Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bank Froud

মোদির রাজ্য গুজরাটে ২৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি! পর্দা ফাঁস সিবিআইয়ের

ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ জাহাজ নির্মাণ সংস্থার বিরুদ্ধে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২, ১৮:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২, ১৮:২৪

options
link
মোদির রাজ্য গুজরাটে ২৩ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি! পর্দা ফাঁস সিবিআইয়ের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাঝে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে বটে, তবে কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতিতে অভিযুক্ত বিজয় মালিয়া (Vijay Mallya), নীরব মোদিরা (Nirav Modi) এখনও অধরা। এর মধ্যেই বিপুলাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির খবর সামনে এল। মোদির রাজ্য গুজরাটের এবিজি শিপইয়ার্ডের (ABG Shipyard) বিরুদ্ধে ২৮টি ব্যাঙ্কের মোট ২২ হাজার ৮৪২ কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় সিবিআই (CBI) অভিযোগ এনেছে ওই জাহাজ নির্মাণ সংস্থার তিন কর্ণধার ঋষি অগরওয়াল, সন্থানম মুথুস্বামী ও অশ্বিনী কুমারের বিরুদ্ধে।

এবিজি গ্রুপের এবিজি শিপইয়ার্ড লিমিটেড কোম্পানি জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতির কাজ করে থাকে। গুজরাটের দাহেজ ও সুরাতে রয়েছে সংস্থার কারখানা। অভিযোগ, সংস্থাটি বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলেও সেই ধার পরিশোধ করেনি। সংস্থাটি স্টেট ব্যঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI) থেকে ঋণ নিয়েছে ২ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা। আইসিআইসিআই (ICICI) ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়েছে ৭ হাজার ৮৯ কোটি টাকা, আইডিবিআই (IDBI) ব্যাঙ্ক থেকে জাহাজ নির্মাণ সংস্থাটি ঋণ নিয়েছে ৩ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা। ১ হাজার ৬১৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে ব্যাঙ্ক অফ বরোদা থেকে, ১ হাজার ২৪৪ কোটি নিয়েছে পাঞ্জাব ন্যাশানাল ব্যাঙ্ক থেকে এবং ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক থেকে নিয়েছে ১ হাজার ২২৮ কোটি টাকা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘উসকানিমূলক মন্তব্য বরদাস্ত নয়’, হিজাব বিতর্কে আমেরিকাকে কড়া জবাব ভারতের]

ইতিমধ্যে ব্যঙ্ক জালিয়াতির ঘটনায় এবিজি শিপইয়ার্ড লিমিটেড কর্ণাধারদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই। এফআইআর-এ উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৯ সালের ১৮ জানুয়ারিতে আরনেস্ট অ্যান্ড ইয়ং এলপি একটি ফরেনসিক অডিট রিপোর্ট জমা দেয়। এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, এপ্রিল ২০১২ থেকে জুলাই ২০১৭, এই সময়পর্বে অভিযুক্তরা যৌথভাবে ব্যাঙ্ক তহবিলের যথেচ্ছ অপব্যবহার, বিশ্বাস লঙ্ঘন ও তহবিলের অবৈধ ব্যবহার করেছে। যে উদ্দেশ্যে ব্যাঙ্কগুলি ঋণ দিয়েছিল তা করা হয়নি।”

[আরও পড়ুন: বিজেপি ক্ষমতায় ফিরলেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ভোটের আগে বড় ঘোষণা উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর]

এছাড়াও এআইআর-এ লেখা হয়েছে, এবিজি শিপইয়ার্ড ঋণের অপব্যবহার করেছে তো বটেই, এইসঙ্গে ব্যাঙ্কগুলিকে সময় মতো সুদ-সহ কিস্তির টাকাও দেয়নি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.