Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬

ডেরেককে ‘বিদেশি’ কটাক্ষ, ক্ষমা চাইলেন অধীর

প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁকেই বাংলায় জোট গঠনের পথে বাধা বলে চিহ্নিত করেছে তৃণমূল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৪, ২০:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২৪, ২০:৫১

options
link
ডেরেককে  ‘বিদেশি’ কটাক্ষ, ক্ষমা চাইলেন অধীর zoom
Advertisement

সোমনাথ রায়, নয়াদিল্লি: রাজ্যে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট গঠন ইস্যুতে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের তোপের মুখে পড়েছেন অধীর চৌধুরী। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁকেই বাংলায় জোট গঠনের পথে বাধা বলে চিহ্নিত করেছে তৃণমূল। জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে এক রাস্তায় হাঁটবে না তারা। ৪২টি আসনেই প্রার্থী দেবে ঘাসফুল শিবির। তার মধ্যেই নয়া বিড়ম্বনায় পড়লেন অধীর। তৃণমূল মুখপাত্র ডেরেক ও’ব্রায়েনের কাছে তাঁর সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হল তাঁকে।

ঘটনা ঠিক কী? বৃহস্পতিবার ডেরেককে ‘বিদেশি’ বলে কটাক্ষ করেন অধীর। আর আজ অস্বস্তিতে পড়ে এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “ডেরেক ও’ব্রায়েনকে ভুলবশত বিদেশি বলে ফেলেছি। ভুল করে শব্দটা মুখ থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। এজন্য তাঁর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।” লোকসভার বিরোধী দলনেতা দুঃখ প্রকাশ, ক্ষমা চেয়ে নেওয়ার পর ডেরেকও তা গ্রহণ করেছেন বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কলকাতা হাই কোর্টে বিচারপতি বনাম বিচারপতি, বেনজির সংঘাতে সুপ্রিম হস্তক্ষেপ]

জোট প্রশ্নে অধীরের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের নিন্দা করে ডেরেক নয়াদিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে জোট বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার তিনটে কারণ বলতে হলে বলব অধীর চৌধুরী, অধীর চৌধুরী এবং অধীর চৌধুরী। অধীর বিজেপির স্বার্থই রক্ষা করছেন বলেও অভিযোগ করেন ডেরেক। এও বলেন, ইন্ডিয়া জোটের বিরোধী অনেক, কিন্তু মাত্র দুজন জোট ভেঙে দিতে আসরে নেমেছে। বিজেপি আর অধীর! গত দুবছরে অধীর একবারও কেন্দ্রের বাংলার প্রতি আর্থিক বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হননি। পালটা তৃণমূলের ‘একলা চলো’ লাইনকে আক্রমণ করে অধীর শিলিগুড়িতে সাংবাদিকদের জোট সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে কটাক্ষ করেন, ডেরেক ও’ব্রায়েন বিদেশি, অনেক কিছু জানেন। ওঁকেই জিজ্ঞাসা করুন! যদিও শেষ পর্যন্ত বেকায়দায় পড়ে অধীরকে এই কটাক্ষ ফিরিয়ে নিয়ে ক্ষমা চাইতে হল।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে কংগ্রেসকে দুটির বেশি আসন ছাড়তে তৃণমূলের রাজি না হওয়ার ইস্যুতে দুপক্ষের সংঘাতের সূত্রপাত। রাজ্যে বিজেপিকে রুখতে একাই একশো তৃণমূল, এই অবস্থান থেকে কংগ্রেসকে দুটির বেশি আসন ছাড়তে চায়নি তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুর্শিদাবাদের দলীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠকে অধীরকে গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই বলে জানিয়ে দেন। মুর্শিদাবাদে সব আসনে লড়ার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেন জেলা নেতাদের। পালটা অধীর বলেন, “কেয়ার করি না। কারও দয়ায় জিতি না।” টানাপড়েনের জেরে শেষ পর্যন্ত জোট প্রক্রিয়া বিশ বাঁও জলে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.