Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কাদা

রাস্তায় খানাখন্দ, ইঞ্জিনিয়ারকে কাদায় স্নান করালেন মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস বিধায়ক!

কাদায় স্নান করানোর পর বেঁধেও রাখা হয় ওই ইঞ্জিনিয়ারকে, দেখুন সেই ভিডিও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৯, ১৭:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৯, ১৭:৩৬

options
link
রাস্তায় খানাখন্দ, ইঞ্জিনিয়ারকে কাদায় স্নান করালেন মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস বিধায়ক! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাইওয়েতে গর্ত হয়ে গিয়েছিল। এর জেরে এক ইঞ্জিনিয়ারকে কাদায় স্নান করালেন মহারাষ্ট্রের এক কংগ্রেস বিধায়ক ও তাঁর অনুগামীরা। পরে তাঁকে একটি ব্রিজের রেলিংয়ে দড়ি দিয়ে বেঁধেও রাখা হয়। অভিযুক্ত বিধায়কের নাম নীতীশ রানে। তাঁর বাবা নারায়ণ রানে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।

[আরও পড়ুন- মৃত্যুর আগে মা-বাবাকে হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ, দিল্লিতে যুবকের মৃত্যু ঘিরে রহস্য]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুম্বই-গোয়া হাইওয়ের কাংকাভালি এলাকার কাছে একটি ব্রিজের উপর একাধিক জায়গায় গর্ত হয়ে গিয়েছিল। এই বিষয়ে অভিযোগ পেয়েই বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন স্থানীয় কংগ্রেস বিধায়ক নীতীশ রানে। সঙ্গে ছিল তাঁর কিছু অনুগামী। সেখানে যাওয়ার পর রাস্তায় গর্ত হওয়া নিয়ে হাইওয়ে নির্মাণের দায়িত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। বচসার মাঝেই ওই ইঞ্জিনিয়ার প্রকাশ শেডেকারের গায়ে মগ ও বালতি দিয়ে কাদা ঢেলে দেন বিধায়কের অনুগামীরা। তারপর তাঁকে ব্রিজের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধেও রাখে তাঁরা।

Advertisement

ওই সময়ে তোলা ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, ব্রিজের উপর প্রচুর লোক দাঁড়িয়ে আছেন। আর তাঁদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে কথা কাটাকাটি করছেন বিধায়ক ও ইঞ্জিনিয়ার। তাঁদের বচসার মাঝেই পিছন থেকে দু’জন ব্যক্তি এসে প্রকাশ শেডেকারের গায়ে দু’বালতি কাদা ঢেলে দেন। এরপর নীতীশ রানে ও তাঁর অনুগামীরা ওই ইঞ্জিনিয়ারকে ধাক্কা মারতে মারতে ব্রিজের ধারে নিয়ে যায়। দড়ি দিয়ে বেঁধেও রাখেন।

[আরও পড়ুন- আগামী অর্থবর্ষে বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ, বাজেটের আগে আর্থিক সমীক্ষা মোদি সরকারের]

সোশ্যাল মিডিয়াতে এই ভিডিওটি পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়ে যায়। আর তারপরই শুরু হয় বিতর্ক। একজন জনপ্রতিনিধি যদি সরকারি আধিকারিককে প্রকাশ্যে হেনস্তা করেন, তাহলে জনগণের কাছে কী বার্তা যাবে। এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে দেশের রাজনৈতিক মহলে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.