সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শচীন পাইলটকে (Sachin Pilot) নিয়ে নাটকের জের। ‘অবশেষে’ কংগ্রেসের ‘পরিবার’ রাজের বিরুদ্ধে জেহাদের সুর শোনা যাচ্ছে। কপিল সিব্বল, শশী থারুর, প্রিয়া দত্ত, কার্তি চিদম্বরমরা প্রকাশ্যেই দলের অন্দরে প্রতিভাবান নেতাদের ‘জায়গা না হওয়া’ নিয়ে সুর চড়িয়েছেন। আবার কিছু বর্ষীয়ান নেতা প্রকাশ্যে না এলেও গান্ধীদের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ নিয়ে আড়ালে থেকে অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন।
মধ্যপ্রদেশের জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, ত্রিপুরার বিক্রম মাণিক্য দেববর্মা, উত্তরপ্রদেশের অদিতি সিং, হরিয়ানার অশোক তানওয়ার, ঝাড়খণ্ডের অজয় কুমাররের মতো কংগ্রেসের প্রতিভাবান তরুণ নেতানেত্রীরা প্রবীণদের সঙ্গে লড়াই করতে না পেরে একে একে দল ছেড়েছেন। সেই একই পথে পা বাড়িয়ে রাজস্থানের শচীন পাইলট। একের পর এক প্রতিভা দল ছাড়ায় অবশেষে বোধোদয় হয়েছে কংগ্রেস নেতাদের একাংশের। গান্ধী পরিবারের ‘সিদ্ধান্তহীনতা’ এবং ‘একনায়কতন্ত্রের’ বিরুদ্ধে এবার অস্ফুটে হলেও মুখ খুলছেন তাঁরা।
[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে করোনা আক্রান্ত বিজেপি নেতার সঙ্গে বৈঠক, সেলফ আইসোলেশনে রাম মাধব]
দলের বর্ষীয়ান নেতা কপিল সিব্বল (Kapil Sibbal) আগেই বলেছেন, “আমি আমার দলের জন্য চিন্তিত। আমরা আবার কবে জাগব? সব ঘোড়া আমাদের আস্তাবল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর।” প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের ছেলে তথা সাংসদ কার্তি চিদম্বরম বলছিলেন, “গুগল ব্যবসার বাজারে এতটা সফল কেন? কারণ, ওরা নিজেদের মধ্যে থাকা প্রতিভাকে বিচ্ছুরণের সুযোগ দেয়।” কেরলের শশী থারুর এবং মুম্বইয়ের প্রিয়া দত্তরাও একই সঙ্গে সরব হয়েছেন। প্রিয়া বলছিলেন,”আরও একজন বন্ধু আমাদের দল ছাড়ছেন। জ্যোতিরাদিত্য এবং পাইলট দুজনেই আমার খুব ভাল বন্ধু। আমাদের দল দু’জন প্রতিভাবান ও শক্তিশালী নেতাকে হারাল। আমার মনে হয় না, উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়াটা দোষের কিছু।” শশী থারুরও পাইলটের প্রতি দলের এই আচরণে ‘দুঃখিত’।
[আরও পড়ুন: ‘উন্নয়নের জোয়ারে’ ভেসে গোটা পাড়া গেরুয়া করলেন যোগীর মন্ত্রী, ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা]
নাম জানাতে অনিচ্ছুক কংগ্রেসের এক শীর্ষনেতা বলছিলেন, গত পাঁচবছর ধরে চেষ্টা করার পরও গান্ধীদের দেখা তিনি পাননি। কংগ্রেসের শীর্ষস্তরের নেতাদের নিজেদের মধ্যেই সমন্বয় নেই। আসলে কংগ্রেসের একটা বড় অংশ মনে করছে, সময় এসেছে রাহুল গান্ধীর হয় ফের দলের সভাপতি হওয়া উচিত। আর নয় দলের সিদ্ধান্তে নাক গলানো একেবারে বন্ধ করা উচিত। কিন্তু এই অস্ফুট অসন্তোষের মধ্যেও ‘আনুগত্য’কেই প্রাধান্য দিচ্ছেন দলের একটা বড় অংশ। এমনকী, গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় দলের প্রাক্তন মুখপাত্র তথা বর্ষীয়ান নেতা সঞ্জয় ঝাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস।
সর্বশেষ খবর
-
চিনির দামে আগুন! রান্নায় মিষ্টতা আনতে রান্নাঘরে আনুন এই ৫ বিকল্প
-
রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান, বহরমপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে উদ্ধার অস্ত্র ভাণ্ডার
-
পিছিয়ে যাচ্ছে ঘরোয়া লিগের ডার্বি, ডুরান্ড ফাইনালে বিষ্ণুর চোট নিয়ে চিন্তায় ইস্টবেঙ্গল
-
পাকিস্তানে ভেঙে যাবে সরকার? ইমরান-বিলাওয়াল জোড়া ফলায় মহাসংকটে শাহবাজ!
-
‘ধনীদের কোটা নয়’, দিল্লিতে জোরালো সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলন, আধাসেনা নামাল সরকার