৩১ আষাঢ়  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অধিবেশন শুরুর এক সপ্তাহ পর সংসদে গিয়ে শপথ নিলেন নুসরত জাহান ও মিমি চক্রবর্তী। মঙ্গলবার অধিবেশন শুরুর পর স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, যে সব সাংসদরা এখনও শপথ গ্রহণ করেননি, তাঁরা যেন আগে শপথ নেন। তখনই এগিয়ে যান মিমি চক্রবর্তী ও নুসরত জাহান। বাংলায় শপথবাক্য পাঠ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ।

এদিন লোকসভায় সাদা সালোয়ার-কামিজ পরে উপস্থিত হয়েছিলেন যাদবপুরের সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। তবে নুসরতের সাজ ছিল চোখে পড়ার মতো। তিনি এখন নবপরিণীতা। ১৯ জুন তুরস্কের বোদরুমে বিয়ের অনুষ্ঠান সারেন নুসরত। বিয়ের মেহেন্দি এখনও ওঠেনি। এখনও হয়নি রিসেপশন। কিন্তু সেই জন্য শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পিছিয়ে দিলেন না তিনি। এরই মধ্যে লোকসভায় এসে শপথ নিলেন। এমনিতেই এক সপ্তাহ পরে দুই সাংসদ-অভিনেত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে ইতিউতি বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আজ তার জবাব দিলেন দুই বন্ধু৷

[ আরও পড়ুন: আগস্টেই রেলে নির্বাচন, মোদি হাওয়ায় আধিপত্য খোয়ানোর আশঙ্কায় বাম-কংগ্রেস ]

আজ যখন নুসরত লোকসভায় পৌঁছান, তখন তাঁর দু’হাত ভরতি ছিল চুড়ি। সাদা-বেগুনি পাড়ের শাড়ি পরেছিলেন বসিরহাটের তারকা সাংসদ। সিঁথিতে ছিল চওড়া সিঁদুর। বসিরহাটের সাংসদও এদিন মিমির মতোই বাংলাতেই শপথ নেন। শপথগ্রহণের শেষে দু’জনের গলাতেই ছিল বাংলা ও ভারতের নামে জয়ধ্বনি।

উল্লেখ্য, ১৭ জুন ছিল সাংসদদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। কিন্তু রাজ্যের বাকি সাংসদরা শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও সংসদের প্রথম দিনেই অনুপস্থিত ছিলেন মিমি ও নুসরত। এদিন সাংসদ হিসেবে বাকিরা শপথ নিলেও এই দুই নবনির্বাচিত তৃণমূল সাংসদের পক্ষে তা সম্ভব হয়নি। পিছিয়ে দেন এক সপ্তাহ। কারণ দু’জনেই তখন ছিলেন দেশের বাইরে। নুসরতের বিয়ের দিন ছিল ১৯ জুলাই। তাই তুরস্ক রওনা দিয়েছিলেন তিনি। মিমিও প্রিয় বান্ধবী তথা সতীর্থের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পাড়ি দিয়েছিলেন সেই মুলুকে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়, আগামী ২৫ জুন শপথ নেবেন দুই তারকা সাংসদ। সেই মতো আজ যাদবপুর ও বসিরহাটের সাংসদ অধিবেশনের আগে শপথ নেন।

[ আরও পড়ুন: ‘টার্গেট মিস করিনি’, জোরাল দাবি বালাকোটে হামলাকারী বায়ুসেনার পাইলটের ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং