Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

বাংলা বললেই বাংলাদেশি, মাছ খেলেই মোগল! সংসদে ‘দুই ভারত’ তত্ত্ব অভিষেকের

SIR থেকে GST, সংসদে ইস্যু ধরে ধরে বিজেপিকে তোপ অভিষেকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৭:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৭:০৫

options
link
বাংলা বললেই বাংলাদেশি, মাছ খেলেই মোগল! সংসদে ‘দুই ভারত’ তত্ত্ব অভিষেকের zoom
সংসদে অভিষেকের দাপট। ছবি: সংগৃহীত।

সংসদে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুঙ্কার। ‘দুই ভারত’ তত্ত্ব তুলে বিজেপি তথা কেন্দ্রীয় সরকারকে তুলোধোনা করলেন লোকসভার তৃণমূলের দলনেতা। তাঁর অভিযোগ, একদিকে ভারত বিশ্বগুরু হওয়ার দাবি করছে। গোটা বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার বার্তা দিচ্ছে, অথচ সেই ভারতেরই কিছু নাগরিককে স্রেফ ভাষা, খাদ্যাভ্যাস এবং সংস্কৃতির জন্য বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসাবে দেগে দেওয়া হচ্ছে।

তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা বাজেট ভাষণের জবাবি ভাষণ দিতে গিয়ে মঙ্গলবার বলেন, “কিছুদিন আগে আমেরিকায় তরুণ কমেডিয়ান দুই ভারতের কথা বলেছিলেন। তাতে বহু মানুষ হেসেছিল। কিন্তু তিনি শুধু হাস্যরস সৃষ্টি করেননি। আয়না দেখিয়েছেন। আমি সেই দুই ভারতের প্রতিনিধি।” অভিষেক বলেন, “আমি এমন এক ভারত থেকে আসি যেখানে বলা হয়, এক ভারত-শ্রেষ্ঠ ভারত। আবার সেখানেই স্রেফ মাতৃভাষাকে সন্দেহের কারণ হিসাবে দেখা হয়। বাংলা বললেই বাংলাদেশি, মাছ খেলেই মোগল। এখানে জয় বাংলা বললেই, আমার সোনার বাংলা গাইলেই অনুপ্রবেশকারী হিসাবে দেগে দেওয়া হয়।”

Advertisement

অভিষেক বলেন, “আমি এমন এক ভারত থেকে আসি যেখানে বলা হয়, এক ভারত-শ্রেষ্ঠ ভারত। আবার সেখানেই স্রেফ মাতৃভাষাকে সন্দেহের কারণ হিসাবে দেখা হয়। বাংলা বললেই বাংলাদেশি, মাছ খেলেই মোগল। এখানে জয় বাংলা বললেই, আমার সোনার বাংলা গাইলেই অনুপ্রবেশকারী হিসাবে দেগে দেওয়া হয়।”

দীর্ঘদিন ধরেই বাংলার বকেয়া নিয়ে সংসদে সরব তৃণমূল। বাজেটের জবাবি ভাষণের মঞ্চকে হাতিয়ার করেই সেই বকেয়া নিয়েও সরব হলেন অভিষেক। তিনি বললেন, “আমরা একদিকে নিজেদের বিশ্বগুরু বলে দাবি করি। অন্যদিকে বাংলার ১০ কোটি মানুষকে নিজেদের প্রাপ্য করের ভাগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। আজও বাংলার ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি আটকে আছে। এটা শুধু টাকা নয়, এটা সম্মানের প্রশ্ন।” তৃণমূলের লোকসভার দলনেতার অভিযোগ, স্রেফ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্য বাংলার মানুষ ১০০ দিনের রোজগার গ্যারান্টি আইনের রোজগার পাচ্ছেন না। আবাসের যোজনার ঘর থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এমনকী খাবার জল (পড়ুন জল জীবন মিশনের টাকা) পর্যন্ত দেওয়া হয় না। এখানে পানীয় জলটুকুও রাজনীতির হাতিয়ার। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ৮৫ মিনিটের ভাষণে একবারও বাংলার কথা উল্লেখ করা হল না কেন?

এদিন অনুপ্রবেশ এবং SIR নিয়েও সরব হয়েছেন অভিষেক। তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশ নিয়ে এত কথা। সর্বোচ্চ মন্ত্রক থেকে বলা হয়, আমাদের সীমানা নিরাপদ। অথচ দিল্লির বুকে, পহেলগাওয়ের বুকে সশস্ত্র অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকলেন কী করে?” তাঁর অভিযোগ, আজ ভারতের অন্দরেই নাগরিকদের অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে হচ্ছে। SIR-এর নাম না করেই অভিষেক বলেন, “দশকের পর দশক ভোটার তালিকায় থাকাটাও অস্তিত্বের প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। দেশের সেবা করলেও আপনার ভোটাধিকার নিশ্চিত নয়। সেটা মন্ত্রী, সাংসদ, দেশের প্রতিনিধিত্ব করা খেলোয়াড়, এমনকী নোবেলজয়ীদেরও নয়।” এছাড়াও দেশের কর ব্যবস্থা, জিএসটির বাড়বাড়ন্ত, মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি, মুদ্রাস্ফীতির মতো ইস্যুতে সরব হন লোকসভার তৃণমূলের দলনেতা।

SIR-এর নাম না করেই অভিষেক বলেন, “দশকের পর দশক ভোটার তালিকায় থাকাটাও অস্তিত্বের প্রমাণের জন্য যথেষ্ট নয়। দেশের সেবা করলেও আপনার ভোটাধিকার নিশ্চিত নয়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.