Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৭ জুলাই ২০২৬

রাম রহিম গারদে, কী হবে ‘ধর্মগুরু’ রামপালের?

রায় দেবে হিসারের আদালত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৬:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০১৯, ১৬:২৯

options
link
রাম রহিম গারদে, কী হবে ‘ধর্মগুরু’ রামপালের? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ধর্মের নামে ভণ্ডামি চালিয়ে গারদে ধর্ষক স্বঘোষিত ‘বাবা’ রাম রহিম। এবার পালা আরেক ‘ধর্মগুরু’ রামপালের। একটি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ওই বাবা। ১১ বছর ধরে চলা এই মামলায় রায় ঘোষণা হবে মঙ্গলবার।

[ভণ্ড বাবার চক্রান্ত ফাঁস, হিংসা ছড়াতে নগদ ৩৮ লক্ষ টাকা ইনাম]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ধর্ষণ মামলায় ডেরা প্রধান রাম রহিমের সাজার পর থেকেই জ্বলছে হরিয়ানা ও পাঞ্জাব। এমনই পরিস্থিতিতে রামপালের ভাগ্য নির্ধারণ করতে চলেছে হিসারের একটি আদালত। ফলে আরেকবার পরিস্তিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। উল্লেখ্য, ১১ বছর আগে রোহতকের একটি গ্রামে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালায় রামপালের সমর্থকরা। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয় এক ব্যক্তির। অভিযোগ, হিংসার নেপথ্যে হাত ছিল ওই ধর্মগুরুর। ওই মামলায় ২০১৪-এ রামপালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর তা করতে গিয়ে হিসারের সতলোক আশ্রমে প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে চলে পুলিশ ও ভক্তদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ। প্রাণ হারান ৬ জন।

[ভণ্ড ও ধর্ষক বাবার আসনে এবার মেয়ে হানিপ্রীত!]

শুধু এই দুই ভণ্ড বাবাই নয়, বেশ কয়েকজন স্বঘোষিত ধর্মগুরুর বিরুদ্ধে রয়েছে হত্যা ও ধর্ষণের মতো মামলা। ২০১৩ সালে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয় আসারাম বাপুকে। ১৬ বছরের এক কিশোরী তার বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ আনে। এছাড়াও রয়েছে স্বামী নিত্যানন্দ। ২০১০-এ কর্ণাটকের ওই ‘বাবা’কে যৌন কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। মানুষের অন্ধবিশ্বাস ও ভক্তিকে মূলধন করে রমরমিয়ে চলছে এই ধর্মগুরুদের ব্যবসা। এভাবেই হত্যা ও ধর্ষণের মতো জঘন্য কাজ করে যায় তারা। দুই ক্ষমতার বলে দুই শিষ্যাকে ধর্ষণ করে পার পেয়ে যাবে ভেবেছিল ডেরা প্রধান রাম রহিম। তবে আদালতের রায়ে অবশেষে উপযুক্ত শাস্তি পেয়েছে ওই ধর্মগুরু।

প্রসঙ্গত, হরিয়ানার রোহতকে গত তিন দিন ধরে কারফিউ চলছে। অফিস, কাছারি, স্কুল, কলেজ সব বন্ধ। জনজীবন স্তব্ধ। সব জায়গাতেই বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালান নিরাপত্তারক্ষীরা। সন্দেহ হলেই কোনও ব্যক্তিকে আটক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত হরিয়ানা-পাঞ্জাবের কোনও অঞ্চলে হিংসার খবর না থাকলেও, গোয়েন্দা সূত্রে খবর গণ্ডগোল তৈরি করতে সোমবার সকাল থেকেই প্রস্তুত ছিল রাম রহিমের অনুগামীরা। এরই মধ্যে আবার হরিয়ানা-পাঞ্জাবে ১৩০টি ডেরা ক্যাম্পাসে তল্লাশি চালিয়ে রড, লাঠি, পেট্রোল বোমা বানানোর সরঞ্জাম পাওয়া গিয়েছে। সিরসার আশ্রমের কাছে একটি গাড়ি থেকে একে-৪৭ এবং পিস্তলও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.