Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Piyush Goyal

৪০টি দেশ থেকে ঘুরপথে আসছে তেল! ‘জ্বালানির অভাব হবে না’, আশ্বাস বাণিজ্য মন্ত্রীর

ভারতের চাহিদার ৬০ শতাংশ জ্বালানি তেল আসছে ঘুরপথ দিয়ে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনাও শুরু হয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ২০:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১১, ২০২৬, ২০:৪০

options
link
৪০টি দেশ থেকে ঘুরপথে আসছে তেল! ‘জ্বালানির অভাব হবে না’, আশ্বাস বাণিজ্য মন্ত্রীর zoom
হরমুজকে এড়িয়ে বিকল্প পথে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখবে ভারত।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব ভারতের উপর পড়বে না। বিকল্প পথে জ্বালানি সরবরাহ বহাল থাকবে ভারতে। ইরান যুদ্ধের মাঝেই দেশবাসীকে আশ্বস্ত করে বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal)। জানা যাচ্ছে, গুরুতর এই পরিস্থিতিতে পশ্চিম এশিয়াকে এড়িয়ে বিকল্প পথে ৪০টি দেশ থেকে তেল আনছে ভারত।

গোটা বিশ্বের ২০-২৫ শতাংশ তেল বাণিজ্য চলে হরমুজ প্রণালী থেকে। মারণ যুদ্ধে সেই খাঁড়ি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে তেহরান জানিয়েছে, এক লিটার তেলও পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যাবে না। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল দেশকে আশ্বস্ত করে জানান, অন্যান্য দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি হলেও ভারতে এখনও তেমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। পাশাপাশি সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, সরবরাহ মসৃণ রাখতে ৪০টি দেশ থেকে বিকল্প পথে আসছে জ্বালানি। অর্থাৎ ভারতের চাহিদার ৬০ শতাংশ জ্বালানি তেল আসছে ঘুরপথ দিয়ে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনাও শুরু হয়েছে।

Advertisement

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানান, অন্যান্য দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি হলেও ভারতে এখনও তেমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সরবরাহ মসৃণ রাখতে ৪০টি দেশ থেকে বিকল্প পথে আসছে জ্বালানি।

সরকারি রিপোর্ট বলছে, এই জটিল পরিস্থিতিতে যে দেশগুলি থেকে জ্বালানি তেল ও গ্যাস আসছে তার মধ্যে অন্যতম হল রাশিয়া। এছাড়াও জ্বালানি আসছে, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ব্রাজিল, ব্রুনেই, কানাডা, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর, মিশর, ঘানা, গ্রিস, গিনি, ইরাক, ইজরায়েল, দক্ষিণ কোরিয়া, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, নরওয়ে, ওমান, পানামা, কাতার, সেনেগাল, টোগো, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ব্রিটেন, আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলা থেকে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়া প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানিয়েছেন, গোটা পরিস্থিতির উপর ভারত নজর রেখেছে। প্রয়োজন অনুযায়ী যাবতীয় পদক্ষেপ করবে ভারত সরকার।

উল্লেখ্য, গত শনিবার ‘প্রেস ইনফর্মেশন ব্যুরো’ বা ‘পিআইবি’র তরফে জানানো হয়েছিল, ‘ভারত কারও উপর নির্ভরশীল না থেকে নিজের তৈল আমদানির ক্ষেত্রকে অনেক বেশি বাড়িয়েছে। আগে যা ২৭ দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল তা বেড়ে এখন ৪০ হয়েছে। ভারত সেখান থেকেই তেল কেনে যেখানে সস্তায় পাওয়া যায়।’ পাশাপাশি আরও জানানো হয়, ‘রুশ থেকে তেলের আমদানি ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। যার অর্থ, ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ আমদানি এখন হরমুজ ক্ষেত্রের বাইরে থেকে আসবে।’ সবমিলিয়ে হরমুজকে এড়িয়ে নিজেদের চাহিদা মেটাতে তৎপর হল কেন্দ্রীয় সরকার। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.