্রুত কাছের জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। তারপর ফুসফুস উপড়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয় মৃতদেহটি। ধর্ষণের পরে দুই অভিযুক্ত ওই শিশুর ফুসফুস তুলে দেয় পরশুরামের হাতে। জানা গিয়েছে, নারকীয় কাণ্ডের সময় তারা মদ্যপ অবস্থায় ছিল। ধৃত অনুকূল আবার পরশুরামের ভাইপো।

সোমবার পরশুরামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে চাইলেও পরে জেরার মুখে ভেঙে পড়ে। সে জানিয়েছে, ১৯৯৯ সালে তার বিয়ে হলেও সন্তান হয়নি। তাই ভাইপো অনুকূল ও তার বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে এই ভয়ংকর ফন্দি আঁটে সে। এমন অন্ধবিশ্বাসকে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে আটক করা হয়েছে পরশুরামের স্ত্রীকেও।

[আরও পড়ুন: দিল্লিতে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ঝুঁকি এড়াতে বাতিল হতে পারে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন!]

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই ঘৃণ্য অপরাধের বিষয়ে জানতে পারার পরই ধৃতদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নির্যাতিতা শিশুর পরিবারকে পাঁচ লক্ষ টাকা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সাম্প্রতিক অতীতে উত্তরপ্রদেশে বারবার নারী নির্যাতনের নজির সামনে এসেছে। হাথরাসের এক তরুণীর মৃত্যুর পরে অভিযুক্তদের বিচার চেয়ে গর্জে উঠেছিল গোটা দেশ। এবার আবারও এক বীভৎস অপরাধের ঘৃণ্য দৃষ্টান্তের সাক্ষী হল যোগীর রাজ্য।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement