Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

রাজনৈতিক পোস্ট করলেই অসমের সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা!

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে ফুঁসছে অসম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০১৯, ০৯:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৬, ২০১৯, ০৯:২৯

options
link
রাজনৈতিক পোস্ট করলেই অসমের সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনওরকম রাজনৈতিক পোস্ট করলেই অসমের সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা নেওয়া হবে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে অসম সরকার। এমন তথ‌্য জানা গিয়েছে সোশ‌্যাল মিডিয়া থেকেও।

অসমের প্রাথমিক শিক্ষা দপ্তরের ডিরেক্টরের পক্ষ থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, রাজ‌্য সরকারি কর্মীরা (স্থায়ী বা অস্থায়ী) যদি সোশ‌্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক পোস্ট করেন তাহলে সরকারি আইন মেনেই শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তাঁদের বিরুদ্ধে ব‌্যবস্থা নেবে সংশ্লিষ্ট দপ্তর। এজন‌্য সোশ‌্যাল মিডিয়ায় কড়া নজর রেখে চলেছে অসম পুলিশের সাইবার সেল। সংশ‌্যাধিত নাগরিক বিল (সিএএ) ও এনআরসি নিয়ে চলতি বিক্ষোভের জেরেই এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: সূর্যের মুখ ঢাকল আঁধারে, বছরের শেষ গ্রহণের সাক্ষী দেশবাসী]

অসম সরকার হাতিয়ার করেছে ১৯৬১ সালের অসম সরকারি পরিষেবা আইন। সেখানে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মীরা সরকার বিরোধী ও বিতর্কিত কাজে লিপ্ত থাকতে পারেন না। থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব‌্যবস্থা নেওয়া হবে। সিএএ-র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ৪ লক্ষ সরকারি কর্মী ১৮ ডিসেম্বর থেকে কোনও অফিসেই কাজে যোগ দিচ্ছেন না। কোথাও সরকারি কাজ হচ্ছে না। অচলাবস্থা চলছে রাজে‌্য। এছাড়া অসমে নাগরিক বিলের বিরুদ্ধে আন্দোলনে এখনও পর্যন্ত ৪ জন নিহত হয়েছেন। নতুন করে হিংসা না ছড়ালেও সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা করে তীব্র প্রতিবাদ চলছে অসমে।

সূত্রের খবর, সিএএ ও এনআরসি নিয়ে চলতি বিক্ষোভে অসংখ‌্য সরকারি কর্মী রাজ‌্য সরকার বিরোধী অবস্থান নিয়ে প্রচুর কুঠসিত মন্তব‌্য, অশ্লীল পোস্ট করেছেন। সেগুলি হিংসা ও আক্রমণে ইন্ধন জুগিয়েছে। বহু সরকারি কর্মী নিজ নিজ এলাকায় সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসেও জড়িত ছিলেন। বহু সরকারি কর্মী নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়ে প্রচুর পোস্ট করেছেন সোশ‌্যাল মিডিয়ায়। তাই অসম সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টুইটার, হোায়াটসঅ‌্যাপে কোনও সরকারি কর্মী যদি কোনওরকম (নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির পক্ষে বা বিপক্ষে) ছবি, তথ‌্য, গ্রাফিক্স পোস্ট করেন তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব‌্যবস্থা নেবে অসম সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন অনুপমা বরদলৈ, জুবিন গর্গ সহ বহু সেলিব্রিটি। সরকার এভাবে বাক স্বাধীনতা রোধ করতে পারে না বলে টুইটও করেছেন বহু মানুষ।

উল্লেখ‌্য, সংখ‌্যাগরিষ্ঠ অসমীয়াদের নাগরিকত্ব বিলের বিরুদ্ধে আপত্তি ও বিক্ষোভের কারণ ছিল হিন্দু বাংলাদেশিদের অনুপ্রবেশ নিয়ে। অসমীয়াদের ক্রোধের কারণ, হিন্দু বাংলাদেশিরা যদি অসমে অনুপ্রবেশ করে তাহলে ভূমিপুত্র অসমীয়ারাই অসমে সংখ‌্যালঘু হয়ে পড়বে। চাকরি, জীবিকা, বাসস্থান, জমি
সবই হাতছাড়া হবে অসমীয়াদের। তাই হিন্দু বাংলাদেশিদের অসমে জায়গা দিতে তীব্র আপত্তি রয়েছে অসমীয়াদের। এর জেরে নাগরিক বিলের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছিল গোটা অসম। বিজেপি পরিচালিত অসম সরকারের বিরুদ্ধে সোশ‌্যাল মিডিয়ায় শুরু ব‌্যাপক প্রচার। তাতে অংশ নিয়েছিলেন সরকারি কর্মচারীরাও।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.