BREAKING NEWS

২০ শ্রাবণ  ১৪২৭  বুধবার ৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

হারে বিধ্বস্ত দল, মুখপাত্রদের মুখ বন্ধ রাখার নির্দেশ কংগ্রেসের

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: May 30, 2019 3:53 pm|    Updated: May 30, 2019 3:53 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভায় লজ্জাজনক ফলাফল। সভাপতি পদে ইস্তফা দিতে চেয়ে রাহুল গান্ধীর অনড় মনোভাব। হারের দায় নিয়ে একের পর এক শীর্ষ নেতার সরে দাঁড়ানো। সব মিলিয়ে দেশের বৃহত্তম বিরোধী দল কংগ্রেস এখন রীতিমতো ডামাডোলে। কংগ্রেসের অভ্যন্তরে কী নাটক চলছে? এবং শেষ পর্যন্ত কবে এই নাটকে যবনিকা পড়বে? কেউ জানে না। তার উপর রয়েছে নিত্যদিন নতুন জল্পনা। নিত্যদিন সংবাদমাধ্যমে নতুন নতুন রসালো খবর ছড়াচ্ছে। যাতে আরও বাড়ছে সমস্যা। দলের এই ডামাডোল পরিস্থিতিতে মুখপাত্ররাও খেই হারিয়ে ফেলছেন বিভিন্ন টেলিভিশন বিতর্কে। তাই কার্যত বাধ্য হয়েই আগামী একমাস দলের মুখপাত্রদের টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করল কংগ্রেস।

[আরও পড়ুন: খালি পায়ে ১৪ কিমি হেঁটে সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে পুজো দিতে গেলেন স্মৃতি]

লোকসভায় দলের হতশ্রী ফলাফলের পরই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাহুল। কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সে সিদ্ধান্ত তিনি জানিয়েও দেন। এমনকী দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা তাঁকে সহযোগিতা করেননি বলে অভিযোগও করেন কংগ্রেস সভাপতি। রাহুলের উপলব্ধি, গান্ধী পরিবারের বাইরে কেউ দলের সভাপতি না হলে কংগ্রেস ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। আর সেকারণেই ইস্তফার সিদ্ধান্তে অনড় রাহুল। কিন্তু, দলের অন্য নেতারা কিছুতেই রাহুলের ইস্তফা মেনে নিতে পারছেন না। একযোগে দলের সব শীর্ষ নেতাই সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই মুহূর্তে রাহুলের বিকল্প কংগ্রেসে আর কেউ নেই। প্রায় রোজই সভাপতিকে বোঝাতে তাঁর বাড়ির দরজায় কড়া নাড়ছেন কংগ্রেসের একের পর এক শীর্ষ নেতা। কিন্তু, তাদের সঙ্গেও দেখা করছেন না রাহুল। আসলে, লোকসভায় হারের পর থেকেই নিজেকে কার্যত একা করে নিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি।

[আরও পড়ুন: জেটলির অসুস্থতা ফেরাচ্ছে পারিকরের স্মৃতি, এগোল প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর ছেলের বিয়ে]

এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ কী হবে? আদৌ রাহুল দলের মুখ হিসেবে থাকবেন নাকি নতুন কাউকে সভাপতি করা হবে? নতুন কাউকে সভাপতি করতে হলে দৌঁড়ে কে এগিয়ে? এসব কোনও প্রশ্নের উত্তরই আপাতত কংগ্রেসের কাছে নেই। তাই, সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলে আর বিতর্ক বাড়াতে চাইছে না দল। আপাতত, তাঁরা পরিস্থিতি থমথমে হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবে। সেজন্যই মুখপাত্রদের মুখে কুলুপ আঁটার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিরোধীরা অবশ্য কটাক্ষ করে বলছেন, বিজেপির এত বড় জয়ের পর কংগ্রেসের আর কী-ই বা বলার থাকতে পারে? তাই মুখপাত্রদের মুখ বন্ধ করে ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে দেশের বৃহত্তম বিরোধী দল।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement