Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
অনাহার

বায়োমেট্রিক অচল দীর্ঘদিন, রেশন না পেয়ে অনাহারে মৃত ঝাড়খণ্ডের বৃদ্ধ

অনাহারে মৃত্যুর বিষয়টি মানতে চায়নি প্রশাসন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০১৯, ২১:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০১৯, ২১:৩১

options
link
বায়োমেট্রিক অচল দীর্ঘদিন, রেশন না পেয়ে অনাহারে মৃত ঝাড়খণ্ডের বৃদ্ধ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রেশন দোকানে থাকা বায়োমেট্রিক মেশিন অচল হয়ে পড়ে ছিল। তাই তিনমাস জোটেনি রেশন। এর ফলে অনাহারে মৃত্যু হল ৬৫ বছরের এক বৃদ্ধের। মৃতের নাম রামচন্দ্র মুন্ডা। শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের লাতেহার জেলায়। আর এই ঘটনার পর মৃতের বাড়িতে হাজির হয়ে ৫০ কেজি শস্য ও দু’হাজার টাকা তুলে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

[আরও পড়ুন- একবছরে নিকেশ ১০৩ জন জঙ্গি, উপত্যকায় কমছে সন্ত্রাস]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রামচন্দ্র মুন্ডার পরিবার যে রেশন দোকানে যেতেন সেখানকার বায়োমেট্রিক মেশিন তিনমাস ধরে অচল। তাই রেশন পাচ্ছিলেন না তাঁরা। প্রথম কিছুদিন এদিক-ওদিক থেকে খাবার জোগাড় করে খেলেও পরে তা বন্ধ হয়ে যায়। এর জেরে কয়েকদিন ধরে অনাহারেই ছিল ওই পরিবার। এপ্রসঙ্গে মৃতের মেয়ে বলেন, “গত তিনমাস ধরে রেশন জোটেনি আমাদের। আর এর ফলে গত চারদিন ধরে কিছু পেটে পড়েনি আমার বাবার।” রামচন্দ্রের স্ত্রী চামরি দেবীও তাঁর স্বামীর অনাহারে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন- মন্দিরের সোপান! অযোধ্যায় রামের মূর্তি উন্মোচন যোগী আদিত্যনাথের]

যদিও অনাহারে মৃত্যুর বিষয়টি এখনও স্বীকার করতে চাইছে না স্থানীয় প্রশাসন। এপ্রসঙ্গে লাতেহারের মহকুমা শাসক সুধীর কুমার বলেন, “ওই বৃদ্ধের যে অনাহারেই মৃত্যু হয়েছে তা এখনও প্রমাণিত হয়নি। তাই এবিষয়ে এখনই কিছু বলতে পারব না। তবে ওই বৃদ্ধ আয়ুষ্মান ভারত যোজনা, রেশন ও পেনশন-সহ সব সুবিধাই পেতেন। ওই এলাকায় কোনও ইন্টারনেট কানেকশন নেই। তাই আমরা অফলাইনের মাধ্যমে ওখানে কাজ চালানোর চেষ্টা করছি।”

গত বুধবার রামচন্দ্রের পরিবারের সমস্যার কথা স্থানীয় এমএনআরইজিএ সহায়তা কেন্দ্রে জানিয়েছিলেন জনা কয়েক গ্রামবাসী। এরপরই এই ঘটনা ঘটে যায়। শুক্রবার রামচন্দ্রের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর বাড়িতে পৌঁছান স্থানীয় প্রশাসনিক আধিকারিকরা। তারপর তাঁর পরিবারের হাতে ৫০ কেজি খাদ্যশস্য ও রামচন্দ্রের শেষকৃত্যের জন্য ২ হাজার টাকা তুলে দেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.