Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
সৌম্যা স্বামীনাথন

ভারতে করোনা ভ্যাকসিন তৈরি হতে এখনও এক বছর, বলছেন WHO’র প্রধান গবেষক

করোনা ভ্যাকসিন তৈরির একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে ভারত, বলছেন ডঃ সৌম্যা স্বামীনাথন ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২০, ১১:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২০, ১১:০৫

options
link
ভারতে করোনা ভ্যাকসিন তৈরি হতে এখনও এক বছর, বলছেন WHO’র প্রধান গবেষক zoom
ফাইল চিত্র।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রত্যাশা ছিল স্বাধীনতা দিবসের সকালেই দেশের মাটিতে তৈরি প্রথম করোনা ভ্যাকসিনের কথা ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, এই মুহূর্তে ভারতে তিনটি ভ্যাকসিন বিভিন্ন পর্যায়ের ট্রায়ালে আছে। আর বিজ্ঞানীদের সবুজ সংকেত মিললেই, তা প্রত্যেক ভারতবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল সেটা কবে? ভারতের মাটিতে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হতে আর কতদিন সময় লাগবে? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান গবেষক ডঃ সৌম্যা স্বামীনাথন (Soumya Swaminathan) বলছেন, অপেক্ষা এখনও অন্তত ১ বছরের। তার আগে দেশের মাটিতে করোনার টিকা তৈরি হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।

শনিবার চেন্নাইয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান গবেষক বলছিলেন,”এই মুহূর্তে ভারত করোনার ভ্যাকসিন তৈরির একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। কোনও ভ্যাকসিন চূড়ান্ত হতে আরও অন্তত এক বছর সময় লাগবে।” ডঃ সৌম্যা স্বামীনাথন বলছেন, ভারতের কোনও ভ্যাকসিন এখনও নিজেদের সাফল্যের তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে তুলে ধরতে পারেনি। একমাত্র ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সাফল্যের নথি পাওয়ার পরই WHO ভ্যাকসিনের লাইসেন্সিংয়ের কথা ভাবতে পারে। সৌম্যা বলছেন, এই পুরো প্রক্রিয়াটা শেষ করতে আরও এক থেকে দেড় বছর সময় লাগবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দেশে করোনায় মৃত্যু ৫০ হাজার ছুঁইছুঁই, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত সাড়ে ৬৩ হাজার]

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। অক্সফোর্ড এবং জাইদাস ক্যাডিলার ভ্যাকসিনও শীঘ্রই হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করবে। ডঃ স্বামীনাথন বলছেন, শুধু এই তিনটি নয়, ভারতের মোট আটটি সংস্থা এখন ভ্যাকসিন তৈরি চেষ্টা চালাচ্ছে। সাধারণত এই ধরনের টিকা আবিষ্কারের জন্য ৫ থেকে ৮ বছর সময় লাগে। কিন্তু মহামারী পরিস্থিতিতে সব সংস্থাই তৎপর। তবে এক থেকে দেড় বছরের আগে কোনও টিকাই চূড়ান্ত হবে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.